প্রাক্তন

রাস্তা ঘাটে গরুর গাড়ি,
জমি জমায় হাল।
বর্ষায় চলে রংবেরঙের,
ডিঙি নৌকার পাল।
আগের যুগের মাটির কলস,
মাটির কলসির জল।
ঘরের শোভা রঙিন শিখা,
কই যে গেল বল!
শকুনদেরে যায় না দেখা ,
বিরল দেখি কাক!
রাতের বেলা শিয়ালদের,
যথায় তথায় ডাক।
পুরাতন শিল আর পাটা,
কষ্টের ভাটা ঝাল।
এখন নাই কাঠের ঢেঁকি,
ঢেঁকির ছাঁটা চাল।
প্রাচীন কালের পালকি চলার,
নাই রে কোন সুর।
ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল,
হায়রে! গেল যে কত দূর।
না ঘুমিয়ে সারা রাত জেগে,
চিঠি লেখার, কইরে গেল দিন।
রাত্রিকালে জলতেো হারিকেন,
লাগতো যত কেরোসিন।

Similar Posts

  • রে বীর !

    রে মহামান্য খ্যাতি অর্জনকারী বীরতোমার ন্যায় কত ছিল হয়েছে স্থিরএখন ওদের মতি রয় কত স্তব্ধ শিরএকদম যেনো কতো শীতল যা নীরসময়ে গতিবেগ কমে হয়ে যায় ধীর! ধরণীতে অসংখ্য যা বীরত্ববান ছিলগায়ের জোর কথা সবই কেড়ে নিলবেশ দিন স্থিতিশীল রয়নি চলে গেলনির্যাতিত নিপিড়ীত যারা শান্তি পেলঅনেক বীরদের পোকা মাকড় খেল! সময়ে তর্জন গর্জন কত কি যে…

  • শিষ্টাচার

    কথাবার্তায় শিষ্টাচারিতা রক্ষা কর মানুষপরিবেশ পরিস্থিতি অবস্থাভেদে কথা ওবলার ধরন প্রকার বিন্যাস বিভিন্ন রকমহয় এসব ব্যবহারে রাখতে হবে যত হুশ। আমরা সবাক প্রাণী বাগযন্ত্র মাতৃভাষাব্যবহার যত মধুময় সুন্দর যথাযথ হবেব্যক্তি পরিবার সমাজ জীবনে প্রশান্তিআর নিয়মের জন্য ফলোদয় হবে আশা। কথা বলার সময় সজাগ-সচেতন থাকসর্বাবস্থায় মুসলমানকে অটুট বিশ্বাসনিয়ে মনে রাখতে হবে তাঁর মুখ দিয়েউচ্চারিত যত জবাবদিহিতার…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • মন উদাসী !

    স্নেহের বন্ধুর জন্যে অন্তর তার উদাসীমনে আরো প্রাণে জানে যে দিন নয়নেতোমাকে হেরিয়ে সে হয়েছে কত খুশী। নাম ধরে মধুর সুরে ই সে বাজায় বাঁশিমনে হলে তোমার কথা অন্তরে আগুনজ্বলে দেখা ও করে তোর সাথেই মিশি। বন্ধুর গুণের প্রশংসায় যায় দিবা নিশিযার ভাবনাতে মনে পায় কতোই শান্তিতোমার তরেই জাতিকুল তার বিনাশি। অনুরাগ মহব্বতে যতো লোক…

  • জগৎ অনেকের রঙ্গশালা !

    পৃথিবীর কতো মানুষের কষ্ট চোখ দিয়ে ঝরেঅনেকের ব্যথা মেজাজ দিয়েও প্রকাশ করেআর যাদের দু:খ হৃদয়ের মাঝে শুকিয়ে মরেচেপে রাখতে না পারলে কাঁদে জোরে সোরে! কাহারো বেদনা আছে যা তাকে তুকিয়ে মারেদুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে যে পারেআনন্দ পুরোটা উপভোগ করাতেই চায় যারেঅবশ্য কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয় তারে! কতো বন্ধু ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য…

  • শ্রমিক – মজুর

    শ্রমিক – মজুর অগনিত লোকরয়েছে তাদের কষ্ট আরো দুঃখ।যেদিকে তাকায় শুধু দেখে নায়ধান্দায় থাকে কোথায় কি পায়।অভাব অনটনে করে হায় হায়দুর্গতি দূর্দশায় পড়ে দিন যায়।প্রতীক্ষারত থাকে কাজে যাবপরিশ্রমের টাকাও যেথায় পাব।বাজার সদায় যত কিনে নিবপরিবার পরিজন নিয়েই খাব।ধনী বিত্তবানগণ সাহায্য দিবেদুর্ভোগ ভোগান্তি দূর যত হবে।সামান্য হলেও সুখ শান্তি সবেক্ষনিকের তরেও ভোগেই রবে।অভাবের মাত্রা দূরে যায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *