শান্তির জিন্দেগী

      

দীর্ঘ প্রতিক্ষায় কেটে যায় প্রহর,
মোহের ছলে থাকায় পায়নি টের।
অবিরত একই ধ্যানে থাকলে মগ্ন,
তাতেও আশার রত্ন হয়নি ক লব্ধ।
বিমোহীত থাকায় বিরাজ অশান্তি,
আকাংখিত লব্দেই হয় প্রশান্তি।
আশার আলো হলেই প্রজ্জ্বলিত ,
মন প্রাণ সবই ভরে হয় উল্লসিত।
প্রহরের সময় পরে বর্ধিত হলে,
দিন-রজনী মুহে গড়িয়ে গেলে।
প্রাপ্তির প্রচেষ্টায় নিয়োজিত যারা,
পর্যায়ক্রমে উন্নত হবেইতো তারা।
কায়মনে পালনে আল্লাহর বিধান,
শান্তির জিন্দেগী করবেন প্রদান।

Similar Posts

  • সহানুভূতি

    মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য যারাতাদের আবেগ বা অনুভূতি নিয়ে খেলেযাকে তো বলা যায় আবেগের পরজীবীওদের থেকে যত দূরে থাকা ভালো বলে। এই ধরনের যতো মানুষ নিজেকে খুবইভঙ্গুরভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করেঅন্যের সহানুভূতি যোগাড় করে নিজেরকাজ হয়ে গেলে ও অগ্রাহ্য করবে পরে। আত্মপ্রেমী মানুষ যাদেরকে বলে তাদেরথেকে নিজেকে বাচিয়ে রেখে থাকো দূরেতবে ভালোবাসা স্বাস্থ্যকর এর ব্যতিক্রমঘটলে…

  • মা বাবার সন্তোষ্টিতে সব সুখ

    পথের ধারে বাড়ি তার সেথায় তারা রয়তার ছোটো ভাই বোন মুকুল আর পুতুলসংসারে মা বাবা সহ মোট পাঁচ জন হয়। রাতুল বড়ো তাই ধরেছে সংসারেরই হালসর্বদা রুজি রোজগারের ধান্দায় থাকেওকখনো মাঠে মাছ ধরতে নিয়ে যায় জাল। বয়ষ্ক মা ও বাবা এখন কাজ কর্মে অক্ষমভাই বোন তিন জনের মধ্যে রাতুল যে বড়খানা খাদ্য যোগাড় করতেই ব্যস্ত…

  • শুন্য হৃদয় খানি !

    তুমি শুভ দিনে আসবে রাঙা হয়েশুন্য হৃদয় পূর্ণ তোমার বুকে লয়ে। যদি বা রাতের আকাশ জেগে রয়ফুলের যতো সৌরভ বাতাসে বয়। তুমি কাছে আসবে শুধু এ আশায়আমি তো একা এসেছি এ ভরসায়। অল্পে রেগে যাও কেনো বলো তুমিতোমাকেই স্নেহ কম করিনি আমি। তোমার জন্য বসে আছি পথ চেয়েযত আনন্দিত হব তোমাকে পেয়ে। আমরা চলে যাব…

  • পতনের মূল !

    যতো অহংকার সবি কিন্তু পতনের মূলবুদ্ধিমানরা এ হেন দাম্ভিকতার মাধ্যমেকখনো করে রয়না এ রকম কোন ভুল! হঠাৎ কিছু পেয়ে যে আত্মাভিমান করেযা পাওয়ার এমন কোনো যোগ্যতা তোকোনো দিন অর্জন করেনি জীবন ভরে! যে ব্যক্তি আপনার সাথে অহংকারী হয়সর্বদা অহংকারই করে তার থেকে দূরেসরে বুদ্ধিমানের দৃষ্টান্তই রবে জগৎময়! অহংকার সুন্দর জীবন নষ্ট হওয়ার মূলতাই কখনো কোন…

  • স্বার্থে আত্মহারা

    গরীবের শোনে না কেউ দুঃখের কথানমুনা বুঝেছি যে অরণ্যে রোদন বৃথা। গরীব বাঁচার রাস্তা নেই কোন ব্যবস্থাসবও হারিয়ে চৌদিকে পড়েছে খাস্তা। মজা মারে সুবিধাবাদি যত ধনী যারাকেবল আছে ব্যক্তি স্বার্থে আত্মহারা। নিশাতে বিভোর গরিবের রক্ত খেয়েচলে শুধুই লোভ-লালসা বুকে নিয়ে। কত যেনো ভিড় জমায় শকুনের দলেকখনো মাংস খাওয়ার সুযোগ পেলে। আমরা ঘুরলাম কত না ধোকায়…

  • ভুকা-ফাঁকা থাকে !

    এক অসহায় ছেলে দেখে দু:খ হয়তার জীবন ভরে যতো অশান্তি বয়দু:খ দুর্দশাতে সর্বদা জর্জরিত রয়দুর্ভোগ দুর্গতির কত জ্বালাতন সয়তার মা বাবা কেউতো জীবিত নয়! অন্যহীন বস্ত্রহীনতো দীনহীন কতোঅনেক দিন ভুকাফাঁকা থাকে যতোমা বাবা মৃত্যুর হয়েছে বহু দিন গততাঁরা জীবিত থাকলে যত খুশি হতকষ্ট অশান্তি দূরে তার থাকতো শত! জীর্ণ বস্ত্র ও শীর্ণ গাত্র ক্ষুধার বেশেদু:খ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *