ফূর্তি

           

সাপ্তাহিক ছুটির দিন,
পূর্ব নির্ধারিত রোটিন।
সকালে বেড়াতে যাব ,
নাস্তার টেবিলে খাবো।
আমার প্রস্তুতি দেখে,
নাতনীরা গেলো বেঁকে।
তারা বললো দাদা ভাই,
আজ কিন্তু নিস্তার নাই!
একই রকম তাদের শুর,
শুনতে কতই যে মধুর!
পড়লাম আমি বিপাকে,
ছুটতে পারি নাই ফাঁকে।
বললাম আচ্ছা কি আর!
সাজ গুজ কর যার তার।
সাজতে যে সময় নিলো,
ঘন্টাই শেষ করে দিলো।
দুলালীরা করলো সাজ,
ময়ূরেরা পেখমের রাজ।
অবশেষে তাদেরকে নিয়ে,
চললাম CNGগাড়ী দিয়ে।
যাই ওসমানী শিশু উদ্যান ,
করলো খেলায় যোগদান।
সেথায় লোকের সমাবেশ,
নাতনীদের ফূর্তির নেই শেষ।

Similar Posts

  • এসো হে বৈশাখ

    পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালী উৎসবে মেতে উঠেজাতীয় জীবনের অন্যতম ইহা একটি দিনবাঙ্গালী জাতি দল-মত নির্বিশেষেই অনেকঅনুষ্ঠান করে আনন্দ ও উল্লাস আরো ঘটে। প্রাচীনকাল হতে বৈশাখের চলছে উদযাপনপহেলা বৈশাখ এক সময় গ্রামীণ জীবনেরঅংশ থাকলেও বর্তমানে গ্রাম আরো শহরউভয় স্থানে সমানভাবে পালিত হয় অনুষ্ঠান। গ্রাম কয়েকটি মিলে করা হয় বৈশাখী মেলাপণ্যের দোকান সেথায় হরেক রকম থাকেশিশুদের নাগর দোলা…

  • আল্লাহ ভরসা!

    তুমি একজন খুব বড় লোকতোমার কপালে অনেক সুখসমাজে সব থেকে উন্নত মুখভোগ করনি তো কোন দু:খ! জীবনটা তোমার যতো শান্তিচলতে ফিরতে ই প্রচুর শ্রান্তিসর্বদা ভাগ্যে জোটে প্রশান্তিঘটেনাই কখনই তো অশান্তি! কষ্ট দুর্গতি অশান্তির ই জ্বালাকোনদিন দু:খে কাটেনি বেলাতার নিকট এসব হেলা ফেলাদুনিয়া যেন এক রঙের খেলা! অভাব অনটন দুর্ভোগ দুর্দশাগরীবের থাকে যতো সর্বনাশাখোদার কাজে হবে…

  • উদয়ন

    গ্রীষ্মের বিচ্ছেদ-জ্বালায় পুড়ছে মনদগ্ধ হচ্ছে মনন অনাথ সেই ছেলেরশুনলো পরে খুরের শব্দ উপত্যকারমাটির উপর ফিরে তাকাতে দেখতেপেলো তার ই দিকে এক অশ্বারোহীআসছে যেথা আর নাহি লোকজন। তার ভাব ও পোশাক আশাক দেখেমনে হচ্ছে যুবক বেশ অভিজাত ওচতুর কাছে পৌঁছে সে ঘোড়ার পীঠথেকে নেমে এগিয়ে এল মিষ্টি আরকোমল স্বরে সম্বোধন করলো এমনকরে কেউই সম্বোধন করেনি তাকে।…

  • জঙ্গীর অপবাদ

    সমাজের সান্নিধ্যে আজকতো কিছু জানার ইচ্ছে ,রোহিঙ্গা কেন দেশ ছেড়েপরের দেশে পাড়ি দিচ্ছে? ঘাতের জন্ম আঘাত হতেরয়েছে যে ইতিহাস সাক্ষী ,উগ্রবাদী জঙ্গীর অপবাদআরো সন্ত্রাসীটা বাদ কী? মানবতাবাদীর কাছে খুববেশী জানতে ইচ্ছে করে ,কেন ভারতের ঐ আসামেপ্রচুর মুসলিম জাতি মরে? এ পারে যদি সামান্য ঢিলকোননা হিন্দুর গায়ে পড়ে ,কতো হৈ চৈ ও পারে করেসমস্ত পৃথিবীটা যেন…

  • খোদার করুণা !

    কতো দুর্ভোগে লোকযতোই অশান্তি শোকচেপে রাখে শত দু:খ! অনেকে প্রকাশ করেকাঁদেও অধিক শুরেচুখের পানি যা ঝরে! কোনো আঘাত পেলেআরো দু:খ যদি মিলেব্যথার আগুনে জ্বলে! সময়ই যায় হেলে ধুলেকাজকর্ম রেখে ফেলেভাগ্যে সুখ নাহি মিলে! আল্লার দয়ায় যে রয়অসীম শান্তি কত হয়কোন অসুখী সে নয়!

  • গায়ে জোর

    এ পৃথিবীতে অহংকার করোনা কেহইজ্জত সম্মান টাকা কড়ি ধন সম্পদকারো আজীবন বহাল রয়নি আরোথাকেনি শক্তি সামর্থ স্বাস্থ্য এবং দেহ। কত লোকের অত্যধিক ছিলো জোরশরীরের বল ঐশ্বর্য বিত্তের যতো যশরিপোর তাড়নায় পুরো হয়ে ছিল বশএসব লোপ পেয়ে চলে গেছে যতদুর। অধিক অত্যাচারে কেউ রয়নি শান্তিসময়ে অসময়ে দিনে দুপুরে যেকোনলোকের উপরে চড়াও হওয়ার ফলেনিজেদের ভাগ্যে ডেকে নেয়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *