সাধন ভজন

আচানক নামটি তাঁহার
আরো কত বছর আগে
অসীম পারদর্শী ছিলেন
ধ্রুপদ সংগীত সব রাগে।

সুনাম আর খ্যাতিতে নাম
কতো করেছিলেন অর্জন
কিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলো
যেনো মেঘের মত গর্জন।

খুব ভোরে বা সাঁঝে যখন
সাধন ও ভজন হতো শুরু
ভাবতে হতো বরষার মেঘ
ডাকছে অনেক গুরু গুরু।

এতোও অধিক উচ্চে ওঠে
কারো গলার কতো কাজ
শেষে প্রবচনে বলে তাকে
যত জোরেসুরে আওয়াজ।

Similar Posts

  • উপহাস

    মানুষ ভালোবাসে না থাকতে একাতার দুঃখ গুলো যখন কেউ বুঝতেচায় না সে মানুষটি বাধ্য হয়ে তখননিজেকে সবার কাছে দেয়না দেখা। অন্যের কাছেও প্রকাশ করতে নেইনিজের দুঃখ সবে সমবেদনার সুরেমজা নেবে সুযোগ পেলে ই উপহাসকরে সময় মতো আঘাত দিবে সেই। জল যেমনই একদা বরফ হয়ে যায়অনেক ঠান্ডা হতে হতে ঠিক তেমনিএকটা মন অনেক কষ্ট পেতে পেতেপরে…

  • আলীশান

    সুন্দর এক ভবন থেকে বের হলো লোকতাঁকে দেখে থাকল না ওর কোনো দুঃখ।বাড়ির নাম প্যালেস উত্তরা মডেল ঢাকাদেয়ালের ভিতরে খালি স্থান আঁকাবাকা।নীল রঙের জিক্সার মোটরবাইকটি ছিলগেটের পাশে রাখতেই দারোয়ানটি এল।দারোয়ান বাইক রাখতেই নিষেধও দিলঐ লোক শুনে তখন আশ্চর্য কত হলো।গার্ড আরোও বললো ইহা প্রিন্সের বাড়িরাখা যাবে না কোন বাইক অথবা গাড়ি।বিনয়ের সঙ্গে বলে বাইরে বাইকটা…

  • সুরমা নদী

    ভারতের বরাক সুরমা নদীর উৎপত্তির স্থল,যেথায় বর্ষায় ভরপুর থাকে কত গভীর জল।প্রবাহিত হয়ে সিলেট নেত্রকোনা সুনামগঞ্জ,মেঘনায় মিশেছে পাশ দিয়ে কিশোরগঞ্জ।বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সুরমা নদী,প্রবেশ করে কুশিয়ারায় বিভক্ত অদ্যাবধি।শীতে নাব্যতা সংকট দেখা দেয় সেই নদী,পলির চরের বালু তুলে শ্রমিকরা নিরবধিনদীটি শীত মৌসুমে পরিণত হয় মরাগাঙে,পানি নীচে থাকে তখন নদীর গভীর তুঙ্গে।যে নদী দিয়ে লঞ্চ জাহাজ চলতো…

  • কতো অহংকার

    ঘরবন্দি হলে বাতাসেরা বন্ধ হয় দমপকেট-ভর্তি সূর্য-রোদে মেতে ওঠেইপঞ্চাশের পৌঢ় হলেই শক্তি রয় কম। কতো জনের অহংকারে তোলে ঢেউসুখের ঢোক যেন গিলে যাচ্ছো যতোনদী ভর্তি জল কারুকাজে নেই কেউ। জলেরা চোখের কাজল লেপ্টে দেয়কেহ ফেসবুকে আক্রান্ত হতে চায়নিট্যাগের যন্ত্রণাতেই আলো কমে নেয়। একদিন সুরমার জলকে বলেছিলোতীরের বাতাসে আরো ধনী হতে চায়অহংকারগুলো ছাদ তুল্য হয়ে গেল।…

  • অন্তরে বিষ !

    যারা নিয়ম ছাড়া চলেতাদের মূল্যায়ন আছেরাস্তা ঘাট নগর বন্দরেকখনো অনেক মিলে। খেয়ালীপনাতেও যতোহর হামেশা দায় দায়িত্বএড়িয়ে গেলেও অনেকেওদের স্নেহ করে ততো। যাদের মুখে জোর বেশতারা তাল মিলিয়ে চলেযখন কারো সাথে সাক্ষাৎঘটে থাকে ফুর্তির রেশ। আরো কতোই টকবাজআচার আচরণেই উন্নতমুখে মধু ও অন্তরে বিষমুলত তারাই ধান্দাবাজ।

  • শ্রাবণী

    সেদিন আমার দুই নাতনীকে নিয়ে,গিয়েছিলাম লাইটেস গাড়ী দিয়ে ;মধ্য রাস্তায় মিষ্টির দোকান পাড়ি দিতেড্রাইভারকে ফুলকলির সামনে বলি যেতে।দোকানে ঢুকতেই দেখি একটি ছেলে,খাচ্ছে অনেক মিস্টি রসালো,সোহাগের ছলে দুটি চেয়ার ঠেলে ;নাতনী দুটিকে আমার পাশে বসালো।বললাম, দুজনকে মিষ্টির রসে টইটুম্বুরে ভরা,যা, ইচ্ছে মনের মতো খেতে থাক তোরা।ছোট্ট নাতনী দুটি, হাসতে হাসতে খেল চমচম ;হঠাৎ করে অঝোর ধারায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *