ভবঘুরে

মানুষের জীবন কতই যে কঠিন,
নিয়মের ই যদি না করে রুটিন।
বিচিত্র জীবনের ঘটনা যে কত,
প্রমাণ মিলবেই সকল শত শত।
সুখ আরাম উল্লাস ও আনন্দ,
কান্না বেদনা, দুঃখ নিরানন্দ।
কার ললাটে কখন কিযে ঘটে,
আল্লাহ তায়ালার হুকুমে বটে।
সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বয়ে যায়,
বহুলোক কূল কিনারা না পায়।
জীবন খরস্রোতা নদীর মতো,
গুরুত্ব সহ কাজে লাগায় কত।
পাখির ন্যায় কেউ বেড়ায় ঘুরে,
কর্মহীন ভবঘুরে যায় যে দূরে।
বর্তমান অতীত ভবিষ্যৎ কাল,
অনেকেই ধরে আনন্দের পাল।

Similar Posts

  • দারিদ্র্য যত সমস্যা

    দারিদ্রেতায় মানবতাবোধ লোপ পায়হিংস্রতার প্রসার হয় অন্যায়-অবিচারবিস্তৃত আরো রক্তের সম্পর্ক দূরে যায়। মানুষ তার সন্তানকে তারা বিক্রি করেঅভাব অনটন দুঃখ কষ্টে বেশী ভোগেহত্যা পর্যন্ত করার আরো যত পথ ধরে। জীবনে রক্তশূন্যতা সদৃশ দারিদ্র্য হলমানুষের দেহ আর মনের রোগ ব্যাধিকষ্ট অশান্তি বেড়ে আরাম চলে গেল। অর্থ-সম্পদ দেহের জন্য কাজ করেসুখ সাচ্ছন্দ্য আরাম আয়েশ যত যাঅর্জন সহ…

  • বেয়াড়া ছেলে !

    এক ছেলে খুব বেয়াড়া ছিলোতার মা বাবাকে খোদা তায়ালাঅনেক উপাসনায় তারে দিলো! ছেলেটির ছিলনা বোন বা ভাইধরণীতে সুখ দু:খের অংশীদারপিতা মাতা ব্যতীত কেহই নাই! ছোট বেলা হতে অনেক ত্যাগীসামান্য কিছুতে সে রেগে বেগেঅগ্নি সদৃশ হতো ছিল যা রাগী! ছুটছে তো ছুটছে কতো বেগেকিছু মুখে না দিয়ে সংগ পেয়েচলে যাচ্ছে সবার আগে বাগে! তার মা পিছু…

  • নতুন ফর্মুলা

    জিনিসের দাম বাড়ছে ভাবনা নেই তাতেসব সামাল দিতে হয় একা নিজের হাতে। কতো নতুন পদ্ধতিতে শিখানো হয় রান্নাবলুন দেখি সত্য করে কারা ইহা চান না? সবার জন্যে বক্তব্যে প্রকাশ করেন তারাকত সুন্দর বলেন রাদ’তে পেঁয়াজ ছাড়া। যখন তেলের মূল্য নিয়ে চললো বলাবলিমিডিয়ায় সাক্ষাৎকার নিলেন খোলাখুলি। আরো ক’দিন পরে পাবে না বাজারে মুলাতখন হয়ত প্রকাশ হবে…

  • সে অসুস্থ !

    সামান্য লিখে যাইমোর ছোট নাতনিঅসুস্থ হয়েছে তাইঅন্তরে শান্তি নাই! ওর হলো সর্দি জ্বরশরীরে সুখ আরামআয়েশ প্রশান্তি নাইথমকেছে কণ্ঠ স্বর! আরো আছে কাশিকখনো কমে আবারবাড়ে অশান্তি লেগেবেশী নেই হাসি খুশী! আমরা প্রার্থনা করিনাতনীর সুস্থতা দানকরার জন্যে একত্রেসবে আল্লাকে স্মরি!

  • ফাল্গুনি

    বসন্তের বাতাস মনোমুগ্ধকর হয়ে জুড়ায় সবার প্রাণঝরে পড়ছে গাছ থেকে পুরাতন যতোনা ধূসর পাতাআর বদল করে তার জায়গা সবুজ কিশলয়ের ঘ্রাণ আগমনেআচানক কোথাও উঠছে কোকিল ডেকেরঙ-বেরঙের ফুলে আর ফলে বাগান গুলো ভরে দীর্ঘশীতের কুয়াশা মোড়ানো প্রান্তর পাড়ি দিয়েছে ফাঁকে। অবশেষে আমাদের দোরগোড়ায় এসে গেছে ফাল্গুনএসেছে ঋতুরাজ বসন্ত গাছ গাছালীরও ঝরে পড়াশুকনো পাতা কুড়িয়ে শিশুদের দল…

  • স্বর্ণালী দিনগুলো

    ক্লাসের সহপাঠীদের সাথে উঠত মেতেসকলে যত বসত দুপুরে টিফিন খেতেবিদায় বেলায় এসে তাই কারোরই যেনএকটু মনও চায় না স্কুলটি ছেড়ে যেতে। প্রত্যেকেরই মনে হয় যেন কম ও বেশিকখনোও একটু আধটু হতো কিল ঘুষিছোট থাকলেতো সকলই থাকতো খুশিপড়াশোনার ফাঁকে হত যা দোষা দোষী। এছাড়াও বিশেষ কিছু আরও অনুভূতিমনের চারপাশে ঘোরা ফেরা করে গতিউঠতে পারে না তো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *