সীমাহীন ভয়

সীমাহীন ভয় কখনো হয়
বন্ধুত্বের রূপালী সম্পর্কও
স্নেহের সোনালী বন্ধন সব
শুকনো শাখার মত ফেটে
ফেটে ভেঙে যেন নাহি রয়।

ঘুম হতে উঠে চোখ খুলবে
কতো কথা বলা বলি হবে
পক্ষে বিপক্ষে রসালো মৃদু
তিক্ত কঠিন হাসি কান্না ও
ভালো মন্দ কতই দেখবে।

হাত করবে কত যেন কাজ
আঙুল লিখবে দুনিয়ার যা
হিসাব নিকাশ ঘটনা রটনা
যুদ্ধ বিদ্রোহ লড়াইয়ের মত
আয় ও উন্নতির কত সাজ।

ফুলের মতই শিশুদের মন
আরো কম্পিত ছোট ছোট
পাগুলোকে সহায়তা করার
জন্য সচেষ্ট সর্বদা মহব্বত
দিয়েও চেষ্টা করে জনগণ।

Similar Posts

  • শিশুদের খেলা

    একদিন যে দুপুর বেলাদেখি এক মাঠে খেলা।কেবল বৃদ্ধ লোক ছাড়াসব বয়সের আছে ওরা।নাতনি দু’টি ছিল সাথেধরে ছিল আমার হাতে।তারাই বলে যাই সেথায়আনন্দ রয়েছে যেথায়।দেখি নানা প্রকার খেলাপ্রতিযোগী করেনি হেলা।কয়েক দলে বিভক্ত হয়েমনে কতই আনন্দ লয়ে।অনেকেও ফুটবল খেলেযা সুন্দর মারে হেলেদুলে।গোল্লাছুটেও কয়েকজনপাশে তাদের আপনজন।ছোট্ট শিশু আরো আছেঅভিভাবক আছে কাছে।নাতনি দু’টি খেলতে চায়আমি বললেই তারা যায়।দীর্ঘ সময়…

  • পোষা প্রাণীর স্মৃতি

    বেশি করে মনে পড়ছেই পুরনো স্মৃতিগুলি আজসুখকর নয় তো সব স্মৃতি আরো কিছু যে আছেদু:খ বাড়িয়ে দেয় তবুও মানুষ সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েযেন কষ্ট কিনতে ভালবাসে যাতে নাহি করে লাজ। টুটুলের মনে পড়ছে যেদিন জেছি সংসারে আসেতাকে দেখে তো সে রীতি মতো ভয় পেতো আরোটুটুলও তার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতসবাই ওকে অনেক ভলবাসায় সেও…

  • কর্ম তৎপর

    জীবনে চলার যদি কোনো করোনা রুটিন,সুন্দরভাবে চলাচল করা হবে যেন কঠিন।অবহেলা অলসতায় সময় যাদের যায় ,আদৌ সুখ শান্তি তারা কখন ও না পায়।এ ধরায় জ্ঞানী গুণী লোক আছেন যত,সকলেই সময়ের মূল্য দিয়েছেন যে কত।অধ্যবসায়ে যাঁরা ছিলেন লেখা ও পড়ায়,সুনাম যশ খ্যাতি তাঁদের সবদিকে ছড়ায়।প্রশিদ্ধ লোক পৃথিবীতে যারা ছিলেন যত।প্রথম জীবনে সাধনায় থাকছেন অবিরত।জগতে উন্নতি আর…

  • বঙ্গ ভূমি

    অতিশয় প্রাচীন যেন বঙ্গ ভূমি।রামায়ণ-মহাভারতের আখ্যানেএর উল্লেখ আছে বাংলার জমি অনেক বছরের পরিক্রমায় যাএকপর্যায়ে এই জনপদের নামহয়েছে যে বাংলাদেশ নামে তা। অধিবাসী মোরা সকল বাঙালিআধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার যত স্ফুরণইংরেজ আমলে ঘটে বাঙালির। ঐ সময় রাজ নৈতিক দল হয়তৈরি সীমিত আকারে চালু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া রয়। শুরু হয় ইংরেজ বিরোধী লড়াইসর্ব ভারতীয় জাতীয়তা বাদেরশুরুর সময় হয় যে…

  • জগৎ স্বামী !

    দয়াল বন্ধু আমার মনে রাখিওবেড়ানো কালে তুমি সাথে নিওআঘাত ব্যথা পেলে শান্তি দিও। স্নেহের বন্ধু কখনোই ভুলো যদিবুঝতে পারব আমার বিধি বাদিনিরবে আসবেই তখন গুণনিধি। আখি মুদলে যে রূপ দেখা যায়আঁধারে আলো তাকে মনে চায়ধৈর্য ও প্রতীক্ষাতে বন্ধুকে পায়। তাই বারংবার আর বলব কতোআসবে সামনে আরো সুখবসন্তজন্মের মতো দেখে করিও শান্ত। এখন তোমাকেই কী বলব…

  • চিত্তহারী

    সামনে ঐ বিস্তীর্ণ পথগন্তব্যে গিয়ে মেশে,পশ্চাতেতে চিত্তহারীমনোহারিণী বেশে। স্নেহের টানে থেমে গেলেগন্তব্যেতে পৌঁছান দায়,সম্মুখ পানে এগিয়ে গেলেস্নেহ ছিন্ন হয়ে যায়। চিত্তহারীর প্রতি দুর্বললক্ষ্যেতেও অবিচল,কোথায় যাবো রে মনতুই-ই আমায় বল। কেন এমন হয় রে জীবনতুই কি বলতে পারিস?ছাতি ফাটে পিপাসাতেপানিতে থাকে তো বিষ। মৃত্যু শুধু সময়ের ব্যাপারপান করি কিংবা না করি,জনম ভরে দোটানাতেইবেঁচে থেকেও ধুঁকে মরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *