রহিম ও রহমান

মানুষ জীবজন্তু সব খোদার সৃষ্টি,
তাদের কল্যাণেই তিনি দেন বৃষ্টি।
গাছ পালা তরুলতা বৃষ্টি যে পায়,
সজীবতা আসে প্রাণে বৃষ্টির দায়।
খোদা করেছেন সৃষ্টি মানব-জীন,
সুযোগে থাকে জীন করতে হীন।
জীন চীর শত্রু ইনসান এর যে হয়,
মহাগ্রন্থ আল কোরানে প্রমাণ রয়।
জীনদের প্রধান কাজ ধোকা দেয়া,
মানব জাতিকে তারা কুপথে নেয়া।
আশরাফুল মাখলুকাত মোরা সব,
দৃঢ়মনে আল্লাহ রাসুলের পথে রব।
মহান আল্লাহ পাক রহিমও রহমান,
আল্লাহর রাসুল(সঃ) কত দয়াবান।
আমরা মানব জাতি সব মুক্তি পেতে,
তাঁদের সন্তুষ্টিতে স্বর্গে পারবো যেতে।

Similar Posts

  • চট্রগ্রামে ভ্রমণ

    সকাল ছয়টাও বাজেনি প্রথমে পা দিলামসিএনজি ভাড়া করেতো আগ্রাবাদ উঠেছিযে হোটেলে ব্যাগ আরোও অন্যান্য জরুরীজিনিসপত্র রাখা সেখানে যে ফেরার পথেঅবস্থানে থাকার জন্যই পরিকল্পনা নিলাম। কত ব্যস্ততম আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কনগরীর দেওয়ান হাট মোড় হতে আগ্রাবাদমোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে গ্যারেজ আরমোটর পার্টস ব্যবসায়ীদের দখলে তাদেরপুলিশ তাড়া দেয় ও লাটি পিটায় বেধড়ক। ফুটপাত ছাড়িয়ে তাদের দখলের এ…

  • রুদ্ধ পথ !

    আল্লাহপাক কোরআনে ইরশাদ করে বলেনআমি ইনসানদের তাদের দুনিয়ার জীবনেরউপকরণকে সঠিক বণ্টন মর্যাদাগত প্রাধান্যদিয়েছি কতিপয়কে কতিপয়ের ওপরে যাতেতারা একে অন্যকে কর্মে নিয়োগ করে সুন্দরআরোও সুষ্ঠভাবে জীবন যাপন করে চলেন! অন্যত্র ইরশাদেই যাদের শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছেতারা অধীনস্থদের তাদের নিজেদের সামগ্রীথেকে দিতে চায় না কিছু তারা আশঙ্কা করেএ সম্পদে উভয়ে উভয়ের একই সমান হয়েযাবে তবে তারা কি আল্লাহর…

  • তেজস্বী বীর

    রে চঞ্চল তেজস্বী বীরতোমার গতি কর ধীর।তুমি না হওতো অস্থিরকরো তোমার মনস্থির।লাভ নেই হয়ে অশান্তঅগ্রসর হও হয়ে শান্ত।ভাগ্যে কি যেন জোটেকখনো কত যায় ঘটে।কতজনও খেলে মাটেকেউবা নদীর ও ঘাটে।কাহারও ভাগ্যে বিপদবাকী সব রয় নিরাপদ।বাহাদুরের ও কত মতিতারাও হয় সমাজপতি।তাদের গতি হয় অধিরটকাতে সরল ও বধির।

  • বিনিদ্র রজনী !

    সবচেয়ে অধিক মহব্বত যারপৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছেঅতিরিক্ত থাকে নিজের মা’র। যদিবা কোন শিশু অসুখ হলেখাওয়া দাওয়া সবই বন্ধ করেবিনিদ্র কতো পেরেশানি চলে। এত আদর সোহাগ করে যায়অধিক সেবা শুশ্রূষাতে শিশুরদু:খ দুর্ভোগ সেরে শান্তি পায়। সব সময় মায়ের দোয়ার ফলেআল্লাহ তায়ালা অসংখ্য দুর্গতিনিবারণ করলেই প্রশান্তি মিলে। তাসবিহ পড়েন নামাজের পরেকাকুতি মিনতি সন্তানের জন্যেযা কান্নাকাটি করেন জুরে…

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

  • মেঘ তরঙ্গ

    গ্রীষ্মের দিনে মাঠ ঘাট হাটতীব্র রোদে পোড়ে ঝলকেপ্রচণ্ড উষ্ণতায় চলন্ত দিনেজলন্ত তেজ ধরে পলকে। কতো ঘাম ভেজা বালিশেউত্তাপে গলে গেলো রাতঅন্বেষণ করে যাচ্ছি নিদ্রাতখন থেকে হে সু প্রভাত। তীব্র গরমে ছট ফট করেপ্রচুর ঘামে ঝরছে পানিদিনের রোদে ধরছে মাথাকখন যে হবে বৃষ্টি জানি। মেঘ তরংগে নীরব বাতাসকতো সুখ দিয়েছো তুমিমুহূর্তে প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজেশান্ত গাছ বৃক্ষ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *