নৌকা বাইচ

জনসমাগমের কতই ভীড়
সিলেট সুরমা নদীর তীর।
বর্ষায় পানির কতই জোর
সৌখিনদের ঘুরছে মোড়।
তারা বাইচ মাইকিং করে
নৌকায় নদীটি যায় ভরে।
নানা রঙের নৌকা আসে
প্রচুর লোকই থাকে পাশে।
নৌকা সুন্দর যত রঙ করা
বাদ্যযন্ত্র তত নৌকায় ভরা।
নৌকা বাইচ আরম্ভ ও হয়
মন্দিরা জুরে বাজতে রয়।
পাইক মন প্রাণ দিয়ে বায়
প্রথম পুরুষ্কারই যেন পায়!
মন্দিরা ঢোলের বেশী সুর
ভেসে যায় তা অনেক দূর!
দর্শকবৃন্দও থাকিয়ে থাকে
কর্তৃপক্ষ মাইকে নাম হাঁকে!
বিকেল বেলা বাইচও শেষ
সময় ফুর্তিতেই কাটে বেশ!

Similar Posts

  • কবিতা

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য০২.০৩.২০২৩ খৃঃ, রোজ বৃহস্পতি বার ;স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৩০০ টিতেপৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —” পহেলা এপ্রিল ” । সৃষ্টিকর্তার অসীমদয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায়এ রকম একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতেপারায় আমি আপনাদের অশেষ ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়করছি ।…

  • বিনিদ্র রজনী !

    সবচেয়ে অধিক মহব্বত যারপৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছেঅতিরিক্ত থাকে নিজের মা’র। যদিবা কোন শিশু অসুখ হলেখাওয়া দাওয়া সবই বন্ধ করেবিনিদ্র কতো পেরেশানি চলে। এত আদর সোহাগ করে যায়অধিক সেবা শুশ্রূষাতে শিশুরদু:খ দুর্ভোগ সেরে শান্তি পায়। সব সময় মায়ের দোয়ার ফলেআল্লাহ তায়ালা অসংখ্য দুর্গতিনিবারণ করলেই প্রশান্তি মিলে। তাসবিহ পড়েন নামাজের পরেকাকুতি মিনতি সন্তানের জন্যেযা কান্নাকাটি করেন জুরে…

  • উল্টা পাল্টা

    এখন কিযে করবে তুমি ভাইঅনেক শান্তিতে থাকতে চাইপূর্বের জামানা আর তো নাইআলাপ হবে যদি দেখা পাই। আরে! জামানা পাল্টে গেছেপ্রাক্তন যতো সব মুছে দিছেবেয়াদবের আবির্ভাব হয়েছেচ্যাংড়াদেরও পালক গজেছে। পাকনামী টুনটুনানী বেড়েছেধ্বংসের রাস্তা বেছে নিয়েছেযত রাজনীতি শিখে গিয়েছেচড় তাপ্পড় খাচ্ছে গাঁঢ় ঘেষে। কতো উল্টা পাল্টা কথা কয়এজন্যেই যথেষ্ট অপমান সয়কখনো অবস্থা যা খারাপ হয়যথেষ্ট প্রমাণ আশে…

  • স্নেহের বন্ধু

    সকল পুরোনো বন্ধু সোনার মতনতুন যারা হীরের ন্যায় সমেতোহীরে যদি পেয়ে যাও তো স্বর্ণকেভুলো না কারণ তা ধারণ করতেপরিশেষে স্বর্ণ কিন্তু লাগবে কত। বন্ধুর অর্থ কোনো অবহেলা নয়তাদের আপন করেও নিতে হয়তারা হল যত সুখ দুঃখের সাথীকেউ কখনো নিও না এমন বন্ধুপরে সে যেন ক্ষতির কারণ হয়। যেমন ছিলে সর্বদা তেমন থাকোবন্ধুদের জন্যে স্নেহ মায়া…

  • অংগ ভংগীই সার

    একটি অবুঝ শিশু রয়েছে যারফুটে বলতে পারেনা সে সবকথাযে দু’ চারটি কথা তো বলে তাহাএমন আধো আধো ভাঙ্গা ভাঙ্গাঅপরের সাধ্য নাই বুঝতে পারেকেবল মা বাবা বুঝেন মর্ম সার। শিশুটি কতো কথা বলে না ফুটেচক্ষু মুখ ও হাত নাড়া চাড়া মাথাপ্রভৃতির দ্বারা যতো কথা আকারইঙ্গিতে বলে তাঁরা তাহাও বুঝতেপারে অন্যে বুঝতে পারে না যাহামা বাবার স্নেহে…

  • অসীম খুশী

    লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকেকেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করেকতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *