হৃদয়ের দুয়ার খোলা !

আমার প্রিয় বন্ধু যদি আমি হতাম সুখ
তাহলে তো আমার স্নেহের মানুষটাকে
কখনোও স্পর্শ করতে দিতাম না দু:খ!

আরো যদি একান্ত শুধু তোমার হতাম
তাহলে এ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম
যত ভালবাসা তোমায় উপহার দিতাম!

যখন এক ফোটা জলও চোখের পড়ে
লক্ষ্য করলে সে জলের ফোঁটা তখনো
দেখবে কেবল যেন তোমার জন্য ঝরে!

মনের কথাই বোঝোনা তাই আমি বলি
শত আঘাতের পরেও যেনো তোমাকে
ভালবেসে আমার বাকিটা জীবন চলি!

ওই দূর আকাশের তারা যদি তুমি হতে
আমিও হতাম রাতের চাঁদ ভালোবেসে
রেখে দিতাম ঐ হাত দু’টো মোর হাতে!

সুখগুলো হৃদয় হলে আমি দিতাম হাসি
যে হৃদয়ের দুয়ার আছে সে দুয়ার খুলে
চিৎকার করে বলতাম কত ভালোবাসি!

Similar Posts

  • শৈশব

    হাঁটি হাঁটি পা পা করে,কোথাও কিছু না ধরে।চলতে শিখেছি আমি,ফেলে যেওনা তুমি।পারবেনা যেতে একা,গেলে হতে পার বোকা।আমি কিন্তু বুঝতে পারি,করবনা মোরা মারামারি।চলবো হাতে ধরাধরি,করতে যাবনা জুরাজুরি।থাকবো করে গলাগলি,উড়াবোনা ধুলোবালি।একত্রে চলবে খাওয়া,থাকবেনা বেশী চাওয়া।মিলেমিশে মোরা পড়ব,সুন্দর জীবন গড়ব । তাপদাহবইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয়…

  • এসো হে বৈশাখ

    পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালী উৎসবে মেতে উঠেজাতীয় জীবনের অন্যতম ইহা একটি দিনবাঙ্গালী জাতি দল-মত নির্বিশেষেই অনেকঅনুষ্ঠান করে আনন্দ ও উল্লাস আরো ঘটে। প্রাচীনকাল হতে বৈশাখের চলছে উদযাপনপহেলা বৈশাখ এক সময় গ্রামীণ জীবনেরঅংশ থাকলেও বর্তমানে গ্রাম আরো শহরউভয় স্থানে সমানভাবে পালিত হয় অনুষ্ঠান। গ্রাম কয়েকটি মিলে করা হয় বৈশাখী মেলাপণ্যের দোকান সেথায় হরেক রকম থাকেশিশুদের নাগর দোলা…

  • জ্বালায় আলো !

    সেই সত্যিকার বন্ধু যে সঙ্গে থাকেবিপদে এগিয়ে রয় সময়ের ফাঁকে। কল্যাণের জন্য নিজের ক্ষতি করেঅসুখ বিসুখ হলে সে জড়িয়ে পড়ে। অবস্থা কখন কোন শোচনীয় হলেতখন আরাম বিসর্জন দিয়ে মিলে। দুঃখে নিজের খেয়াল রাখতে পারেআন্তরিকতার ফলে সব কিছু সারে। আনন্দ পুরোটাই ভোগ করতে চাওঅন্য কাহারো সঙ্গে ভাগ করে নাও। বন্ধুত্ব হওয়া যতো ধীরে ধীরে ভালোঅন্তরংগ হলে…

  • অনাকাঙ্ক্ষিত !

    বর্তমানে কতো কি যে ঘটেমানুষ গড়ার কারিগর আরপরম সম্মানিত শ্রদ্ধাভাজনশিক্ষকদের ললাটে কখনোঅনাকাঙ্ক্ষিত যতো জুটে ! তাঁরা শ্রদ্ধাশীল মোরা জানিকঠোর পরিশ্রম ও সাধনারসাথে স্নেহ মমতা দিয়ে সবেউপযুক্ত শিক্ষা দেন এজন্যছাত্র -ছাত্রী হয় জ্ঞানী গুনি! নতুন প্রজন্মে তাঁদের ক্ষেত্রেঐসব থাকেনি অনেক সূত্রেছাত্র -ছাত্রী যত বিদ্যালয়েরমাঝে গ্রুপ বেঁধে চলে কতোকিছু তার ফোটে উঠে চিত্রে! সামান্য কিছুতে বেরিয়ে যায়শিক্ষকদের…

  • জ্বরে থর থর !

    আমার নাতনিটির প্রচণ্ড জ্বরকতো যন্ত্রণাতে কাঁপে থর থর! ডাক্তারের কাছেও নিয়ে গেলেতার অধিক জ্বর ডাক্তার বলে! ঔষধ পথ্যও তখন আনা হলেরীতিমত সেবন যার নাহি চলে! নিয়ম মাফিক সেবন করে নাফলে দেহে শান্তি তো পায় না! জ্বরের সাথে সর্দি আর কাশিকষ্ট করছে দিবা আরো নিশি! অসুখে ভোগে তার স্বাস্থ্য হীনঅশান্তিতে চলছে ই রাত্র দিন! খেলা ধুলাতে…

  • স্নেহে ভরা !

    আল্লাহর প্রশংসা যতোআদায় করলে শত শতউদ্ধার করবেন অবিরত! যেথা সেথা মানুষ জনেকরি স্মরণ দিল-ইমানেনুরনবি পাক্‌ পাঞ্জাতনে! যতো পয়গাম্বর ওলি নবিমানবকুলের প্রানের ছবিখুশী থাকলে পাবো সবই! খোদা রাসুলের পথ ধরেমাতা পিতা ও ওস্তাদেরেস্মরণ করোই বারংবারে! পৃথিবী তো মায়ায় ঘেরাসামান্য দিন ঘোরাফেরাকখন চলে যাবো মোরা! আল্লাহরই পাক দরবারেছোট আর বড় সহকারেমুক্তি চাইগো করজোড়ে! সৃষ্টি কর্তার অসীম মায়াগোনাগার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *