নিরক্ষরতায় জূটে

বাংলাদেশে অন্যতম কারণ
নির্যাতনের শিকার হয় নারী
অজ্ঞতা নিরক্ষরতারই ফলে
নারী শিক্ষার হার যত তুলনা
মূলক অনেক কমই হওয়ায়
ওদের হয় না নির্যাতন বারণ।

নিপিড়ন যতো হয়ে তো থাকে
যদি চো শহর অঞ্চলের দিকে
লক্ষ্য করি তয় দেখতে পাবো
শহরাঞ্চলে নারী শিক্ষার হার
কতো বেশি যার জন্য ওদের
অত্যাচার অনেক কম থাকে।

উচ্চ শিক্ষার আগে ঝরে পড়ে
গ্রাম অঞ্চলের নারীরা কতোই
ফলে নারীদের সচেতনতা পূর্ণ
হয় না এই অসচেতনতা আর
অশিক্ষার অভাবেই নারীরাও
মূলত নিপিড়নে সংসার গড়ে।

মর্যাদা সম্পর্কেই থাকে অজ্ঞ
যেহেতু নারী শিক্ষিত নয় সে
ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবাদ গড়ে
তুলতে নাহি পারে যার জন্যে
চোখ বুজেও করে সহ্য তার
মূল কারণও তারা নয় ভিজ্ঞ।

বেঁচে থাকার আছে অধিকার
পুরুষের মতো সমানভাবে যা
সমাজের সকলে ভোগ করেই
নারীরাও ভোগ করতে পারবে
তা বোঝে না তাদেরও রয়েছে
যে পুরুষের মতোই স্বাধিকার।

Similar Posts

  • অগ্নি শিখা

    শুষ্ক বালি ডাল – পালা ক্লান্ত চাতক মাখছে রোদতপ্ত বাতাস আগুন হাওয়া একটানা বিরক্তিবোধ। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে ছাই যখনি হয়ে যাইপ্রচুর বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে দিলে কত শান্তি পাই। উষ্ণতা যেনো বাসা বেঁধেছে সারাটা শরীর জুড়েভরা গ্রীষ্মে গলছি আমি প্রতিনিয়ত যাচ্ছি পুড়ে। তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর হারিয়েছে যেনো সুরউষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো বর্ষাটি অনেক দুর। গরম…

  • মুখে হাসি

    দেশের যতো মজুর – চাষিচলো দেশকে ভালো বাসিমুখে সকলের ফুটবে হাসি। অবশেষে দুঃখ যাবে দূরেনিপিড়ন নির্যাতন শোষণকেবল শোষক দলে করে। শ্রমিক ও মজুর এক হলেথাকবে না তো অন্ধকারেসুখ প্রশান্তি আসবে চলে। কেহো থাকতে নাহি পারেবেশী দিন ধরে এ সংসারেতাই সময়ে কর্ম যেন সারে। সবার নিকট এই নিবেদনআমার মনে ভাবি সর্বক্ষণকার তল্লাশী পড়বে কখন।

  • কতো হাহাকার

    ধনীদের সংখ্যাই বাড়ছে বাংলাদেশে অতিযাদের কাছে অনেক বেশি সম্পদ রয়েছেতাদের যেন বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোকেওহার মানিয়েছে কিন্তু দেশে এতো পুঁজিপতিথাকা সত্ত্বে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়েউঠছে না নতুন কর্মসংস্থানের বাড়েনি গতি। কমছে না যেনোও বেকারত্বেরই কোনো হারদরিদ্র জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতার গ্লানি মুছে নাধনী গরিবের তারতম্য কমছে না কিন্তু কেনকারা কিভাবে রাতারাতি সম্পদেরই পাহাড়গড়তে সক্ষম হলো দেশের…

  • স্মরণীয় যতো !

    যে স্মৃতিগুলো জমিয়ে রাখিসুখের মনে করে সে গুলোইআমাদের আনন্দের হিসেবেখুব বেশি স্মরণ রয় কখনোএর ক্ষতি ভোগ করে থাকি! যারা মূলত ভাল বাসতে চায়তাদের ভাগ্যে আর কখনোইজুটে না সত্যিকারের কোনওভাল বাসা শেষে কেবল মাত্রসারা পৃথিবীর অবহেলা পায়! জীবনের শিক্ষাটা যত সেরাপ্রত্যেক মানুষের যত নিখুঁতসুষ্ঠু ও সঠিকভাবেই গ্রহণেরজন্যই কারো কাছে একবারঠকে যাওয়াও ভালো মোরা! পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয় আর এতে…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

  • গ্রীষ্মের খরতাপ

    চোখ ধাঁধিয়ে দেয় রোদ ঝলমল,তাপে পুড়িয়ে পড়ে ঘাম টলমল।অসয্য গরমে জনপদ আর ঘাট,বেশী গরম আছে খেলারও মাঠ।গ্রীষ্মের খর তাপে অতিষ্ঠ লোক,গরমের উষ্মতার বেদনাও দুঃখ।একদিকে কঠিন তাপেরই জ্বালা,লোড শেডিংয়ের আরো কত খেলা।একটু পর পর যায় আসে বিদ্যুৎ,কে বলে কার কাছে তাদের দুঃখ।সকল স্থানে সর্বোচ্চ গরমের তাপ,মাঠে যত আছে বলে পাব কি মাফ।দীর্ঘ দিন পর্যন্ত খরতাপ কত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *