রহিম ও রহমান

মানুষ জীবজন্তু সব খোদার সৃষ্টি,
তাদের কল্যাণেই তিনি দেন বৃষ্টি।
গাছ পালা তরুলতা বৃষ্টি যে পায়,
সজীবতা আসে প্রাণে বৃষ্টির দায়।
খোদা করেছেন সৃষ্টি মানব-জীন,
সুযোগে থাকে জীন করতে হীন।
জীন চীর শত্রু ইনসান এর যে হয়,
মহাগ্রন্থ আল কোরানে প্রমাণ রয়।
জীনদের প্রধান কাজ ধোকা দেয়া,
মানব জাতিকে তারা কুপথে নেয়া।
আশরাফুল মাখলুকাত মোরা সব,
দৃঢ়মনে আল্লাহ রাসুলের পথে রব।
মহান আল্লাহ পাক রহিমও রহমান,
আল্লাহর রাসুল(সঃ) কত দয়াবান।
আমরা মানব জাতি সব মুক্তি পেতে,
তাঁদের সন্তুষ্টিতে স্বর্গে পারবো যেতে।

Similar Posts

  • শব্দ দূষণ

      চলার পথে চতুর্দিকে শব্দ দূষণ দিক বিদিক ছুটছে প্রতিনিয়তযান বাহন যার গতি যত আছেরাস্তা ঘাটে সকল কত ও বাহনপাশের আরো শত সহস্র লোকভোগছে আরো সবার আবাসন। মানুষ এবং প্রাণীদের মধ্যে যতশ্রুতি সীমা অতিক্রম কারী কতশব্দ সৃষ্টির কারণে শ্রবণ শক্তিক্ষতি গ্রস্ত সকলেই যাতায়াতেআক্রান্তের ফলে অসুবিধা ভোগকরবে সম্ভাবনায় আছে যে শত। কল কারখানার সৃষ্ট যত যানজটথেকে দূষণ এরকম তীব্র…

  • সবে সফলতা চায়

    জীবনে সফল হতে সব মানুষ চায়সফল হতে পারেন না সকল কিন্তুজ্ঞান বুদ্ধি বিদ্যা ও সম্ভাবনা থাকাসত্ত্বে বেশিরভাগ মানুষ সফলতারউচ্চ শিখরে পৌঁছার পথ না পায়। কি করতে পারে জানে নাহি কেহপ্রধান কারণ হল মানুষের ভেতরযা সম্ভাবনা নিজের অজানা আরবাকি যতো চেষ্টা ও ধৈর্য সহকারেআত্মবিশ্বাসে সাধনায় লাগে দেহ। মনীষীরা শোনাতে চেয়েছেন বাণীযুগ যুগ ধরেই অভিজ্ঞতা বদলেরমাধ্যমেই সাফল্যের…

  • এতিমের যন্ত্রণা

    মায়ের মৃত্যুর পর কেউ খাবায় না আদর করেসোহাগের ছলে ডেকে গোসল করিয়ে দেয় নাএকটু আদর করেও কথা বলে না কেউ সবাইবকা ঝকা করে কারনে অকারণেও মারে ধরে ! শ্রমিকদের সন্তানদের অবস্থানে শিশুটি আসেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ঐ দিনেরই যাভয়াবহ ঘটনায় তার বাবা প্রাণে বেঁচে গেলেওঅক্ষম অবস্থায় এখন বাড়িতে ই থাকেন বসে ! মায়ের…

  • বয়স্কদের মূল্যায়ন

    কেউ বলে না বয়স্কদের কথাসবাই কেবল শিশুদের আরোযুবকদের কথা বলে যথাতথা। গণমাধ্যমে নেই বললেই চলেবার্ধক্য বিষয়টি যা প্রবীণদেরপক্ষ থেকে এ আভাস মিলে। এক্ষেত্রেতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশসবে করে যে যুগান্তর তাদেরএই অভিযাত্রায় দেয় আভাস। সংবাদ ও ফিচার তুলে ধরেছেকয়েক বারই বার্ধক্যের বিষয়েফলে এস্থানে আসতে পেরেছে। যৌবনা পৃথিবী ঝিমিয়েই যাচ্ছেক্রমেই যেন তাই এখন থেকে ইপ্রবীণবান্ধব সমাজ গঠন হচ্ছে।…

  • পরকালে মুক্তি !

    দিন ও রজনী একাধারেকাজ কর্মের ফাঁক দেখেনিয়ম আরো সময় মতোস্রষ্টাকে ডাক বারেবারে। আল্লাহ ছাড়া উপায় নাইতাঁর দয়াতে খাবার খাইসুন্দরভাবে জীবন চালাইউভয় জাহানে শান্তি পাই। খোদা তায়ালা মেহেরবানতিনি অসীম অনুগ্রহ করেমোদের নাযাত করেন দানসকলে গাই তাঁর গুনগান। আমরা সবাই সৃষ্টির সেরাউপাসনায় সময় নিষ্ঠ যারাইবাদত বন্দেগীতে ইহ আরপরকালে মুক্তি পাবে তারা!

  • রজনী শেষে

    রজনী শেষ হলে মানুষ ছুটে যায়আবশ্যকের তাগিদে কে কোথায়চলা ফেরা করে এ খবর না পায়। প্রয়োজন কখনো আইন মানে নাসার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে দিন আর রাতমানুষের চলার গতিবেগ থামে না। কেহ আরো কর্তব্য কর্মে থাকে নিষ্ঠজীবনে উন্নতি লাভ করার তাগিদেতার উপর ন্যস্ত দায়িত্বে রয় সচেষ্ট। নিয়মানুবর্তিতা কর্তব্য পরায়ণ যতঐশ্বর্য বিত্ত বৈভব চিরস্থায়ী লাভেরউদ্দেশ্যে কাজ কর্মে লিপ্ত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *