মা বাবার ত্যাগ

জন্মের পরে মানব কূল কত অসহায় ভবে
তারা প্রথম থেকে রয় পর নির্ভরশীল তবে।
ধরনীতে আসার পরই সর্বোত্তম আশ্রয় স্থল
রোগ ব্যাধি অসুখ বিসুখ মায়ের উপর বল।
আনন্দ ও সোহাগ দিয়ে যা পানাহার করায় 
তাঁর যত্ন পরিচর্যায় সব বেঁচে থাকে ধরায়। 
মা মনি বাছাধনের জন্যও কত ত্যাগ করে
সৃষ্টি লগ্ন থেকে প্রমাণ যার রয় জগৎ ভরে।
সামান্য অসুখ বিসুখ হলে আঘাত পায় মা
পরবর্তীতে আরাম হলে তাঁর শান্তি লাগে যা।
মা তাঁর নিজের সুখ সাচ্ছন্দ্য সব ভুলে রয়
ওদের দুঃখ কষ্ট ও দুর্গতিতে কত কষ্ট সয়!
বড় হয়ে সন্তান যখন দূরে কোথায় ও যায়
ফিরে আসা না পর্যন্ত সে পথের দিকে চায়!
ছেলের জন্য দোওয়া দুরুদে রত থাকে মন
কতক্ষণে কোলে আসবে রে তাঁর বাছাধন! 
মা বাবার কষ্ট অসীম সকল সন্তানেরই তরে
আল্লার কাছে পানাহ চায় তাঁরা জীবন ভরে।

Similar Posts

  • কবিতা

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য০২.০৩.২০২৩ খৃঃ, রোজ বৃহস্পতি বার ;স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৩০০ টিতেপৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম —” পহেলা এপ্রিল ” । সৃষ্টিকর্তার অসীমদয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায়এ রকম একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হতেপারায় আমি আপনাদের অশেষ ধন্যবাদজ্ঞাপন এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায়করছি ।…

  • অবশেষে

    বেলাটি শেষ হয়ে গেলেঅনুতাপ ও অনুশোচনাব্যতীত কিছুই থাকবে নাফলে অন্তরেও আজীবনদুর্ভোগ ও অশান্তি মিলে। তাই পল্প গুজবে না বসেঅনর্থক সময় করনা নষ্টনয়তো হয়ে যাবে পথভ্রষ্টঅনুতপ্ত ব্যতিরেকে কিছুকরার মত রবে না শেষে। সবই নিজস্ব গতিতে চলেযারা তাদের কাজ করতেতপস্যা সাধনায় সময়নিষ্টহয়ে ধৈর্য্য ধরে যথা সময়সমাপ্তির পরে শান্তি ফলে। সময় ও স্রোত চীর বহমানএরা কোনো দিনও তাদেরচলতে…

  • দু’টি বোন

    ফুল ফুটেছেচুল বেধেছেআপা মনি যে। ঘুম ভেংগেছেদাঁত মেজেছেরাইফা মনি সে। নাস্তার কালেএকটু পায়েসলাগছে তার গালে। ফুপিয়ে কাঁদে তালেতাইফা দেখে দেয়বোনকে পানি ডালে। লক্ষী বলেকাদিসনে বোনকুলে নেয় তুলে। সে হাসে যতদু’টি বোন অসীমআনন্দে হাসি-খুশি শত।

  • ছিন্ন বস্ত্র !

    অনাদর অবহেলায় কতো লোকপথে পান্থরে রাস্তা ও ঘাটে শতোদীনহীন জীবন অতিবাহিত করেতাদের মনের মধ্যে রয় কত দু:খ! গায়ের পোশাক আশাক যা ছিন্নময়লা ও আবর্জনায় দেহো খানিভরে থাকে বেশিরভাগ সময়েতেতাদের অনেকের জোটেনা অন্ন! কতো বেলা খেয়ে না খেয়ে থাকেবুভুক্ষু অবস্থায় অনেক সময় রয়সীমাহীন দুর্ভোগ ও যন্ত্রণাতে সয়শতো দু:খ দুর্গতি লেগে রয় সাথে! অনেক আশরাফুল মাখলুকাতসীমাহীন অভাব…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

  • চরিত্র

    ধরণীতে যতো রয়েছে কুজননুনের মতো কতই তীতকুটেজ্ঞান দেয় যেন তারাই সুজন ! নানা রুপের মানুষের চরিত্রসুযোগে তারা ঢেঁকুর তোলেবলে বন্ধু তারাই কত পবিত্র ! তাদের চতুর অভিসন্ধির ভয়মিষ্টি কথার আড়ালে থাকেচেহারায় কোন প্রকাশ না রয় ! এক অদৃশ্য বস্তু চরিত্র সেইবসবাসরত হিয়ার মাঝে ইআত্বায় লুকিয়ে আছে যেই। কখনও নুনে ধরেনি পোকাযার প্রমাণ ইতিহাস আছেমানবরাই সর্বদা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *