মা বাবা আশ্রয়স্থল

      

জন্মের পরে মোরা আশ্রয়ের জায়গা খুঁজি
আমাদের মা জননী দীর্ঘ দিনের কষ্টের পর
আদর মমতা দিয়ে শত যন্ত্রণা উপেক্ষা করে
সোহাগ ভরে কোলে নেন তাঁর দু’চোখ বুঝি!

কত শত দিন ব্যথা বেদনায় গর্ভে ধারণ করে
সুখ শান্তি খাবার দাবার আরো ভোগ বিলাস
আরাম আয়েস সব কিছু একান্ত তাঁর শিশুর
তরে বিসর্জন দিতে গিয়ে শরীরের ঘাম ঝরে!

অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় সন্তান ভূমিষ্ট যখন
দু:খে ও কষ্টে গড়াগড়ি করে তীব্র জ্বালা আর
যন্ত্রণাতে থেকেও সন্তানের মুখ দেখা পেলে ই
তাঁর শারিরীক মানসিক দূর্ভোগ দূর হয় তখন!

যতো বাবা আছেন সকলেই সন্তানদের জন্য
সকাল থেকে সন্ধ্যায় সুখ সমৃদ্ধি আয় উন্নতি
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অগ্রগতির লক্ষ্যে কঠোর
পরিশ্রম করে কতো যেন ঘুরে তাঁরা হয়ে হন্য!

নি:স্বার্থভাবে এমন সবই ত্যাগ করেছেন যাঁরা
আমরা সকলে তাঁদের জন্য ইবাদত উপাসনা
করে আল্লাহ পাকের কাছে কায়মনে প্রার্থনা
আর আরাধনায় থাকলে শান্তি পাবেন তাঁরা!

Similar Posts

  • চড়াই উৎরাই !

    কেউ করোনা কোন বড়াইপৃথিবীতে কত লোক ছিলটিকে রয় নি চড়াই উৎরাই! কাহারও প্রচুর ছিল সম্পদসময়ের বিবর্তনে তার সবইগেছে থাকে নি তা নিরাপদ! আরো ছিলো যতো মহাবীরশক্তি ক্ষমতা কতো ই দাপটলোপ পেয়ে হয়ে গেল ধীর! ঐশ্বর্য বিত্ত আর ধন সম্পদযথাযথ ব্যবহার না করাতেকত লোকের হয়েছে বিপদ! আল্লাহ পাক অসীম রহমানতাঁর উপাসনা বন্দেগী করেইহ পরকালে পাব পরিত্রাণ!

  • ওদের রুখবে কে

    রাত ১২টার পর হয়ে যায় তারিখ বদলমানুষ বদলে যায় সুযোগ বুঝে যেখানেথাকেনা তাদের সেখানে কোন আদল। সুযোগ সন্ধানী বলে একটি কথা আছেকথাটা শোভন নয় যা বললেই চোখেরসামনে বদলোকের চেহারা এসে মিশে। আমাদের দেশে দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছেএসব লোকের সংখ্যা রাজনৈতিক ক্ষেত্রেবিশেষ করে এরা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি হচ্ছে। রাজনীতি দেশের প্রধান যা চালিকা শক্তিরাজনৈতিক আন্দোলনেরতো ফসল প্রিয়মাতৃভূমির…

  • গ্রামে হানা দেয়

    খাল পার হয়ে গ্রামে এসেও হানা দেয়কেঁদো বাঘ ওত পেতে থাকে দু’একটাকখনও বা গাঁয়ের মানুষের প্রাণ নেয়। তাদের কী আর এসবে ভয় পেলে চলেযাদের নিত্য যাওয়া আসা অবশ্য তাতেওদেরকে খুব ঘাবড়াবার মত নয় বলে। গোল পাতা মধু ভেঙেই দিন চলে ওদেরমাছ আর বনের কাঠ চাষ আবাদ খেতেসারা বছরে সে একবার পরিশ্রম যাদের। তার উপর যদি…

  • সর্বনাশা নদীরে !

    ঘুরে বেড়াই পুরো দুপুর পারে পারেকোথা থেকে আসছো তুমি কোনোমিলনমুখে বয়ে-যাওয়া কতোখানিগভীরতা এসব বিষয়েই বিষদভাবেজানতে আমি জিজ্ঞেস করি কারে? উদ্‌গত এ ঢেউ তোমার বুকেতে রয়আন্দোলিত করে কত ভালো লাগেমাছের চঞ্চল মুদ্রার মতো উচ্ছলতাঅঞ্জলিতে ভরে নিলে জল কোথায়গিয়ে তাও একদম যেন অদৃশ্য হয়! বসে ই থাকি তোমার উষ্ণ বালুতটেআর সেথা ওপর থেকে বালু সরালেএকটি স্তর উঠে…

  • যতো গন্ডগোল ! চলে কতো আবুল তবুলসৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়শত অসন্তোষ লেগে রয়। দোষীও মাত্র কয়েক জনভোগে কতোও লোকজন। তারা সকল দেশের শত্রুকখনো তো হবে না মিত্র। ওদের দ্বারা কলুষিত দেশপলায়ন করে যায় বিদেশ। বিদেশেতে যদি তারা যায়সুখ শান্তি আর নাহি পায়। আল্লার রাস্তার যারা চলেজীবনে কতো শান্তি মিলে! তিনি অসংখ্য…

  • স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে

    তুমি যদি ওই দূর আকাশেরকোনো পাখি হও তবে আমিহব সেই পাখিটির দু’টি ডানা *তোমার সাথে হারিয়েই যাবোঅচেনা দেশে যেথা থাকবেনাভালো বাসার কোনোও মানা। * স্বপ্নের যতো সিঁড়ি বেয়ে নিবআমি ভালো বাসা রাশি রাশিযেনো আমার জীবনের বাকি *সে অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়েতোমার সাথেই থেকেও বাঁচিআরো আনন্দে একত্রে থাকি। * প্রচুর মনি মুক্তা নিয়ে আসবতোমারও একান্ত সে ডানায়মূল্যবান…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *