ব্যবস্থা পত্র

কোথায় ছুটে চলছো ভাই
তোমার গতিবেগের তেজ
দেখে বুঝা যাচ্ছে অন্তরে
আরাম আয়েশ শান্তি নাই।

তাৎক্ষণিক আমাকে বলে
আজ দু’ দিন হয়ে গেলো
একমাত্র আদরের বোনের
খুবই অসুখে অশান্তি চলে।

ভীষণ কষ্টে চিৎকার করে
জ্বালা যন্ত্রণা ও শত দু:খে
কান্না কাটির দায় অশ্রুতে
ভিজে বুক ভাসলো পরে।

আমিও সহযোগীতা করি
উভয়ে মিলে গাড়ী দিয়ে
বোনটিকে এক ডাক্তারের
শরনাপন্ন করার পথ ধরি।

চিকিৎসকের সাক্ষাৎ হলে
যে ব্যবস্থা পত্র লিখে দিলে
ঔষধ ব্যবহার করার পরে
আল্লার দয়ায় শান্তি মিলে!

Similar Posts

  • এবারের ঈদ

    এবারের ঈদ উল আযহা ভিন্ন ছিলসমস্ত রাত অবধি বিরতিহীন অঝরধারায় ঝরো ঝরো একটানা বৃষ্টিতেগ্রামে গঞ্জে শহরে পানি লোকালয়েঢুকে অসংখ্য সুখ শান্তি কেড়ে নিল। ঈদের সকালের পানি চলাচল দৃশ্যপুকুর ডুবাঝিল খালবিল নদীনালাচতুর্দিকে থৈথৈ ছিলো কেবল পানিআরো পানি এরি মধ্যে পোষা প্রাণীশ্রোতের জন্য মূহুর্তে হয় যা অদৃশ্য। বাসা হতে বের হয়ে মসজিদে যেতেপাড়ার রাস্তার যতো বৃষ্টির পানি…

  • কানে রিং চুল বাঁধা !

    কত আছে কানে রিং চুলও বাঁধাসরল প্রকৃতির যারাই সাদা সিধাপরিচয়ে চোখে লাগে শতো ধাঁ ধা! কানে রিং চুল বাধা মেয়ে/ পুরুষঅভিভাবকের বুঝি নেই যেন হুশঅশালীন চলা হবে তাদের দোষ! হর হামেশা চলে মেয়েরূপী ছেলেরূপ বদলে তারা ছুটে হেলে দুলেভাব অহংকারেই রাস্তা ঘাটে চলে! সন্তান নষ্ট হউক কারো কাম্য নয়সব পিতা মাতা যেন যত্নশীল হয়লক্ষ্য রাখবে…

  • জীবন বাজি

    রাত পোহালে ছুটে চলে যায়অনেকে কতো মাট ঘাট নদীনালা খাল বিল পাহাড় পর্বতঅতিক্রম করে যার তার রুচিঅনুযায়ী পোশাক পরে গায়। কার গন্তব্যস্থান কোথায় রয়অন্যরা অনেকে তা জানেনাসেথা পৌছিতে যত সীমাহীনদু:খ কষ্ট দুর্ভোগ দুর্গতি আরকতো মাথার ঘাম ছুটেই বয়। প্রত্যেকের যেন উদ্দেশ্য থাকেকেহ প্রমোদ ভ্রমণে দল বেঁধেছুটে চলে যায় আরো অনেকেকর্তব্য কাজে যোগ দিলে পরেশতো কষ্টে…

  • দূর্ঘম পথ অতিক্রম

    যত মনে পড়ে যেন তখন খুব ছোট ছিলামসেদিন আমি বাড়িতে একা আম্মু বললেনবাবা তুমি কি তোমার বোনের বাড়ী যেতেপারবে খুশির হাসি দিয়েও পারব বললাম। তাহলে বাবা তুমি যাত্রা সেদিকে শুরু করযাতায়াত করতে সতর্ক হয়ে চলতে থাকোকোন বিপদের সম্মুখীন না হয়ে যে সহজেউপস্থিত হও আল্লার নামও যত জপন ধর। তিনি বললেন বাছাধনের জন্য দোয়া করিআল্লাহ যেন…

  • অন্তর জ্বলে

    বড় নাতনীটি যাবে নানারবাড়ীসময় মত মামা আসবেন নিতেতাই ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি। ঐ দিন কর্মস্থলে আমি ছিলামনাতনীটির যাত্রার প্রাক্ষালে যেহঠাৎ করে তার ফোন পেলাম। ফোন রিসিভের এক মূহুর্ত পরসালাম দিয়ে সে বলে দাদা ভাইমোরা যাচ্ছি শত খুশি ছিল স্বর। খোদা হাফিজ তখন বলি আমিছহি ছালামতে সবাই সেথা যাওপৌঁছেই কিন্তু ফোন দিবে তুমি ! আমার ছোট্রো…

  • উদয়ন

    গ্রীষ্মের বিচ্ছেদ-জ্বালায় পুড়ছে মনদগ্ধ হচ্ছে মনন অনাথ সেই ছেলেরশুনলো পরে খুরের শব্দ উপত্যকারমাটির উপর ফিরে তাকাতে দেখতেপেলো তার ই দিকে এক অশ্বারোহীআসছে যেথা আর নাহি লোকজন। তার ভাব ও পোশাক আশাক দেখেমনে হচ্ছে যুবক বেশ অভিজাত ওচতুর কাছে পৌঁছে সে ঘোড়ার পীঠথেকে নেমে এগিয়ে এল মিষ্টি আরকোমল স্বরে সম্বোধন করলো এমনকরে কেউই সম্বোধন করেনি তাকে।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *