পুরুষ শাসিত সমাজ

বাংলাদেশের নারী নির্যাতন
পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থা
মূল কারণ কোন মূল্য দেয়া
হয় না শুধুই করে জ্বলাতন।

নারীদের তো অবজ্ঞা করে
পুরুষরা ভাবে তারা শাসক
ওদের আদেশ মানার জন্য
জন্ম হয়েছে পুরুষের তরে।

পুরুষ মনে করেই শ্রেষ্ঠ বলে
তারা থাকেই নারী নির্যাতনে
যে সব পুরুষ তাদের চোখে
নারীদেরকে দাসী মনে চলে।

দুর্বলতায়ও নির্যাতন চালায়
দৈহিক আরো মানসিক কষ্ট
নারী-পুরুষদের থেকে দুর্বল
চোখ বুজে সহ্যে শুর মিলায়।

যতো দায়ী পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি
সমাজ সব চেয়েই বেশী নারী
নির্যাতন বৃদ্ধির মূলত: কারণ
পুরুষ শাসিত ব্যবস্থাও সংগী।

Similar Posts

  • অবিরাম সাধনা

    তুমি যদি হাসাতে না পারোকখনো যেন কারেআপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকআনন্দ দিতে তারে। কেঁদে কষ্ট আরো দু:খ পেলেধরণীর কোন মানুষ ,দুর্ভোগ দুর্গতির মুক্তিতে তারচলতে হয় করে হুঁশ। কতো অবিরাম সাধনা করেসকলে রেহাই পেতে ,ঐকান্তিক প্রচেষ্টাতে থাকেউদ্ধার মিলেই যাতে। অনন্ত অসীম দয়াময় খোদামুক্তি চাই মোরা সদা ,ইবাদতে তাঁর রহমতের ফলেউদ্ধার পাবো সর্বদা !

  • উজ্জ্বল নক্ষত্র

    প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার পার্থক্য দুঃখনিজের আশাটুকু অল্প পরিমাণেকমিয়ে ফেললে দেখবে যেন সবকষ্ট শেষ হওয়ার পর আসে সুখ। মানুষের কষ্ট হলো সমুদ্রের মতোসর্বদা প্রবাহিত হতে থাকে কখনআসে শান্ত পানির ন্যায় আবারওসাইক্লোন স্বরূপ ঝড় আনে যতো। তারাগুলো কত উজ্জ্বল হয় রাতেবিশেষ করে তো গভীর হলে নিশাতেমনি কোন দুঃখ বেড়ে যায় যদিসৃষ্টি কর্তা মুক্তি করেন নিজ হাতে। তুমি…

  • মুক্ত হলো !

    হৃদয় আমার স্মরণ করেছোট বেলার কত কাহিনীউল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী যাসুপ্ত রেখেছি অন্তরে ভরে। বাড়ী থেকে বের হয়ে পরেরাস্তায় চলতে বন্ধুকে নিয়েগাছের চূড়াতে উঠে খোঁজকরতে থাকে পাখির নীড়ে। বন্ধুকে পাখি টোকর মারেকতো চিৎকার ডাকাডাকিকরে এতেও থেমে যায় নিছানা দু’টিসহো নামে পরে! মা পাখিটির চিৎকার শুনেআরো পাখিরা জড়ো হয়েউড়োউড়ি করে ডাকে এরকষ্ট মুই অনুভব করি মনে! বন্ধুকে বলি…

  • ষড়যন্ত্র !

    বাটপারি করে চলতেথাকে কারো যদি মনকড়ায় গণ্ডায় হিসেবকিন্তু নিবেন মহাজন! জবর দখলে আরোচাঁদা বাজিতে যারাখোদার অসন্তুষ্টিতেঅভিশপ্ত থাকে তারা! ঠকবাজি ও ধান্দায়যতোটি লোক থাকেদুরভিসন্ধি ষড়যন্ত্রেসময় কাটায় ফাঁকে! প্রতিবেশী পরিজন ওসকল আত্নীয় স্বজনঘৃণার মাধ্যমে তাদেরসম্পর্ক করো বর্জন ! সৃজন করেছেন স্রষ্টাজীন ও ইনসান যতোইবাদত আর বন্দেগীকরে যাও সময় মতো!

  • বিয়ে বাড়ি 

    হৈ চৈ কাণ্ড  রৈ রৈ শব্দ খুশিতে সব অজস্র রব শিশু কিশোর  যুবক দোসর। মেয়ে কন্যা  খুশির বন্যা  হাসি কান্না কতকি রান্না উল্লাস আনন্দ  আরো মহানন্দ।

  • রইল না কেউ !

    অনেকে বলে দুনিয়া দোজখকেহো তো কয় রঙের বাজারআর কোন কিছু বলতে বেশীচায় না যে বুঝেছে সারাসার। ভবো সংসারের ভোজ বাজিপ্রাণে বোঝে না কতো পাজিমূল কাজে নাহি থাকে রাজিবেশ ভূষায় রয় যতো সাজি। ধরণীতে মানুষ আসিল যতোযারা ছিল কেউ রইল না তোযেথায় আসা যাওয়া অবিরতসময়ে চলে যায় কতো শতো। কতো মহামানব ছিলেন যারাঅগনিত তাঁদের কত সর্বহারাকখন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *