সোনালি যুগ

মহানবী (সা.) তাশরীফ আনেন যখন
আরবি কাব্য-সাহিত্যের সোনালি যুগ
ইহ জগতে তখন বিশ্ব বিখ্যাত কবিরা
প্রতিযোগিতার ময়দানে অবতীর্ণ হত
আরবের প্রখ্যাত‘ওকাজ’মেলায় যার
কবিতা শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হত তাঁকে
সেরা উপাধিতে ভূষিত করতেন তখন ।

বাই তুল্লাহর সাথে ঝুলিয়ে রাখাও হতো
কবিতাকে সোনালি রঙের কালি দিয়েই
কাপড়ের উপর লিখে দুনিয়ার সবচেয়ে
মর্যাদাবান স্থান ‘মুয়াল্লাকাত’ যাকে বলা
হত ঝুলন্ত কবিতা বিশ্বসাহিত্যে আজও
” সাবয়ে মুয়াল্লাকাত “বা ‘ঝুলন্ত কবিতা
সপ্তক ’ সবিশেষ শ্রেষ্ঠ গণ্য করে নিতো।

আরবের সব সাহিত্যকে করে দেয় দূর
আল্লার রাসূলের কাছে অবতীর্ণ আল
কুরআনেরই অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভাষা সাহিত্য
সবার ওপরে আল-কুরআন স্থান করে
নেয় প্রথম দিকেই যে সব কবি ইসলাম
গ্রহণ করেন তাঁরা কুরআনি সাহিত্যের
ভাবগাম্ভীর্য রচনাশৈলীতে হন বিভোর।

কবিতা রচনা করাও গৌণ বিষয় ছিল
তাঁদের কাছেও আল্লাহর নবী মানুষের
জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক যেন উভয়
জগতের জিজ্ঞাসার জবাব নিয়ে এসে
ইসলাম যেন মানুষের বাহ্যিক আত্মিক
উভয় অঙ্গনের খোরাক দিতেও সক্ষম
তার উদাহরণ পেশ সবক্ষেত্রে করা হল।

কাব্য-সাহিত্যে এর উদাহরণ সত্য দীপ্ত
যে কা’ব বিন জুহাইর ইসলাম গ্রহণের
পূর্বে তার ক্ষুরধার কবিতাতে রাসূলের
কুৎসা রটনা করে রাসূলের পক্ষ থেকে
মৃত্যুর পরওয়ানা পেয়েছিলেন তিনি ই
আবার ক্ষমার আধার মহা নবীর চরণ
তলে এসে তাঁর প্রশংসাতে রয়নি গুপ্ত।

Similar Posts

  • গরমের তীব্রতা !

    গরমের অতিরিক্ত তাপঘরে বাহিরে কত মানুষঅসহ্য যন্ত্রণাতে ভোগেঅনেকে আরো বলছেকি উষ্ণতা বাপরে বাপ! অস্বাভাবিক তেজ যারমাঠে ঘাটে ক্ষেতে আরখামারে দারুণ কষ্ট সহ্যকরে নির্ধারিত অবস্থানদখল করছে যার তার। দুর্ভোগের কতো জ্বালাপ্রখর রোদের তীব্রতায়মাথার ঘাম পায়ে ফেলেঅসহনীয় যাতনা ভোগকরছে কাজে নেই হেলা। অসহায় দিন মজুর যতঅসহনীয় দুর্গতি আরোব্যথা বেদনায় জর্জরিতহয়ে অনেক লোক কিন্তুশোকে দু:খে আছে শত!

  • মহিমা

    আশা আকাঙ্খা নিয়ে সব বেঁচে রয়বর্তমানে যা কিছু আছে আগামীতেযেনো এর থেকে আরো অধিক হয়। ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে যত কষ্ট হবেতপস্যা ও সাধনায় সফল হয়ে গেলেফলাফল সম্পুর্ণ রুপে ভোগতে রবে। জন্মের পর মা বাবা অপেক্ষায় থাকেশিশুটি বড় হয়ে সু শিক্ষা লাভের পরসকল সুনাম যেনো বর্ধিত করে রাখে। সন্তান সু শিক্ষিত হলে যে কত গৌরবব্যক্তি পরিবার…

  • রে পাষাণ !

    রে পাষাণ তোর কি কোনই দয়া মায়া নেইএতো করে তোকে বলার পর তুই এখনোঅবহেলা করেই যাচ্ছিস আগের মত যেই! দেখো এ পৃথিবীতে কেহই দীর্ঘ স্থায়ীযে নয়অনাদর আর অবহেলা করতে পারিস তুইউদরের সন্তান হয়ে বেখবর ইহা কিরে সয়! ছোট ছিলে যবে আদর দিয়ে রেখেছি বুকেকত কষ্ট উপেক্ষা করে মায়া মমতায় ভূলেযেতাম দুঃখ দুর্দশা যতই চেয়ে তোর…

  • সর্বনাশা নদীরে !

    ঘুরে বেড়াই পুরো দুপুর পারে পারেকোথা থেকে আসছো তুমি কোনোমিলনমুখে বয়ে-যাওয়া কতোখানিগভীরতা এসব বিষয়েই বিষদভাবেজানতে আমি জিজ্ঞেস করি কারে? উদ্‌গত এ ঢেউ তোমার বুকেতে রয়আন্দোলিত করে কত ভালো লাগেমাছের চঞ্চল মুদ্রার মতো উচ্ছলতাঅঞ্জলিতে ভরে নিলে জল কোথায়গিয়ে তাও একদম যেন অদৃশ্য হয়! বসে ই থাকি তোমার উষ্ণ বালুতটেআর সেথা ওপর থেকে বালু সরালেএকটি স্তর উঠে…

  • অধিক সুখ

    কখনো মানুষ থাকতে চায়না একাযখন তার দুঃখ গুলো কেউ বুঝারচেষ্টাও করে না তখন সে নিজেকেঅন্তরালে রয় হতেও দেয়নি দেখা। অন্যের কাছে প্রকাশ করতে নেইনিজের দুঃখ টুকু এতে মজা নেবেসময় মত সব উপহাস করবে আরসুযোগ পেলে আঘাত করবে সেই। জল যেমন একদা বরফ হয়ে যায়অধিক ঠান্ডা হতে হতে ঠিক তেমনএকটা মনও পাথর হয়ে যায় যখনঅন্তরের মধ্যে…

  • চোখের পানি

    এমন কথা কাহাকে বলো নাযাকে পরে সরিও বলতে হয়এমন করে দুরে টেলে দিওনাদু:খ কষ্ট তার মনে লেগে রয়। কেউ স্নেহ পাওয়ার যোগ্য যততার থেকে তাকে অধিক যদিমহব্বত করো নিশ্চিত তাহলেরবে সীমাহীন যাতনা নিরবধি। আমাদের সবার চোখের পানিদামী কারণ কতো ধরনের ইহাথাকলেও একমাত্র এ পানিতেবোঝা যায় হারানোর কষ্ট যাহা। কতো আছে চাওয়ার পাওয়ারকষ্ট লুকিয়ে না পাওয়ার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *