মেয়েদের হরমোন জনিত  সমস্যার ৫ টি কারণ

নারীদের মধ্যে হরমোনের ভারসাম্য-হীনতার সমস্যা মাঝে মধ্যেই দেখা যায়। 

শরীর ও মনের সুস্থতা নির্ভর করে হরমোনের উপর। 

তাই শরীর ভালো রাখতে শরীরে হরমোনের সমতা থাকা খুবই জরুরি। 

হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি, কিংবা ঘন ঘন মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, 

অতিরিক্ত ক্লান্তি ভাব হরমোনের তার-তম্যের লক্ষণ হতে পারে। 

চুল পড়ে যাওয়া, ত্বকের সমস্যা, ব্রণ ইত্যাদির কারণও হতে পারে, 

শরীরে হরমোনের সমতার অভাব। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই, 

এসব সমস্যা উপেক্ষা করে ভুল করে থাকেন অনেকে। 

আর শরীরে হরমোনের সমতার এই পরিবর্তনের কারণ গুলো, 

লুকিয়ে থাকে আমাদের জীবন যাপনের মধ্যেই। 

মানসিক চাপ ও উদ্বেগঃ

 কর্ম ক্ষেত্রের কাজ ও পারি-বারিক সমস্যা সব কিছু সামলাতে গিয়ে, 

মানসিক চাপের সম্মুখীন হন অনেকে। চিন্তায়, 

দিনের পর দিন ঘুমও হয় না ঠিক মতো। তবে জানেন কি, অতিরিক্ত রাগ, 

চাপ, নেতি বাচক চিন্তা শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করতে পারে।

ঋতু বন্ধের সময় যতই এগিয়ে আসে রাগ হওয়া, 

ঘন ঘন মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়তে থাকে

খাদ্যা-ভাসে অনিয়মঃ

শরীর সুস্থ রাখতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার খেতে হবে।

 তা না করে অতিরিক্ত তেল-মসলা-যুক্ত খাবার, 

প্রক্রিয়া-জাত খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, এখনই তা কমিয়ে ফেলুন। 

এ ছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টি-জাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 

কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়, 

যার ফলে চুল পড়া ও ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। 

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যা-ভাস কিন্তু শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার অন্যতম কারণ।

অন্তঃ সত্ত্বা থাকা কালীনঃ

অন্তঃ সত্ত্বা অবস্থায় নারীর শরীরে হরমোনের ব্যাপক তারতম্য হয়। 

অনেক ক্ষেত্রে অন্তঃ সত্ত্বা কিনা বুঝতে নারীর অনেকটা সময় লেগে যায়। 

এ ক্ষেত্রে হরমোনের ভার সাম্যের কারণে যে উপসর্গ গুলো দেখা যায় , 

এর মধ্যে আছে গা গোলানো, বমি, পেটের সমস্যা, মেজাজ বিগড়ে যাওয়া। 

এই লক্ষণ গুলো দেখে অন্তঃ সত্ত্বা অবস্থায় নারীরা,

 আন্দাজ করে নেবেন যে, শরীরে হরমোনের তার তম্য হয়েছে। 

অতিরিক্ত রাগ, চাপ, নেতি বাচক চিন্তা শরীরে হরমোনের ভার সাম্য বিঘ্নিত করতে পারে

ঋতু বন্ধের সময়ঃ

৪৫ থেকে ৫০ বছরের মহিলাদের ক্ষেত্রে শরীরে,

 হরমোনের ভার সাম্য ব্যাপক ভাবে বিঘ্নিত হয়। 

ঋতু বন্ধের সময় যতই এগিয়ে আসে ততই এই সমস্যা,  

Similar Posts

  • থাইরয়েড কেন হয়? প্রতিকারের উপায়

    থাইরয়েড একটি গ্রন্থির নাম, যেটা গলার নিচের দিকে থাকে। বাংলাদেশে থাইরয়েড রোগীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি চল্লিশ লক্ষ। দেশে অন্য যে কোন রোগের চেয়ে থাইরয়েড রোগীর সংখ্যা বেশি। থাইরয়েডের কাজ হল হরমোন সিক্রেট করা যা শরীরের কাজকে, পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে থাইরয়েড গ্রন্থির নানা সমস্যা বিশ্বে, অন্যতম হরমোন-জনিত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। হরমোন-জনিত রোগের ক্ষেত্রে ডায়া…

  • ফুড পয়জনিং হলে কী করবেন

    আমাদের দেশে ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া একটি পরিচিত সমস্যা। কারণ, প্রায়ই বাইরের বা হোটেল রেস্তোরাঁর খাবার অপরিষ্কার ও জীবাণুযুক্ত হয়ে থাকে। যখন কেউ দূষিত, নষ্ট বা বিষাক্ত খাবার খায়, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবী দ্বারা সংক্রামিত, তখন ফুড পয়জনিং হয়ে থাকে। প্রবীণ ও শিশুদের জন্য সমস্যাটি প্রাণঘাতী পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশে ১৮ শতাংশ শিশু…

  • যে কারণে দাঁতের ক্ষতি হয়

    এমন সুন্দর হাসির জন্য দাঁতের যত্ন নিতে হবে। অনেকেই হয়তো জানি না, প্রতি দিনের কী কী ভুলের কারণে, মূল্যবান দাঁত গুলো অকালে হারিয়ে ফেলছি। দাঁতের ক্ষতি প্রতিরোধের সহজ নিয়ম গুলো না মানার কারণে একটি দাঁতকে, চিকিৎসা করে বাঁচাতে কয়েক হাজার টাকা খরচ করি। দাঁতের যত্নে বিশেষ কয়েকটি ভুল সংশোধন করে , সময় মতো সঠিক ভাবে…

  • স্ট্রোক কী

    স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। সেই রক্ত নালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ।  অতএব স্ট্রোক দু’ধরনের- ১. রক্ত নালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ। একে বলে হেমোরেজিক স্ট্রোক। ২. রক্ত নালি ব্লক হয়ে গিয়ে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না যাওয়া এবং ওই অংশের শুকিয়ে যাওয়া। একে বলে ইস্কেমিক স্ট্রোক। কেন স্ট্রোক হয়?…

  • ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা? জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়

    ব্রঙ্কাইটিস যে কোনও বয়সেই হতে পারে। তবে বয়স্ক মানুষ বা ছোট শিশুদের ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি।  ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা শীতকালে বেশি হলেও অতিরিক্ত গরমেও রেহাই পান না অনেকে। বিশেষ করে যাদের ঘাম গায়ে শুকিয়ে গিয়ে সর্দি কাশি লাগার প্রবণতা আছে বা যারা হাঁপানির সমস্যায় ভোগেন, তারা গরমেও রেহাই পান না ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা…

  • হেপাটাইটিস বি

    হেপাটাইটিস–বি ভাইরাস জনিত জন্ডিস (Hepatitis B Virus Jaundice)সাধারণতঃ যৌন সঙ্গমের মাধ্যমে হেপাটাইটিস–বি ভাইরাস দ্বারা এ রোগটি হয় । প্রধানতঃ যকৃতের ওপর এর ক্ষতিকারক দিকটি সব চেয়ে বেশি। ফলে জন্ডিস দেখা দেয়। রোগের সুপ্তিকাল ৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস। বেশির ভাগ রোগীই আপনা-আপনি ভাল হয়ে যায়। তবে ৫-১৫% রোগী ভালো হয় না। এবং এদের শরীরে ভাইরাসটি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *