মুখে দুর্গন্ধঃ

মুখে দুর্গন্ধ, যা করলে ৫ মিনিটে কমে যাবেঃ

 মুখে দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। দিনে দুবার ব্রাশ করার পরও,

দুর্গন্ধ যেন থেকেই যায়। মুখ ঢেকে কথা বলা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।  

কারও সঙ্গে মুখো মুখি কথা বলতে গেলে বিব্রত লাগে, হাসতেও পারেন না প্রাণ খুলে।

আপনাকে নিয়ে কে, কি ভাবছে? এসব চিন্তা করে,

সব সময় মনে একটি চাপা ভয় যেন থেকেই যায়।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া ৫ টি উপায়ঃ

অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। মুখের দুর্গন্ধ নিজের জন্য যেমন বিরক্তিকর,

তেমনি আশ পাশের মানুষের জন্য বিরক্তিকর।

তাই মুখের দুর্গন্ধ অবশ্যই দূর করতে হবে। 

হয়তো আপনি মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন।

শরীরের জন্য এটা ক্ষতিকর না হলেও শরীরের নানা সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

আর  অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলে মুখের দুর্গন্ধ অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মুখের দুর্গন্ধের পেছনে কারণ হতে পারে মুখ গহ্বরে বা পেটে জন্মানো জীবাণু।

আরও একটি কারণ হতে পারে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়া। 

জেনে নেই মুখে দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়ঃ

০১.দিনে অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে। কারণ খাবারের কণা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকে।

আর খাবারের জন্মানো জীবাণু পরে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

তাই প্রতি বার খাবার খাওয়ার পর বা দিনে অন্তত দুবার দাঁত মাজতে হবে। 

০২. জিভ পরিষ্কার করতে হবে। দাঁত মাজলেই যে মুখের সব জীবাণু চলে যাবে, এমন নয়।

প্রতি বার দাঁত মাজার সময় জিভটাও পরিষ্কার করুন। 

০৩. ধূমপান ছাড়ুন। ধূমপানের কারণে মুখে মারাত্মক দুর্গন্ধ হতে পারে।

কারণ এতে মুখের ভেতর শুকিয়ে যায়। আর মুখের মধ্যে,

জন্মানো জীবাণুর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

 ০৪. ক্ষত সারান, মুখের ঘা বা ক্ষতের কারণে দুর্গন্ধ হয়।

শরীরের রোগ প্রতি রোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে এই আলসার দ্রুত সারে। 

০৫. ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এসব ছাড়াও আরও,

নানা রকম কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

তাই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করেও ফল না পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

Similar Posts

  • থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রণের উপায়

    থাইরয়েডের সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়ই ভুগতে পারেন। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ১০০০ নারীর মধ্যে অন্তত ১৫ জন ও, ১০০০ পুরুষের মধ্যে ১ জন করে থাইর- য়েডের সমস্যায় আক্রান্ত। থাইরয়েড শরীরের এক বিশেষ গ্রন্থি। এটি স্বর যন্ত্রের দু’পাশে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি দেখতে প্রজাপতির মতো। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ হলো, শরীরের কিছু অত্যাবশ্য কীয় হরমোন (থাইরয়েড হরমোন) উৎপাদন করা।…

  • লিভার ফেইলিউর রোধে ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণ জরুরিঃ লিভার ফেইলিউরের ভয়াবহতা, চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে লিভারের কার্য- ক্ষমতা যখন কমে যায় অথবাশরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী যখনই ইহা কাজ করতে পারে না তখনই ইহাকে লিভার ফেইলিউর বলা হয়।  একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ এক) আকস্মিক ফেইলিউর,  দুই) দীর্ঘমেয়াদি ফেইলিউর,  তিন) দীর্ঘমেয়াদি আকস্মিক ফেইলিউর। আর…

  • ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে নতুন হাতিয়ার

    মানুষ হাসপাতালে যায় শরীর সারাতে৷ সেখানে গিয়েই যদি নতুন জীবাণু শরীরে ঢোকে এবং কোনো ওষুধ কাজে না লাগলে কী করা যায়! এমন মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া খতম করতে নতুন এক প্রক্রিয়ার পথে এগোচ্ছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা৷ অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ যে সব জীবাণুর ক্ষতি করতে পারে না, হাসপাতালে সেগুলি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ জীবাণু কোথায় নেই! বিশেষ করে ঠিকমতো হাত…

  • স্ট্রোক যেসব পদক্ষেপ রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে

    স্ট্রোক একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা এবং দ্রুত এর চিকিৎসা শুরু করা না গেলে রোগীকে পঙ্গুত্ব বরণের পাশাপাশি তার মৃত্যু পর্যন্ত পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া গেলে রোগীর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। স্ট্রোক কিভাবে বুঝবেন? স্ট্রোকের সাথে অনেকে হার্ট অ্যাটাককে মিলিয়ে ফেলেন। কিন্তু দুটি বিষয় সম্পূর্ণ…

  • বিশ্বে যেসব কারণে মানুষের মৃত্যু হয়

    সারা পৃথিবী জুড়ে মানুষ গড়ে তুলনামূলক বেশি সময় বেঁচে থাকছে। ১৯৫০ সালে, বিশ্ব ব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ছিল মাত্র ৪৬বছর। ২০১৫ সালের মধ্যে এটি বেড়ে ৭১ বছরে দাঁড়ায়। কিছু দেশের পক্ষে এই অগ্রগতি এতোটা সহজ ছিল না। নানা ধরণের রোগ, মহামারী এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা অনেকের এই গড় আয়ুর ওপরে প্রভাব ফেলেছে। সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক…

  • দাঁতে গর্ত হলে

    দাঁতে গর্ত এবং মাঝে মধ্যেই ব্যথা হলে ;দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। ফেলে রাখলেই ছড়িয়ে যায় দাঁতে সংক্রমণ। যা প্রাণ সংশয়ও ডেকে আনতে পারে। এমনিতেই দীর্ঘ দিন ধরে দাঁতের সমস্যা ফেলে রাখলে অনেক বিপত্তি।  তাই যদি ডাক্তার বলেন দাঁত তোলা কিংবা রুট ক্যানাল (Root Canal Treatment),করা ছাড়া কোনও উপায় নেই তাহলে দেরি করা মানে জেনে বুঝে বিপদ ডেকে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *