ভোরের শহর

সাত সকালে বৃষ্টি হচ্ছে গুঁড়ি গুঁড়ি
থেমে থেমে কখনও অজর ধারায়
এমন বয়েছে যেন নেই তার জুড়ি।

প্রথম হতেই যেন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
দোকান পাঠ আর বাসাবাড়ি থেকে
লোক জনে বাহিরে দিয়েছেন দৃষ্টি।

আকাশে ঘন কালো মেঘেরা ভেসে
বেড়াচ্ছে সিলেট শহরের নামাজীরা
পাড়া মহল্লার মসজিদে চলে গেছে।

আরাম প্রিয় সবে সুবিধা নেই ফাঁকে
শহরের অধিকাংশই কত যেন আছে
ফজরের নামাজ পড়েও ঘুমে থাকে।

অথচ ঘড়ির কাঁটায় সকাল ছয়টা
একজন-দুজন হেঁটে যাচ্ছেন আর
বাকীরা জেগে উঠবে হয়তো নয়টা।

ফাঁকা সড়কে টুংটাং ঘণ্টা বাজিয়ে
দু–একটা রিকশা চলছে ও যাত্রীর
আশায় সিএনজি বসেছে সাজিয়ে।

Similar Posts

  • দোয়া চাই !

    মা যতনে করলেন মানুষতিনি কণ্ঠে দিলেন ভাষাদু’ চোখেতেও স্বপ্ন রেখেপ্রথম দিনে আলো আসা! মায়ের কাছে কাঁদতে শিখিউল্লাস আর আনন্দে হাসাতোমার আঁচলে অনন্তকালঅসীম অপার স্নেহের ঠাসা! সবার কাছে রঙের ফানুসপিতল-তামা আরো কাঁসাআমার মা তুমি অমূল্য ধনমুক্তা ও সোনার খনি খাসা! এক দিন নয় জনম জনমমাগো দিবেন বাঁচার আশাএই প্রতীক্ষার দিনেতে তাইআম্মুকে জানাই ভালবাসা! আমাকে দশ মাস…

  • কিংকর্তব্য বিমূঢ় !

    তুমি আমাকে বলেছিলে ভাইএজন্য অনেক অপেক্ষা করেঅবশেষে আমি নিজেই তোরকাছে এসে পৌঁছে গেছি তাই। আমরা একত্রে বেড়াতে যাইযেথা ছিল কত আনন্দ ফুর্তিচলার রাস্তায় আরো প্রাক্তনবন্ধুর সাথে সেথা দেখা পাই। একটি রেস্তোরাঁতে গিয়ে বসিকতো গল্প গুজব করে আরোহালকা নাস্তার কাজটি সেরেসবে মিলে করি যা হাসি খুশী। বন্ধুদের একজন বলেই উঠেসামান্য দূরেতে মানুষের শব্দশুনা যায় পরে উপস্থিত…

  • হাতের মুঠোয়

    হাতের মুঠোয় মানুষেরপৃথিবীটা চলে এসেছেদেশে দেশে যে তথ্যেরনিষেধ যত আরোপিতরয়েছে যা নয় দোষের। বহু আগে উন্নয়ন ঘটেউন্নত বিশ্বে সুকৌশলেঅর্জন করে ডিজিটালসক্ষমতাই যার মাধ্যমেসবধরনের সেবা জুটে। কতো শতো বছর পূর্বেস্কান্ডিনেভিয়ান কোনোদেশের যে অবসরপ্রাপ্তএকজন বয়স্কও অক্ষমব্যক্তি বলেছিলেন গর্বে। তিনি তো পেনশন পেতেনসামাজিকভাবে নিরাপত্তাবলয়েরও অধীনে বাড়িতেতাঁকে সপ্তাহান্তে সেবাকর্মীতাজা খাবার দিয়ে যেতেন। ফেলেই দিতেন সেবাকর্মীবাসিগুলি রেফ্রিজারেটরেদুধের বোতল ও ফলমূলরুটি…

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

  • যতো গন্ডগোল ! চলে কতো আবুল তবুলসৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়শত অসন্তোষ লেগে রয়। দোষীও মাত্র কয়েক জনভোগে কতোও লোকজন। তারা সকল দেশের শত্রুকখনো তো হবে না মিত্র। ওদের দ্বারা কলুষিত দেশপলায়ন করে যায় বিদেশ। বিদেশেতে যদি তারা যায়সুখ শান্তি আর নাহি পায়। আল্লার রাস্তার যারা চলেজীবনে কতো শান্তি মিলে! তিনি অসংখ্য…

  • ডিগবাজী খায়

    উড়ন্ত পাখিরা ডানা মেলে উড়েএদিক সেদিক ডিগবাজী খেয়েমনের খেয়াল খুশিতে কত ঘুরে। ওদের স্বাধীনতার নেই তো শেষযখন তখন যথায় তথায় ফুর্তিরগানে অন্তরে থাকে আনন্দ বেশ। আল্লার মহিমার ফলে যায় চলেদূর হতে দুরত্বে অজানা অচেনারাস্তায় তাদের দলে গিয়ে মিলে। ওদের বাধা ধরা নীতি নেই কোনউড়ন্ত অবস্থায় গাছের শাখায় বামাঠে ময়দানে যেথা সেথায় যেন। ঐ সব স্থানে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *