বিদ্যুতের রুটিন

বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলা
যেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবে
সময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করে
একটি রুটিন মতো সেরে নিবে।

ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলে
প্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলে
অফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠান
খোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে।

যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়
প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরে
নিয়মিত করে সকাল নয় টা তক
বন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে।

হয়তো বা আর রবে না বর্তমান
প্রযুক্তির জগতে কোনোই বাধা
যার ফলে পর্যায়ক্রমে উন্নতিতে
দেশ চলতে থাকবে যেন সর্বদা।

ঐ সময়টি পর্যন্ত বন্ধ থাকে যদি
সম্ভবত স্থায়ী হবেনা কোন ক্ষতি
যার ফলশ্রুতি স্বরুপ অবশেষে
উন্নয়নের রাস্তাতে চলবে জাতি।

Similar Posts

  • বোকার স্বর্গ

    ধোঁকা দেয়ার প্রবণতা মানুষের মাঝেসেই আগেকাল হতে বিদ্যমান রয়েছেকোন সুনির্দিষ্ট অর্থ ছাড়া কেহো কেহআমাদের সমাজে ধোঁকাবাজ সাজে। পৃথিবীর বুকে দুই শ্রেণীর মানুষ আছেনশ্বর জগতের আবহমান কাল থেকেবিরাজমান একদল ধোঁকা দেয় বাকীযত ধোঁকা প্রাপ্ত হয় আনাচে কানাচে। যখনই দেখবেন টালবাহানা শুরু করেদিয়েছে আপনার আশপাশের কোনোলোক তখনই ধরে নিবেন অতি শীঘ্রইধোঁকার আশ্রয় নিতে যাচ্ছে এর পরে। কখনো…

  • যৌথ পরিবারের শিশু

    সামাজিক প্রেক্ষাপটেও কত,একক পরিবার বাড়ছে শত। যৌথ পরিবারে সুবিধা থাকে,একক পরিবারে যা না থাকে। যৌথ পরিবারে শিশুর সমস্যা,দূর করে দেয় সবার তপস্যা। একাকীত্বে ভোগে না শিশুরাপায় না কষ্ট শিশু কিশোররা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো হয় ,খেলা ধুলার পরিবেশ যে রয়। মিলেমিশে থাকার মানসিক,প্রতিবেশী যত যে আবাসিক।

  • অভিমানী তুমি

    স্নেহ আর আদর করতে হবে না আমাকেমাঝে মাঝে গভীর আবেগেও কোলাকুলিআরো আমার জন্য রাত জাগা পাখি হতেহবে না অন্যদের মত বারন করি তোমাকে। কতো ভাল লাগলো আজ সকাল বেলায়নির্মল নীল এই আকাশ অসহ্য সুন্দর যেনগুণীর কণ্ঠে অবাধ ও উন্মুক্ত দিগন্ত থেকেদিগন্তে আকাশের দিকের তো সূর্য হেলায়। চারদিক সবুজ পাহাড়ে আঁকা বাঁকা আছেকুয়াশায় ধোঁয়াটে মাঝখানেই চিল্কা…

  • বিরহ যাতনা !

    হে প্রাণের বন্ধু কেমন আছো ভাইদীর্ঘদিন ধরে কতো প্রতিক্ষা করেতোমার কোনো খোঁজ খবরই নাই। অনেক অনুসন্ধান করেও হয়ে হন্যদিক বিদিক ছুটা ছুটি করেই যাচ্ছিআমি তোমার জন্যে কতোই নগন্য। তুমি বল আমি এখন কোথায় যাইঅনোন্যপায় হয়ে দিশে হারার মতসুখ শান্তি আরাম কবে আরো পাই? তোমাকে ছাড়া শান্তি পাব কোথায়যদি আর কোনো শান্তির তথ্য পাইযত দূরে হউক…

  • অফুরন্ত দয়া

    পথিক ছুটে চলছে বেগে কতোঅবিরত তার চলার গতি যেথানেই কোনো বাধা বিপত্তি শতোরাস্তা ঘাট পেরিয়ে যাচ্ছে যতো। হঠাৎ করে চলার গতিটি থেমেচতুর্দিক থেকে তাকে আক্রমণকরতে ঘিরেই ফেলে উপায়ন্তরনা দেখে তবে জলে যায় নেমে। কতো চিৎকার করে তারা বলেআজ আর কোনোও রক্ষা নেইআরো কয়েক জন সংগী এসেতৎক্ষনাৎ তাদের সাথেই মিলে। শত অনুনয় বিনয় করতে থাকেআরো বলে…

  • জীবন ও জীবিকা

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে দেশেমানুষের শতো দুঃখ ও দুর্ভোগঅনেকের জীবনে আছে মিশে। জীবন ও জীবিকার জন্য ব্যস্তসবাই সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্তউপার্জনে নিয়োজিত রাখে হস্ত। কিভাবে উপার্জন করতে পারেএ চিন্তায় সময় ব্যয় করে পরেআয় উন্নতির কাজ কর্ম সারে। সাধনা পরিশ্রমে জীবন ঘোরায়দৃঢ় মনোবলের সহিত কাজকর্মসম্পন্ন করে সব অভাব তাড়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *