প্রকৃতির সৌন্দর্য

গাছে গাছে ফুটে আছে কৃষ্ণচূড়া ফুল,
ছোট মেয়েরা হাটছে কানে দিয়ে দুল।
অপলক দৃষ্টিতেই তাকিয়ে কত আছে,
কেউ নীচ থেকেই যত কুড়িয়ে নিয়েছে।
রয়েছে লাল গোলাপ ও সাদা গোলাপ,
অন্যরা নিচ্ছে ফুল শিশু করছে বিলাপ।
বকুল জবা জুঁই চামেলি শাপলা শিমুল,
অযত্ন অবহেলা থাকলে হবে সব নির্মূল।
অর্কিড সূর্য্যমুখী ক্যামেলিয়া পদ্ম বেলি,
খুশিতে কুড়ায় শিশুরা করে টেলাটেলি।
কামিনী স্বর্ণচাপা গাঁদা ডেইজি ও চেরি,
পরিচর্যার অভাবে কত ফুল যায় ঝরি।
প্রকৃতির সৌন্দর্য কতই যেন চমৎকার,
হরেক রকম ফুলের আরো কত বাহার।

Similar Posts

  • শুর ধরে !

    অনেক দিন পরে যাত্রা করিকয়েক বন্ধু মিলেই পথ ধরি। ভাড়ায় নেই এক সুন্দর তরিযত কিছু ছিল নৌকায় ভরি। যাত্রার শুরুতে বৃষ্টি হয় জারিবৃষ্টির ফলে বাড়তে রয় বারি! আল্লার নাম কেউ জপ করেকেউ তাসবিহ পড়ে শুর ধরে! অবশেষে আমরা পৌঁছি ঘাটেতাড়া ছিল সবার যাবো মাঠে! খেলার মাঠে মোরা সবাই যাইসেথা গিয়ে অনেক শান্তি পাই! ফুটবল খেলাতে…

  • জ্ঞানী গুনী

      তুলে মানুষের ছবি  দেয়ালে স্মৃতিচারণ  কত কবি মহাকবি। লাগানো হোক উপরে সারাটা জীবন ভরেথাকবে কিন্তু  নিরবে।  ছবি দেয়ালের সাথে ফুর্তিতে ঝুলিয়ে তাই গর্ববোধ করে তাতে।   সংস্কৃতি বদলে অন্ধ  মানসিকতা খারাপ    তারা হয়েছে ধর্মান্ধ।    অসাধু কত যে নেতা  আচরণ দেখায় তারা   গুণীদের মত মাথা। 

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

  • হেলা ফেলা !

    ল্যাংড়া লোলা বিকলাঙ্গযুবক-যুবতী বৃদ্ধ-বৃদ্ধারকারো বেশী কোন অঙ্গএগুলোও হেলা ফেলারনয় কারণ খোদার ইচ্ছেদিয়েছেন অঙ্গ – প্রত্যঙ্গ! তাঁর দয়াতে সৃষ্টির সেরাতিনি অনুগ্রহ করে উন্নতকরায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশকরে সবাই খুশী ও সন্তুষ্টথেকে ইবাদত বন্দেগীতেপরিবর্তন করো বসুন্ধরা! প্রভু করেছেন অজস্র দানধন সম্পদ ইজ্জত সম্মানদৈহিক – মানসিক প্রশান্তিএসব পুনরায় কেড়ে নিলেরোধকারী নেই তিনি সবারজন্য কতো যে মেহেরবান!

  • জীবন্মৃত !

    চতুর্দিকে অথৈ জলদৈনন্দিন যতো নিত্যপ্রয়োজনীয় যা ছিলভেসেই গেলো গভীরপানিতে করে টলমল। কতো তলিয়েও যায়ভারী জিনিসপত্র সবচোখের নিমিষে ডুবেগেলে শেষে মানুষেরমনে যা অশান্তি পায়! পানির যা স্রোত ছিলশক্তিশালী স্রোতেরইটানে কতো কোলেরশিশু আর বয়ষ্কদেরজলে ভাসিয়ে নিলো! সকল তলিয়ে গেছেঅনেকের পরিবারেহয়তোবা দু’একজনব্যতীত অন্যান্য যতজলে ভাসিয়ে নিছে! জীবন্মৃত কত লোকসব হারায়ে যে বেঁচেআছে চোখে ও মুখেকেবল হতাশার চিহ্নঅন্তরে অসংখ্য…

  • ভয় নেই !

    কেউ বাইদ্যার সঙ্গ না করেকালসাপিনী ধরতে ই গেলেফণা ধরলে সাহসের জোরেছোবলে বিষে কেমন করে! বাইদ্যা ওঝার কাছে গেলোঅগনিত ও কতো শতবারকিছুতেই আর শান্তি হয় নাদিল অন্তর তার বেকারার। যারা বাইদ্যা জানেও তারাবিচ্ছু ও সাপ ধরিবার কলবাঁশির গানে ডেকে আনেবাঁশিতে যে কতো কৌশল! পঞ্চরসে মাখা রয় যে জনসঠিক শুদ্ধ শান্ত কতো হয়কালসাপিনী কভু দংশিলেতার কোন মরণের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *