ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ৩: ফ্রিল্যান্সার ডট কম (Freelancer.com)
এই ওয়েবসাইটটি ছোট ব্যবসার জন্য সেরা।
যাদের ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, লোগো ডিজাইনিং, লেখা এবং বিপণন সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে দক্ষতা আছে বা সাহায্যের প্রয়োজন তারা এখানে এসে খোঁজ করেন।
ফ্রিল্যান্সার ডটকম একটি প্রথম সারির অনলাইন ভিত্তিক জব মার্কেটপ্লেস।
এখানে ফিক্সড প্রাইস প্রজেক্টের পাশাপাশি আওয়ারলি রেটের প্রজেক্ট পাওয়া যায়।
এখানে প্রায় সব ধরনের অনলাইন জব রয়েছে, এবং প্রচুর ফ্রিল্যান্সার এখানে কাজ করেন।
ফ্রিল্যান্সার ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করা খুব সহজ। আপনাকে কেবল পূর্ববর্তী কাজের উদাহরণ আপলোড করতে হবে, কাজের জন্য বিড করতে হবে এবং এরপরে আপনি নিয়োগকারীদের সাথে চ্যাট করতে পারবেন।
তবে নতুনদের কাছে এই ওয়েবসাইটটিতে কাজ করা একটু কঠিন মনে হতে পারে। কারণ প্রথম অবস্থায় প্রজেক্ট শেষ করার পর এখানে অতিরিক্ত কিছু ফি প্রদান করতে হয়।
কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিটি প্রজেক্টের জন্য উপার্জিত অর্থের ১০ থেকে ২০% টাকা কোম্পানী নিজে নিয়ে থাকে।
ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট ৪: পিপল পার আওয়ার (People Per Hour):
অনলাইনে আয় করার অন্যতম জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট হলো পিপল পার আওয়ার। এটি লন্ডন, যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং প্রতিষ্ঠান।
এখানে ঘন্টা প্রতি রেটের পাশাপাশি ফিক্সড প্রাইস প্রজেক্ট পাওয়া যায়। এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতা খুব বেশি।
প্রতিটি প্রজেক্টের জন্য সর্বনিম্ন ২০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। আয় করা টাকার ১৫% থেকে ২০% প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে নেয়।
ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট ৫: নাইনটি নাইন ডিজাইনস (99designs):
যারা ডিজাইন সেক্টরে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান, তাদের কাছে ৯৯ডিজাইনস খুবই প্রিয় একটি ওয়েবসাইট।
ক্লায়েন্টরা এখানে পেশাদার গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাছে থেকে অর্থের বিনিময়ে লোগো, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করিয়ে নেন।
Image Source: 99designs
এখানে ডিজাইন কিনতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা তাদের কেমন ডিজাইন লাগবে, তা বিস্তারিতভাবে লিখে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
ডিজাইনাররা ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণ করার জন্য সেই অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিট করেন।
ক্লায়েন্ট তার পছন্দসই ডিজাইনটি কিনে নেয় এবং ডিজাইনারকে পূর্বনির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন।
ফ্রিল্যান্সিং সাইট ৬: গুরু ডটকম (Guru.com):
গুরু ডটকম একটি অ্যামেরিকান ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট।
এখানে পোস্ট করা কাজ গুলোর বাজেট সাধারণত ১০ থেকে ২০০ ডলারের ভেতর হয়ে থাকে।
প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করার পর ক্লায়েন্ট প্রদত্ত টাকার ৪.৯৫% হতে ৮.৯৫% টাকা প্লাটফর্মটি কেটে নেয়।
ফ্রিল্যান্সিং সাইট ৭: বিল্যান্সার (Belancer):
বিল্যান্সার বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট। এখানে বিভিন্ন ধরণের দেশি প্রজেক্ট পাওয়া যায়।
বায়ার এখানে পোস্ট দিবেন এবং ফ্রিল্যান্সাররা সে কাজের জন্য বিড করবেন।
আবেদনের তালিকা থেকে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পোর্টফোলিও দেখে সেরা কর্মী বাছাই করবেন নিয়োগদাতা।
Image Source: Facebook
নতুন কোনো কাজ পোস্ট করার সময় নিয়োগ দাতার কাছ থেকে মোট কাজের সমপরিমাণ টাকা তাঁর বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
কাজ বুঝে পেলে তিনি কর্মীকে তার কাজের জন্য সেখান থেকে টাকা পরিশোধ করে দিতে পারেন।
এতে কর্মী ও নিয়োগদাতা, উভয়ই আর্থিক প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পান। বিল্যান্সারে আয়ের উৎস দুই পক্ষই।
কর্মী ও নিয়োগদাতা উভয়ের কাছ থেকে ৫ শতাংশ কেটে রাখা হয়।
ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সুবিধা অনেক। যখন-তখন কাজে বসা যায়, প্যারা নাই চিল একদম! কিন্তু যদি নিজের গড়িমসি স্বভাবের কারণে ক্লায়েন্ট হাতছাড়া হয়ে যায়, তাহলে কিন্তু প্যারা আছে!
এ রকম ঘটনা এড়ানোর জন্য ফ্রিল্যান্সিং সাইট -এ এখনই নিজের কাজগুলো তুলে ধরুন। যত বেশি মানুষ আপনার কাজ সম্পর্কে জানবেন, আপনি তত বেশি কাজের অর্ডার পাবেন।
এসব মার্কেটপ্লেসে নিজের মার্কেটিং করার কিছু সুনির্দিষ্ট উপায় আছে।
কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজের মার্কেটিং করবেন।
এখনকার যুগ প্রচারের যুগ। প্রচারেই প্রসার, এই কথাটি নিশ্চয়ই শুনেছেন। পণ্য যেমনই হোক না কেন, প্রচার বা মার্কেটিং এর কারণে পণ্যের বার্তা সহজেই ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যায়।
আর এ কারণেই কিন্তু এখন সব প্রতিষ্ঠান তাদের মার্কেটিং এর উপরেই বেশি জোর দিচ্ছে।
পণ্য প্রচারের জন্য না হয় মার্কেটিং টিম আছে, কিন্তু নিজের মার্কেটিং কে করবে?
আমরা কেন জানি নিজের কাজের প্রচারে ভীষণ লজ্জা বোধ করি। কিন্তু নিজের ভালো কাজ অবশ্যই নিজেকেই প্রচার করতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং মূলত কোনো প্রতিষ্ঠানের অধীনে স্থায়ী না থেকে নিজের মত স্বাধীনভাবে কাজ করা।
একজন ফ্রিল্যান্সারকে দিয়ে ক্লায়েন্ট বা বায়ার তার প্রয়োজনীয় কাজ নির্ধারিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমই হলো ফ্রিল্যান্সিং সাইট বা মার্কেটপ্লেস।
পোর্টফোলিও তৈরি করুন:
কোথাও আবেদন করতে গেলে আগে চাকরিদাতা সিভি চাইতেন, এখন সবাই সিভির সাথে পোর্ট – ফোলিওটাও দেখতে চান।
আর ফ্রিল্যান্সিং জগতে তো পোর্টফোলিও ছাড়া ক্লায়েন্ট কাউকে দিয়ে কাজই করাতে চান না।
পোর্টফোলিও হলো আপনার যাবতীয় উল্লেখযোগ্য কাজের একটি সংকলন।
আপনি যে সব বিষয়ের উপর কাজ করেছেন, সে গুলোর বিস্তারিত বর্ণনা বা ভিজ্যুয়াল পোর্ট ফোলিওর মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
একটি পোর্টফলিও আপনার প্রফেশনাল দক্ষতা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার একটি বড় প্রমাণ।
একজন সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে আপনার কাজের মান ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান।
পোর্টফোলিও নানান উপায়ে তৈরি করা গেলেও একটা ডোমেইন কিনে একান্ত নিজের জন্য একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে নেওয়াই শ্রেয়।
এখানে আপনি নিজের মতো বিভিন্ন কাজ আলাদা আলাদা সেকশনে তুলে ধরতে পারবেন।
ক্লায়েন্টরা এমন কাউকেই কাজ দেয় যাদের পোর্টফোলিও দেখে তাদের কাজের স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়।
অর্থাৎ নিজের একটা ওয়েবসাইট থাকলে তা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনাকে খুঁজে পাওয়া লোকের সংখ্যা বাড়িয়ে তুলবে।
ওয়েবসাইট তৈরি করুন:
একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা খুব জটিল কিছু নয়। Wix এবং Leadpages-এর মতো ওয়েবসাইট নির্মাতারা আপনাকে সুন্দর টেমপ্লেট ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি পোর্টফোলিও সেট আপ করতে সাহায্য করতে পারেন ।
একবার আপনি আপনার পছন্দের একটি টেমপ্লেট বেছে নিলে, এটিকে সংশোধন করা ও আপনার নিজস্ব তথ্য যোগ করা বাকি থাকে।
সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের নজর কাড়তে একটি দুর্দান্ত উপায় হলো আপনার কাজ জন সমক্ষে শেয়ার করা।
এর মধ্যে ওপেন সোর্স প্রজেক্ট, স্বেচ্ছা সেবক কাজ এবং আপনার হাতে নেওয়া সাইড প্রোজেক্টে কাজ করাও অন্তর্ভুক্ত।
সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের জন্য শুধুমাত্র আপনার কাজ অনলাইনে শেয়ার করাই আপনার দক্ষতা দেখাবে না বরং আপনার সৃজনশীলতা এবং উদ্যোগও দেখাবে।
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স লেখক হোন তবে আপনার ওয়েবসাইটে ব্লগ লেখা শুরু করতে পারেন এবং সেই ব্লগগুলো আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে ক্রস-পোস্ট করুন।
আপনি যদি একজন শিল্পী হয়ে থাকেন, তাহলে নিজেই সুন্দর করে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে লোগো ডিজাইন করতে পারেন।
আবার ব্লগ সেকশন তৈরি করে কী কী শিখছেন, নতুন কোথায় কাজ নিয়েছেন এসব নিয়েও ব্লগ লিখতে পারেন।
একই সাথে আপনার সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া লিংক, যোগাযোগের তথ্য, ব্যক্তিগত প্রকল্প, অভিজ্ঞতা তুলে ধরুন এবং আপনার সম্পর্কে কিছু লিখে রাখুন।
আপনার ব্লগ যত বেশি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO) ফোকাস করবে, তত বেশি ট্রাফিক পাবে।
আপনার ব্লগকে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া সাইট এবং ওয়েবসাইটের সাথে লিঙ্ক করতে ভুলবেন না।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকুন:
এই যুগে আমরা সবাই কোনো না কোনো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যুক্ত থাকি।
আপনি কি জানেন, এই মাধ্যমগুলো এখন এত জনপ্রিয় যে বিশাল ব্যবসা এবং স্টার্ট আপগুলো একইভাবে তাদের বিপণনের জন্য এগুলো ব্যবহার করে? ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো আপনার মার্কেটিং বৃদ্ধির সুযোগ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকার কয়েকটি সুবিধা হলো:
নিজ ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি
নেটওয়ার্কিং
কমিউনিটি তৈরি
ক্লায়েন্টদের কাছে প্রসার
এক ধরনের পোর্টফোলিও তৈরি।
সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের নজর কাড়তে একটি দুর্দান্ত উপায় হলো আপনার কাজ জন সমক্ষে শেয়ার করা।
এর মধ্যে ওপেন সোর্স প্রজেক্ট, পেইড-আনপেইড কাজ, হাতে নেওয়া সাইড প্রোজেক্ট- সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
আপনি যদি নিজের কাজগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন তাহলে আপনার বন্ধু তালিকায় থাকা সবাই আপনার কাজ সম্পর্কে অবগত হবে।
হতে পারে আপনার পরবর্তী ক্লায়েন্ট তারা বা তাদের সুপারিশ করা কোনো একজন!
ঘরে বসে Freelancing
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জেনে এবং বিগিনার স্কিল শিখে শুরু করুন আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার।
আজই এনরোল করে ফ্রিল্যান্সিং শিখুন এবং স্বল্প সময়ে ঘরে বসে আয় শুরু করুন।
লিংকডইনে নিয়মিত আপডেট দিন:
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস মার্কেটপ্লেস চালু করেছে লিংকডইন।
একটি আধুনিক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যে সকল ফিচার থাকার কথা, সে গুলো এই নতুন মার্কেট প্লেসটিতে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছে লিংকডইন কতৃপক্ষ।
এছাড়াও লিংকডইন সম্ভাব্য কাজ প্রার্থীদের সম্পর্কে আরো তথ্য সংগ্রহ করতে, চাকরির বিজ্ঞাপন দিতে এবং যারা চাকরি খুঁজছেন তাদের কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা করতে নিয়োগকারীদের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনের ব্যবস্থা করেছে।
লিংকডইনের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্র্যান্ড বুস্ট করতে পারবেন, ব্যক্তি এবং অন্যান্য সংস্থার সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন।
ব্যবসা বা যে কোন প্রচারণা লিংকডইনের মাধ্যমে খুব দ্রুত ভাবে করা যায়।
দ্য ব্যালেন্স ক্যারিয়ারের একটি নিবন্ধ অনুসারে, নিয়োগকারী পরিচালকরা সম্ভাব্য চাকরি প্রার্থীদের সন্ধানের জন্য লিংকডইন ব্যবহার করে।
একটি লিংকডইন প্রোফাইল থাকার মাধ্যমে আপনি নতুন ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করতে পারবেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মতোই একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারবেন।
এটি আপনার অভিজ্ঞতা, শিক্ষা, কর্মজীবনের টাইমলাইন এবং আপনার ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরও অনেক বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করার একটি জায়গা।
বিভিন্ন ফোরাম সাইটগুলোতে যুক্ত হোন:
রেডিট, কোরা, টাম্বলার, মিডিয়াম, ডিসকোর্ড এগুলোর নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন?
এগুলো হলো একেকটা ফোরাম সাইট। ফোরাম সাইট হলো একটি আলোচনার ওয়েবসাইট, যেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ থাকে বা নির্দিষ্ট নিশ অনুযায়ীও ফোরাম পোস্টিং হতে পারে।
কোরা’র মতো জনপ্রিয় সাইটগুলোর প্রশ্নের দারুণ সব উত্তর দিন।
যত বেশি মানুষ আপনার উত্তর দেখবে, তত বেশি মানুষ আপনার কাজ সম্পর্কে জানতে পারবে।
ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে নেটওয়ার্কিং।
মনে রাখবেন, ক্লায়েন্টের সাথে যত ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার ততো বেশি মসৃণ হবে।
তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন প্রতিটি ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করার।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) সম্পর্কে যা না জানলেই নয় :
সব সময় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজেকে গুছিয়ে রাখা ভালাে এবং এজন্য আপনাকে কিছু ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে।
যেমন: গুগল ড্রাইভের সফটওয়্যার এবং Slack, Trello এগুলাের ব্যবহার জানতে হবে।
যাতে আপনি আপনার ক্লায়েন্টের কাজের প্রসেসের সাথে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন।
তাছাড়া টেকনোলজি সম্পর্কে আপডেটেড থাকলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিতে ভরসা পাবেন।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে টাইমিং EST মেইনটেইন করে এবং এই সময়ে বেশি কাজ পাওয়া যায়।
ক্লায়েন্টের পেমেন্ট ভেরিফাইড কি না তা সব সময় দেখে নেয়া উচিত।
বিশেষ করে আপওয়ার্কে জবে অ্যাপ্লাইয়ের আগে অবশ্যই দেখে নেবেন।
আপওয়ার্কে কোনাে জব পাওয়ার আগে আপনার ক্লায়েন্টের সাথে কোনাে পারসােনাল কন্ট্যাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না।
বড়ো প্রজেক্টের ক্ষেত্রে সব সময় ক্লায়েন্টের সাথে ইন্টারভিউ সাজেস্ট করা উচিত।
কাজের আগে সময় নিয়ে বুঝে নেয়া ভালাে যাতে আপনার কাজটি যথাযথ হয় এবং আপনার রিভিউ ভালো থাকে।
কিছুটা সময় নিয়ে ইন্টারভিউ করলে তা পরবর্তীতে আপনার ও ক্লায়েন্টের দু’জনেরই সময় বাঁচাবে।
আপওয়ার্কে এবং ফাইভারে কিছু ব্যাজ থাকে ফ্রিল্যান্সারের কাজকে রেট করার জন্য।
আপওয়ার্ক -এ টপ রেটেড এবং রাইজিং ট্যালেন্ট ব্যাজ থাকে।
এসব ব্যাজ পাওয়ার কিছু নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া থাকে এবং আপনি ভালাে কাজ করে এই ব্যাজগুলো অর্জন করতে পারবেন।
বলাই বাহুল্য, এসব ব্যাজ আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণে বাড়িয়ে দেয়।
প্রত্যেক কাজের জন্যই আপওয়ার্কে জব সাকসেস রেট থাকে। ফাইবারে ফ্রিল্যান্সারকে রেট করার জন্য লেভেল থাকে।
লেভেল ওয়ান, লেভেল টু এবং টপ রেটেড সেলার। সাকসেস রেট এবং রেসপন্স রেট মেইনটেইন করলেই এই লেভেলগুলো পাওয়া যাবে।
যতটা সম্ভব ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট -এ অ্যাকটিভ থাকার চেষ্টা করা উচিত যাতে প্রয়োজনে দ্রুত রিপ্লাই করতে পারেন।
একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য কমিউনিকেশনে ভালাে হওয়া বেশ জরুরি।
কোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কী কী পেমেন্ট মেথড সাপাের্ট করে তা জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
এত কষ্ট করে কাজ পেয়ে, কাজ সম্পন্ন করে যদি পেমেন্ট আনা না যায় তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছুই হতে পারে না।
তাই আগে থেকেই জেনে নিন কোন মার্কেটপ্লেসে আপনি অ্যাকাউন্ট করবেন এবং কোন পেমেন্ট মেথডগুলাে ব্যবহার করতে পারবেন।
উপরের ইনফোগ্রাফিকের ৪টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট- প্লেস পাওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্রান্সফার সাপাের্ট করে।