প্রাচীন কাল!

অনেক দিন পূর্বে আজি হতে
ছিলনা সে কালে পর্যাপ্ত রাস্তা
এবং ভাল বাহন তখনি মানুষ
চলাচল করতো কোনো মতে।

ছিল দুর্বিষহ যন্ত্রণা কষ্টের যুগ
সে সময় যাতায়াত করে কতো
হিমসিম খেতে হতো প্রয়োজন
কর্মে লোক করেছে কষ্ট ভোগ।

একদা ছুটছেই অবিরাম গতি
ডানে ও বায়ে না তাকিয়ে খুব
পেরেশানিতে দ্রুত বেগে চলে
যেনো ঠিক ছিল না তার মতি।

মাঠ ঘাট পেরিয়ে যায় কতো
আরো নদী নালা বাজার হাট
সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত যতো
দৃষ্টি গোচর হয় তার শত শত।

চেহারায় রয় কত কষ্টের ছাপ
মনের অত্যধিক জ্বালা যন্ত্রণা
আরো অশান্তি দুশ্চিন্তার ফলে
বেড়ে গেলো দেহের যত তাপ!

হাসপাতালের শয্যায় তার বাপ
খুবই পরিশ্রমের পরে একাধারে
চলে অনেক রাস্তা পেরিয়ে পরে
পৌঁছে দেখে স্রষ্টা করছেন মাফ!

Similar Posts

  • হাতের মুঠোয়

    হাতের মুঠোয় মানুষেরপৃথিবীটা চলে এসেছেদেশে দেশে যে তথ্যেরনিষেধ যত আরোপিতরয়েছে যা নয় দোষের। বহু আগে উন্নয়ন ঘটেউন্নত বিশ্বে সুকৌশলেঅর্জন করে ডিজিটালসক্ষমতাই যার মাধ্যমেসবধরনের সেবা জুটে। কতো শতো বছর পূর্বেস্কান্ডিনেভিয়ান কোনোদেশের যে অবসরপ্রাপ্তএকজন বয়স্কও অক্ষমব্যক্তি বলেছিলেন গর্বে। তিনি তো পেনশন পেতেনসামাজিকভাবে নিরাপত্তাবলয়েরও অধীনে বাড়িতেতাঁকে সপ্তাহান্তে সেবাকর্মীতাজা খাবার দিয়ে যেতেন। ফেলেই দিতেন সেবাকর্মীবাসিগুলি রেফ্রিজারেটরেদুধের বোতল ও ফলমূলরুটি…

  • দারিদ্র্য যত সমস্যা

    দারিদ্রেতায় মানবতাবোধ লোপ পায়হিংস্রতার প্রসার হয় অন্যায়-অবিচারবিস্তৃত আরো রক্তের সম্পর্ক দূরে যায়। মানুষ তার সন্তানকে তারা বিক্রি করেঅভাব অনটন দুঃখ কষ্টে বেশী ভোগেহত্যা পর্যন্ত করার আরো যত পথ ধরে। জীবনে রক্তশূন্যতা সদৃশ দারিদ্র্য হলমানুষের দেহ আর মনের রোগ ব্যাধিকষ্ট অশান্তি বেড়ে আরাম চলে গেল। অর্থ-সম্পদ দেহের জন্য কাজ করেসুখ সাচ্ছন্দ্য আরাম আয়েশ যত যাঅর্জন সহ…

  • অভ্যাসের দাস

    দুধে মিশ্রণ প্রাক্তন স্বভাবঅধিক মুনাফা অর্জনেরজন্য পানি মিশায় তদুপরিদূর হয় নি তাদের অভাব। মানুষ অভ্যাসের যে দাসচিরাচরিত প্রথা অনুযায়ীদীর্ঘ দিন ধরে প্রতারণায়জীবনটি কয়েছে সর্বনাশ! যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশএ উক্তিটি প্রচলিতই আছেকিন্তু আমরা শ্রেষ্ঠ জীব ইহপরকাল যেন না হয় বিনাশ! আমরা সৃষ্টির উৎকৃষ্ট জাতিসকল ছল চাতুরী পরিত্যাগকরে আল্লাহ এবং রাসুলেরপথে চলে গেলেই পাব মুক্তি।

  • কলির যুগ !

    নিত্য নতুন কতো কিছু দেখিআজগুবি আরোও যত লিখি! পূর্বে অস্তিত্বই ছিলো না কোনপ্রতিনিয়ত এখন চলছে যেন! কতো কিছু আর লিখে যাবোজানিনা কবে যে শান্তি পাবো! পথে ঘাটে যতো বাসা বাড়িতেমোটর সাইকেল আর গাড়িতে! পরনের প্যান্ট কত তালি মারাখাম-খেয়ালী মতো চলে তারা! কেউ হাঁটুর উপরে প্যান্ট পরেছতর ঢাকে না গর্ববোধ করে! এখন যেনো চলছে কলির যুগকবে…

  • সমৃদ্ধি পায় !

    সময় দিন ক্ষণ চলে যায়এক মুহুর্ত কাহারো জন্যঅপেক্ষা করেনা কত যেকিছু রয় স্মৃতির খাতায়! শত স্মৃতি বিজড়িত রয়যত বন্ধু বান্ধব পরিচিতঅপরিচিত আর আত্নীয়স্বজন কতো তফাৎ হয়! বাড়ী হতে দূরে যায় চলেক্ষনিকের জিন্দেগী বেশীচাক চিক্যময় ও সৌন্দর্যবর্ধিত করে উন্নতি মিলে! কেহো দেশটি ছেড়ে যায়সুখ শান্তির জন্য বিদেশেকামাই রুজি করে জীবনউন্নতি ও সমৃদ্ধি যে পায়!

  • ঘামে ভিজে !

    পিতাকে নিয়ে বাণী পড়তেই গেলেচোখেতে চলে আসে জল একজনবাবা সন্তানের জীবনে তিনি বটবৃক্ষস্বরূপ যে বৃক্ষে শীতল শান্তিই মিলে। বেড়ে উঠে সন্তান পরম মমতা ভরেবাবার শক্ত হাত সন্তানের সব বাধাবিপত্তিও দূরে ঠেলে দেয় বুক দিয়েশিশুকে জীবনে আগলে রাখে ধরে। আমরা আবেগাফ্লুত হয়ে পড়ি কতবাবাকে নিয়ে উক্তিও পড়তে গেলেপ্রতিটি সন্তানেরই জীবন গঠিত হয়বাবার শ্রমে আর ঘামে ভিজে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *