পথশিশু

পথশিশু বাংলাদেশে আছে তারা যত,
ঝুঁকির মধ্যে তারা আছে অনেক শত।
থাকেনা যে সুযোগ তাদের বাসস্থানের,
অসীম কষ্ট করে ঠাই পায়না সংস্থানের।
জীবনে নেই যে তাদের কোন নিরাপত্তা,
জীবন বিষর্জন দেয় করে আত্নহত্যা।
পথশিশু কখনো পর্যাপ্ত পায়না খাদ্য,
ভক্ষণ করে যেন সবে অখাদ্য কুখাদ্য।
কোন কিছুর নেই যে অধিকারে তারা,
সর্বস্থানে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে যারা।
অর্থনৈতিক নিপীড়ন ও অনেক তাদের,
মাদক অপরাধে জাড়ানো হচ্ছে যাদের।
আরো তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন,
ঝুঁকি থাকছে রাস্তাঘাটে শত জালাতন।
অজস্র অর্থনৈতিক নিপীড়নে জড়ায়,
অবৈধ মাদক পাচারে অপরাধে গড়ায়।
তাদের কাজে না এনে স্কুলে দিতে পারি,
শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ যেন মোরা গড়ি ৷

Similar Posts

  • যৌতুক কলঙ্ক !

    বাংলাদেশের জন্যে যৌতুক প্রথাকলঙ্ক উপমহাদেশে শুরু থেকেইযৌতুকের প্রচলন ছিল যথাতথা। ভারত মহাদেশ হতে এর প্রচলনমূলত: বাংলাদেশে চলে আসছেএর বিরুদ্ধেও হচ্ছে আনদোলন। শারীরিক মানসিক নির্যাতন চলেপুরুষদের যৌতুকের দাবিতে এরফলে নারীদেরই শান্তি নাহি মিলে। মোটা অংকের টাকাও দাবি করেপুরুষরা বিবাহের পূর্বে আর পরেযা চলছে গ্রাম ও শহরাঞ্চল ধরে। যদিচো যৌতুক দিতে অক্ষম হয়নারী কিংবা নারীর পরিবার তবেঅমানবিক…

  • খুশির মাত্রা

    তুমি ও যাবে সাথে আমারযেথায় আছে সাথী তোমার। আমরা আরো সকল যারাশীতের পিঠা খাবো মোরা। গল্প গুজবের ব্যস্ততায় রবপিঠা ছাড়া কত নাস্তা নিব। হাসি তামাশায় লেগে  যাবআনন্দ খুশিতে মজা পাব। পরেই নৌকায় করব যাত্রা ছাড়িয়ে যাবে খুশির মাত্রা। বহু দিন পরেই নৌকা ভ্রমণ ফুর্তি উল্লাসেই করব গমন। দুপুর গড়িয়েও সন্ধ্যা বেলাযাত্রায় হবেনা হেলা ফেলা। সন্ধ্যায় প্রত্যাবর্তন যে…

  • চিটিংবাজ

    চিটিং বাজদের দৌরাত্ম কততাদের বাটপারির পথও শত।ওদের ধান্দাই অসংখ্য থাকেকষ্টে ফেলে সুজুগের ফাঁকে।হারামীও ধান্দাবাজের ফন্দিখল মিথ্যা কথায় করে বন্দি।আখেরাতের তাদের নেই ভয়কেবল উদর পূর্তি করলে হয়।সকাল অবধি তাদেরই ধান্দাঠকায় যত সহজ সরল বান্দা।সাধু বেশী বাটপারদের ই দলমিলে খায় যতো অবৈধ জল।নির্লজ্জ বাটপারও চিটিংবাজযখন তখন যত পাল্টায় সাজ।ভয়ংকর তাদের ফাঁকির ফাঁদভেল্কি বাজিতেই লাগায় তাজ।হারামখোর আরো দাপট…

  • সাধন ভজন

    আচানক নামটি তাঁহারআরো কত বছর আগেঅসীম পারদর্শী ছিলেনধ্রুপদ সংগীত সব রাগে। সুনাম আর খ্যাতিতে নামকতো করেছিলেন অর্জনকিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলোযেনো মেঘের মত গর্জন। খুব ভোরে বা সাঁঝে যখনসাধন ও ভজন হতো শুরুভাবতে হতো বরষার মেঘডাকছে অনেক গুরু গুরু। এতোও অধিক উচ্চে ওঠেকারো গলার কতো কাজশেষে প্রবচনে বলে তাকেযত জোরেসুরে আওয়াজ।

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

  • কতো স্নেহ !

    আমি যে তোমাকে কতো স্নেহ করিতাইতো সুখে ও দু:খে একে অন্যকেসমানভাবে ভাগাভাগির সুযোগ ধরি। সারাটি জীবনভর রাখব সাথী করেচেষ্টায় আছি সম্পর্ক গভীর রাখতেএকত্রে থাকতে পারবো জীবন ভরে। আমাদের থাকবে ছোট্ট খেলার মাঠযেখানে বন্ধু বান্ধব তুমি আর আমিএকত্রে খেলা শেষে যাব পুকুর ঘাট। সেথা হাত পা ও মুখ ধৌত করে সবেকর মর্দন আরো বিদায়ী শুভেচ্ছাসহবাড়ির দিকেতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *