লুকোচুরি খেলা

ঝরো ঝরো বৃষ্টির চলে যত শব্দ
ঝির ঝির বাতাসের মৃদুমন্দ গন্ধ।

তারাদের মিট মিট লুকোচুরি খেলা
ভাল থেকো তা নিয়ে সারাটা বেলা।

বৃস্টি ভেজা পায়েও এলে মনে হয়
আকাশের বুকে যে জল ছবি রয়।

আরো হাসলে তুমি মনে হয় কতো
স্বপ্ন মগ্ন পাখিও ডানা মেলে যতো।

বসন্তের অনেক ফুল তোমায় দিব
কোকিলের মধুর গান শুনতে পাব।

প্রচন্ড তাপ গৃষ্মের দিব যে তোমায়
অসংখ্য ফলেরই ঘ্রাণ দিও আমায়।

বর্ষায় যা মুশল ধারে রয় কতই বৃষ্টি
চলাচল করতে হয় অসুবিধার সৃষ্টি ।

সাদা আকাশ শরতের তোমার হবে
যতো হেমন্ত ধানের ভাত ঘরে রবে।

শীতে দিবো তোমায় কুয়াশার চাদর
মিষ্টি রোদে পাবে তুমি যতো আদর।

Similar Posts

  • গোছালো জীবন

    জিনিসপত্র গুছিয়ে সবখানেই রাখুনকর্মস্থল অথবা আপনার বাড়ির যতঅগোছালো জিনিসপত্র মনের শান্তিনষ্ট করবে তাই গোছালো হয়ে থাকুন। উপভোগ করার আশা তো ঠিক নয়বড় কোন ঘটনার তাই সূর্যাস্ত সঙ্গীতমজার খাবার ইত্যাদির মাধ্যমে যতোমুহূর্ত উপভোগ্য করলে ই সুখের হয়। বাড়ি ভালোভাবে তে পরিষ্কার করুননির্দিষ্ট সময় অন্তর সব পুরনো ফেলেদিন অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যতোসঙ্গে সঙ্গে মনকে হালকা করে রাখুন। জিনিস…

  • অপার মহিমা !

    সৃষ্টির সেরা আমরা মানব জাতিআমল ও আখলাক উন্নত করেআল্লাহ তায়ালার প্রদর্শিত পথেচললে সুখ আর শান্তি হবে সাথী! সৃজন করেছেন ইবাদতের তরেজ্বীন মানব জাতিকে জগৎ ভরেআরাধনা উপাসনায় অর্জন করেইহ পরকাল কল্যাণময় হয় পরে। আল্লাহর মহিমা কতো যে অপারতাঁর করুণা ও মেহেরবানীর ফলেহাশরের ময়দান থেকে পুলসিরাতঅনায়াসে সকলে হয়ে যাবে পার। খোদা তায়ালার স্নেহের বান্দা সবআনুগত্য অর্জনের জন্য…

  • দিঘির মাছ

    কয়েক দিন পূর্বে সকাল ১০টা বাজেবাসা থেকে বের হয়ে মটর সাইকেলেকেবল একাকি চললাম আমি কাজে। গন্তব্য স্থান আমার অনেক ছিল দূরেছোট বড় বাজার হাট আরো কত যেখেলার মাঠ ঘাট এসব পেরিয়ে ঘুরে। লোকের অসংখ্য ভিড় বাজার হাটেমাটে ও ঘাটে কেউ খেলা ধূলায় রতআরো কত গল্প করছে বসে ঘাটে। ছোট বড় খাল জলাশয় আরো পুকুরও দিঘি…

  • মা বাবা হারা ছেলে

    দিনরাত কাটে রাজধানীর হাতির ঝিলেবিষণ্ন মনে আছে বসে মাবাবা হারা একছেলে বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের উপরেচোখ আটকে যায় উড়ন্ত কাক ও চিলে। গাছের ছায়ায়ও এক ঘুমন্ত শিশু ছিলমাছি কয়েকটা তার ঠোঁটে নাকে মুখেবারবার বসে উৎপাত করছে সে ঘুমেরমধ্যেই হাত ও পা নাড়া চাড়া করে নিল। শিশুটিও তাড়ানোর চেষ্টা করছে মাছিআরও কয়েকটি শিশু আশ পাশে ব্যস্তদৌড়ঝাঁপে কিন্তু…

  • কে দিল মন্ত্রণা !

    তাকিয়েই আসমানের দিকেবলোতো সে কি আছে সুখেশতো দু:খ কষ্টে কেঁদেই মরিসে যেনো আমার পাশে নায়। বিধাতা আমাকে তুমি বলোকোথায় গেলেই তারে পাবোজ্বালা যন্ত্রনাগুলো আমাকে অন্তরের মধ্যে কত পোড়ায়। ভাবতে ভাবতেই তারে আমি চোখ বুঝে কতো জড়াই ধরিচোখ মেলেই তবে দেখি পরেসে বন্ধুটিই আমার বুকে নায়। অন্তরেতে যতো জ্বালা যন্ত্রণাজল দিলেও তা আর নিভেনাফুঁপে ও জোরে কতোই কাঁদিদূরে…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *