রিপুর বশে চলে !

আরবের লোকেরা নবি ও রাসুল এর শিক্ষা ভুলে
মহানবি (স.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে অসামাজিক
কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েও রিপুর বশে জীবন চলে।

আচার ব্যবহার চলা ফেরায় বর্বরতার উপমা রয়
তাই বিরোধী কাজের জন্যে সে যুগকে আইয়্যামে জাহিলিয়্যাত বা অজ্ঞতার যুগ নামেতে ডাকা হয়।

সামাজিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা রয় নি কোনো
সুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যবস্থা যেন কেমন করে হতে পারে
এতে জানমাল ইজ্জতের নিরাপত্তা ছিল না যেন!

কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর নরহত্যা রাহাজানি
জুয়াখেলা মদ্যপান ব্যভিচার প্রচলিত তখনকার
ব্যাপার খুন খারাবি সুদ ঘুষ আর ছিল হানাহানি!

নারীদের সামাজিক জীব মনে করে নাহি নিতো
মর্যাদা ছিল না কোন বরং দাসী হিসেবে তাদের
বিক্রি করাও ভোগ বিলাসের বস্তু মনে করা হত!

পবিত্র কুরআনে সুস্পষ্ট বিষদভাবে বর্ণনা আছে
তাদের কাউকে কখনো কন্যা সন্তানের সুসংবাদ
দিলে তখন চেহারা কালো মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়েছে!

সে নিজ সম্প্রদায় থেকে আত্মগোপন করে নেয়
যে সংবাদ দেওয়া হয় তার গ্লানি হেতু চিন্তা করে
হীনতায় রেখে নেয় না মাটিতে পুঁতে ফেলে দেয়!

আল্লাহ পাক সূরা আন্-নাহলে বর্ণনা করেন যা
সাবধান! তারা যে সিদ্ধান্ত করে তা খুবই নিকৃষ্ট
অপরাধের কোনোটি ছিল না যা তারা করত না!

Similar Posts

  • ভাবুক এক ছেলে !

    ভাবুকটির বয়স যখন ষোল হলতখন তার মনটাও পোলিশকৃতআয়নার মতো হয়ে তাতে সবুজমাঠের প্রতিচ্ছবি যত ভেসে গেল। হৃদয় গহ্বর শূন্য উপত্যকার মতযখন হয় ফিরিয়ে দিতে লাগলোসকল শব্দের প্রতিধ্বনি যতো যেবিকেলে শুনলো চারিদিক তখন। ঝর্নার পাশে বসেও ভাবছে বটেগভীর ভাবে ঝর্ণাটি ভূগর্ভ থেকেউৎসারিত যেমন কবির কল্পনাথেকেই ভাবনার উৎসারণ ঘটে। পরে ভাবছে পাতাগুলোকে নিয়েযেগুলোর রঙ হলুদ এবং অস্থিরআরো…

  • পরশ রতন !

    মায়ের দোয়া লাগে যার গায়তাকে সাক্ষাৎ হলে চেনা যায়প্রমাণ হয় তার ভাব ভঙিমায়। পঞ্চরস মেখে আছে যেজনকতো রসিক সুজন মহাজনআত্মা অন্তর যে পরশ রতন। সঠিক রাস্তা যার ভাগ্যে ঘটেআঁধার কালে তার চন্দ্র ওঠেআয় উন্নতি হয় জীবন হাটে। উপাসনা আরাধনা করে চলএসব করছে যত শান্তি হলোশান্তি সমৃদ্ধিতে জীবন গেলো! ইবাদত ও বন্দেগীর কষ্ট সয়আল্লাহ রাসুলের রাস্তায়…

  • ফ্যাকাশে মুখ !

    আমি সন্ধ্যায় বাড়িরই বারান্দায় বসেএকদিন চিন্তা যা করেছিলাম শহরেরঅলি গলিতে অব্যাহত জীবন-সংগ্রামনিয়ে ওরা কতো ঘন বসতি ভাবে বাসকরে একে অন্যে সকলে মিলে মিশে ! হকারদের আরোও চিৎকার চেঁচামেচিপেয়েছিলাম যে শুনতে প্রত্যেকে হাঁকছাড়ছিল এরই মধ্যে দাঁড়িয়ে দৃষ্টিপাতকরে অনেক লোকের ভিড় শীঘ্র গিয়েদেখি সব বয়সের ছাড়াও আছে কচি! সেথায় যেন একটি শিশু উপস্থিত রয়একদম ঘেসে আমার কাছে…

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

  • কলরব

    রাত বাড়তেই হয় রাজধানী নীরব,মানুষের সংখ্যা কমে নেই কলরব।বিভিন্ন স্থানে শুধু দেখা যায় চোখে,ফুটপাতে আছে কতই কষ্টে দুঃখে।কেউবা একদম কোন বিছানা ছাড়া,অনেকের আছে আবার ছেঁড়া ফাড়া।গরীব দরিদ্র মানব হতভাগা যারা ,অগনিত আছে যে বসত ভিটা হারা।স্থান পেয়েছে অনেকে গাছের তলায়,বহুলোক শুয়েছে পরিত্যক্ত চালায়।দিনভর কাজ করে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ,সুখ আরাম ছাড়া , স্থান গেছে লয়ে।দালান…

  • কঠিন শ্রম

    অসীম সুখে থাকলে কত না হয়দুঃখীদের কষ্টের খবর নাহি রয়!এ ধরায় আরাম আয়েশেও যারাফুর্তি খুশিতে সময় কাটায় তারা!টাকা কড়ি অন্নবস্ত্র ও বাসস্থানতাদেরই পর্যাপ্ত রয়েছে সংস্থান!আনন্দ উল্লাসে সময় ও কাটায়মূল্যবান ভোগে শখ যত মিটায়!অধিকন্তু দুঃখী ও হতভাগা যতকষ্ট ভোগ কত করে থাকে শত!রাত পোহালে বিচরণ যে করেরোজী রোজ গারের পথ ধরে!হাড়ভাংগা পরিশ্রমে যতই পায়পরিবার পরিজন নিয়ে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *