পাল তুলে দে

কোনো মাঝি থাকে না যদি
নদী নালা অতিক্রম করতে
বৈঠা হাতে নিয়েই মনানন্দে
বেয়ে যেতে থাকো নিরবধি।

বসে থাকলেই গুটিয়ে হাত
লক্ষ্য স্থানেতো ঠিক সময়ে
পৌঁছা সম্ভব না হয়ে আরো
হয়ত সেথা রবে বেশী রাত।

বাতাস যদি বইতে রয় তবে
কষ্ট সহ্য করে দাঁড় টানবার
বৈঠা নৌকাতে রেখে তখনি
মাস্তুলেও পাল তুলতে রবে।

ছেড়ে দিও না কখনো হাল
দাঁতে দাঁত রেখে কষ্টগুলো
চেপে ধরো হয়তো বাতাসে
গন্তব্যে নিয়েও যাবে পাল!

Similar Posts

  • ঘনিষ্ট বন্ধু

    কেবা তুমি ডাকছো মোরেবিকেল বেলা নামটি ধরে ?নিশ্চয় কেহ পরিচিত হয়নয়তো নামে ডাকার নয়।সাক্ষাতে দেখি ঘনিষ্ট একবাল্য বন্ধু নাম তার সেখ।সেতো ছোট বেলার সাথীকত সুন্দর তার মতিগতি।বিদ্যালয়েও যেথাম সাথেযাথায়াত ছিল এক পথে।খেলাধুলায় হতো যে দ্বন্দ্বএরমধ্যে ও ছিল আনন্দ।ছোট খাটো ঝগড়া-ঝাটি ছুড়া ছুড়ি যত কাদামাটি।সাক্ষাতে বিনিময় কুশলবাল্যবন্ধু সেইতো আসল।হাতে হাত আর গলাগলিশুরু হলো কথা বলাবলি।দীর্ঘ দিন পরে…

  • বিয়োগ ব্যথা !

    মানুষ হারানো কতো যে বেশি কষ্টযাঁদের আর কখনো ফিরে পাওয়ানাহি যায় সে জন্যে মন রয়নি তুষ্ট। তাঁদের মিস করার কষ্ট সবাই বুঝেবিয়োগ হলে সে শূন্যতা পূর্ণ হয়নিআর কখনো পাওয়া যায়নি খুঁজে। কতোটা যেন কষ্টের অপেক্ষা করাআসবে না জেনেও কারোর জন্যেশতো কষ্টই বুঝে অপেক্ষমান যারা। আমার কান্না তোমাকে বুঝতে যেনমনে রেখো ইহা শুধু মাত্র যে একটাকোনো…

  • শব্দ দূষণ

      চলার পথে চতুর্দিকে শব্দ দূষণ দিক বিদিক ছুটছে প্রতিনিয়তযান বাহন যার গতি যত আছেরাস্তা ঘাটে সকল কত ও বাহনপাশের আরো শত সহস্র লোকভোগছে আরো সবার আবাসন। মানুষ এবং প্রাণীদের মধ্যে যতশ্রুতি সীমা অতিক্রম কারী কতশব্দ সৃষ্টির কারণে শ্রবণ শক্তিক্ষতি গ্রস্ত সকলেই যাতায়াতেআক্রান্তের ফলে অসুবিধা ভোগকরবে সম্ভাবনায় আছে যে শত। কল কারখানার সৃষ্ট যত যানজটথেকে দূষণ এরকম তীব্র…

  • শোভামন্ডিত

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ আছি মোরাযেদিকে তাকাই দেখতে পাই কেবলসবুজের সমারোহ চতুর্দিকেই বিস্তৃতরয়েছে কতো শোভা মন্ডিত বসুন্ধরা। মানুষ ও জীব জন্তু পশুপাখির তরেসকলকে সৃষ্টি করার পূর্ব থেকে যতপ্রয়োজনীয় খাবার দাবার সব কিছুখোদাতায়ালা রেখেছেন জগৎ ভরে। প্রকৃতির অবদান মধুর যেনো কতোনদী নালা সাগর মহাসাগর তরুলতাপাহাড় পর্বত আসমান ও জমিন সবকিছুই সবার জন্যে নিয়োজিত শতো। আল্লাহ পাকের অসংখ্য…

  • কোলাহল

    কৌশোর বয়সী একটি ছেলেঅভাব অনটনে সংসার চলেপর্যাপ্ত খানা খাদ্য নাহি মিলে। দু:খ দুর্গতি সর্বদা লেগে যায়খাবার দাবার যোগাড়ের দায়হাটে যাবার বেলা সাথী পায়। গন্তব্য স্থানে উপস্থিতির পরেওরা দেখে একটি স্থান ঘিরেকত লোক যেথা ফুর্তি করে। বহু দূরের একটি গায়ক দলতাদের দেখতে কত জনবলদর্শকবৃব্দের ছিল কোলাহল। শেষে ঐ ছেলে কিনলো জামউপার্জন করতে বাড়িয়ে দামবিক্রির ভিড়ে চললো…

  • শান্তিময় !

    গুন গুন শব্দে গান গেয়ে এক ছেলে যায়তার নীরব সুর লহরীর মনোমুগ্ধকর টানেশ্রোতাকে আনন্দ দিয়ে মনে যা শান্তি পায়। তার চলার গতিবেগ ছিলো খুবই শান্তিময়কিন্তু চোখের চাহনিটি দেখে অনুভব হলোমনের মধ্যে হয়তো বা কতো দু:খ কষ্ট সয়! কিছুক্ষণ পরে জানতে পারি কাহিনী যতোহতভাগা অনাথ এতিম ছেলের ছোট বেলামা বাবার মৃত্যুর পর থেকে ভোগছে শতো! পরিবারে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *