মাটির পৃথিবী

যে আন্তরিকতা বোঝে না কোন
কেহ তাকে তা শেখাতে গেলেও
কখনো শিখানোই যায় না যেন।

অসহায় পৃথিবীর সব চেয়ে বেশী
যে নিজের রাগ অভিমান আরো
কষ্ট না দেখিয়ে হয়ে যায় দোষী।

কাঁদতে পারে নাহি চিৎকার করে
চোখের জল লুকিয়ে অন্যকে না
বুঝতে দিয়ে শুধু মাত্র হাসে পরে।

সেই বেশী হাসে যে গোপনে কাঁদে
আরো নিজেকে হ্যাপি দেখানোর
শতো চেষ্টা তদবির করে অবাধে।

যে একা রয় নীরবে সে কতো বলে
জীবনে সুখের কোনো অভাব নেই
কিন্তু কষ্ট ব্যতীত ভাগ্যে নাহি মিলে।

Similar Posts

  • নিথর দেহখানি

    খুব ভোর হলে শুনতেপেলাম কান্নার যা সুরচিৎকার করে কাঁন্নারশব্দটি গেলো বহু দূর। বাসা থেকে যথা শীঘ্রবেরিয়ে দেখতেও পাইঅনেক লোকের ভিড়শেষে নিজে সেথা যাই। একটি ছেলে মাটিতেবসে কান্নাকাটি করেতাকে জিজ্ঞাসার পরআরোও কাঁদে জোরে। কাতর কন্ঠেতে তখনদু:খের সব বলে যায়বাস দুর্ঘটনায় একটিমৃত্যুর খবর সে পায়! ছেলেটি দুর্ঘটনার স্থলেগিয়ে সে উপস্থিত হয়পরে দেখে তার বাবারমরদেহ সেথা পড়ে রয়!…

  • বিবর্তন

                  মানসিক কতই না খারাপ হলে ,     ক্ষতির চিন্তা করে যাচ্ছে ফলে ।  কিভাবেই করবে অন্যের ক্ষতি ,  প্রতিনিয়ত আছে যাদেরই মতি । সব কিছুতেই করছে ভেজাল ,  নেইকো তাদের কোন মায়াজাল। সুষম দ্রব্যেই সদা মিশ্রণ করে ,  খাদ্য প্রাণ নষ্টে দিচ্ছে যে ভরে । স্বার্থ সিদ্ধির চিন্তা ফিকির ধরে ,  ছুটছে তারা কতই না…

  • মোবাইল ফোন

    মোবাইল ফোন ব্যবহার কারীর কত বেড়েহার্ট অ্যাটাকের আশংকা রক্তচাপ মেজাজখিটখিটে হয়ে ক্ষুধা ও দূরে পালায় তেড়ে। মোবাইল ফোন ব্যবহারে সব শিশুদের জন্যস্ক্রিনের রেডিয়েশন মারাত্মক ক্ষতিকর আরমস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত করারও ইহা এক পণ্য। ” আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ ” বলেশিক্ষার্থীরা ও মোবাইল ফোনে আসক্ত হলেতাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকারে যাবে চলে। আবশ্যক তাই কিছু পদক্ষেপ ও গ্রহণ…

  • কষ্টের ভাগ !

    রাতের আকাশে দেখা যায় লক্ষ তারার মেলাচাঁদকে যা ঘিরে যেনো তারাদের যতো খেলা। অসংখ্য ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাবো যদিচো বাড়াই হাততুমি আমার কাছে যেনো বন্ধু আকাশের চাঁদ। সকালে তোমার আগমন শিশির কণার মতোআবার এসো সন্ধ্যার সময় রক্ত জবাও যতো। রাতের আকাশে জ্বালাও তুমি জোনাকি হয়েসারা জীবন চলে যাবে তুমি বন্ধুর মতো রয়ে। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত…

  • স্নেহের টান

    আজ আরম্ভ করলাম তোমার প্রসঙ্গ দিয়েকতো কি যে লিখতে পারি তোমাকে নিয়ে। অসংখ্য যত থাকবে খোদা তাওফিক দিলেআল্লাহর নামের সকল কিছুতে শান্তি মিলে। লিখনিতে পর্যায়ক্রমে কত শতো সহস্র চলেঅবিরত লিখতেও পারবো মেহেরবানী হলে। যতো ধন্য তোমার জন্যে সর্ব মহলেই জানেকত কিছু ত্যাগ হলো তোমার স্নেহের টানে। ছোট কালের সাথী তুমি জীবনে ছিল বাঁধাতখন চাল চলন…

  • স্রোত শুকিয়ে যায়

    মনের চঞ্চল স্রোতই যায় শুকিয়েহৃদয়ের আবাসন গড়ে কঠোরতাযায়না পালন করা এই মৃত্যু তারথেকে অনেক বেশীই নিকৃষ্ট যারওপর অশ্রু বর্ষায় সকলে কফিনওঠে চিতা জ্বলে আরো ঝাঁকিয়ে। কবরে দেয়া হয় ফুল প্রদীপ জ্বলেকিন্তু এই তো একাকীত্বের ভয়ানককবর শাশ্বত কারা বাস যার গম্বুজকতো গোলাকার থেকে চিৎকারেওনিজের প্রতিধ্বনিত আসে না ফিরেকখনো কখনো সীমাহীন ভয় মিলে। আরো মনোহর শিশিরভেজা রাতেযখনই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *