ধর্মান্ধতা ধ্বংস করে !

ধার্মিকতা ও ধর্মান্ধতা এক জিনিস নয়
ধার্মিকতা মানুষকে আলোর পথে নিয়ে
যায় আরো ধর্মান্ধতা মানুষকে ধ্বংসের
দিকে ঠেলে দেয় যার কতো প্রমাণ রয়।

একজন গড়পড়তার মানুষ কথা বলে
ভাল মানুষ ব্যাখ্যা করে উর্ধ্বতন মানুষ
কাজ করে দেখায় সেরা মানুষ প্রেরণা
যোগাতে অন্যদের সাহায্য করেই চলে।

মুখস্তে ই অর্জন করে টিয়া পাখির মতো
কেবলশুধু বড় চাকরি পাওয়া শিক্ষা নয়
শিক্ষা তো মানুষের কুশিক্ষাকে দূর করে
সমাজের উন্নয়নে উৎসাহ যোগান যতো।

বিখ্যাত না হয়ে সুন্দর জীবনপাত সম্ভব
কিন্তু জীবনের মত ই জীবন না কাটিয়ে
খুব বেশী সুনামধন্য হওয়া কখনও যেন
সুন্দর জীবন গঠন করে চলাই অসম্ভব।

আহত ব্যক্তি যন্ত্রনা সহজেই ভুলে যায়
সে খুব বেশী ক্ষত বিক্ষত হলে যত কষ্ট
অগোচরে রয় পক্ষান্তরে অপমানিত যে
ব্যক্তি তত সহজে অপমান ভোলা দায়।

অসহায়কে কেউ করোনাতো অবহেলা
যদি পারো তাকে সাহায্য ও সহানুভূতি
করো মানুষ মাত্রই জীবনের কোন এক
সময় কতো অসহায় হয়েও কাটে বেলা।

প্রাপ্তি আরো প্রত্যাশার পার্থক্যটা দুঃখ
তাই নিজের প্রত্যাশাটা যতোটুকু সম্ভব
হবে কমিয়ে ফেলুন অবলোকন করতে
পারবেন দুঃখ কমে অনেক হয়েছে সুখ।

Similar Posts

  • শুধু চাই

    ছোট ও বড় সবার দাবী শুধু চাইযার বেশী তার আরো যেন পাই।নিম্ন মধ্য আরোও উচ্চ বিত্ত যারাশত ধান্ধা থাকে বেশ পাবে তারা।লোভের জন্য কোনো শান্তি নেইভাগ্যে ও তাদের থাকে যেই সেই।পরিশ্রমী যত উপার্জন করে নেয়যারা অলস ভাগ্যকে দোষ দেয়।সত্যনিষ্ঠদের সময়ই সুখের যায়ভাল পরিধান করেও সুষম খায়।খোদা ভক্ত যাঁরা শান্তি পায় বেশখাদ্য পোশাকেরই নেইকো শেষ।আল্লাহ ও…

  • সহিষ্ণুতা

    বিপদে মুক্তি করতে যে রয়    সাহায্য সহায়তার ফলে   সেইতো আসল বন্ধু হয়।    যেথায় মিষ্টি কথা রয়    আড়ালে থাকে চতুর      অভিসন্ধির সদা ভয়।    অসাবধানে বিপদ আসে হুশিয়ার সতর্ক না থাকলেদুর্ভোগ দুর্গতি থাকে পাশে।   সত্য ন্যায়ের সর্বদাই জয়কষ্ট আর সহিষ্ণুতার সুবাদেসহনের ফল হয় কল্যাণময়।

  • পোষা প্রাণীর স্মৃতি

    বেশি করে মনে পড়ছেই পুরনো স্মৃতিগুলি আজসুখকর নয় তো সব স্মৃতি আরো কিছু যে আছেদু:খ বাড়িয়ে দেয় তবুও মানুষ সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েযেন কষ্ট কিনতে ভালবাসে যাতে নাহি করে লাজ। টুটুলের মনে পড়ছে যেদিন জেছি সংসারে আসেতাকে দেখে তো সে রীতি মতো ভয় পেতো আরোটুটুলও তার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতসবাই ওকে অনেক ভলবাসায় সেও…

  • প্রকৃতির সন্তান

    সবুজ আমাদের প্রাণের স্পন্দন,গাছ বৃক্ষের সমারোহ বেশ নন্দন।প্রকৃতি যে আমাদের সবুজে গড়া,সবুজ পাথায় করে কত নড়া চড়া।প্রকৃতি যেখানে আছে বেশ সুন্দর,সবুজ ছড়িয়ে দিছে কত মনোহর।মানুষকে প্রকৃতির সন্তান বলা হয়,দৃষ্টান্ত আছে অনেক প্রমাণ যে রয়।প্রকৃতি শেখায় সবে চলতে-ফিরতে,ভারসাম্য বজায়ের পরিবেশ গড়তে।গাছ গাছালী তরুলতা রক্ষার কথা,পাহাড় পর্বত আর নদী নালা যথা।

  • কবিতা

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য০২.০৩.২০২৩ খৃঃ, রোজ বৃহস্পতি বার ;স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৩০০ টিতেপৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —” পহেলা এপ্রিল ” । সৃষ্টিকর্তার অসীমদয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায়এ রকম একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতেপারায় আমি আপনাদের অশেষ ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়করছি ।…

  • মারপ্যাচ

    আমাদের ফিকির কত মারপ্যাচ খায়,গন্ডির ভেতরে যতটা স্থান যেন পায়।মোরা সব বনে গেছি এতোটাই বোকা,পরিস্থিতির স্বীকারে পাচ্ছি যে ধোঁকা।অনিয়মটি নিয়ম হিসাবে সবে মানতে,দায়িত্ব পারে যে তারা দখলে আনতে!যেথায় সকল তারা অগ্রসর হতে যায়,ঠক বাজি ধূম্রজালের তারা পায় সায়।ধান্ধাবাজি ঠগাটগি তাদের যেন কাম,ব্যস্থতায় তাড়াহুড়ায় পড়েই যায় জাম।মদ বিক্রেতাকে যেতে হয় না কোথা ,লাইন বেঁধে ক্রেতাই সংগ্রহ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *