বৃষ্টির জল

ফুটা ফুটা বৃষ্টি,
জমে হয় সৃষ্টি।
অথই জলরাশি,
নাবিকের হাসি।
কত নদী সাগর,
আরো মহাসাগর।
পুকুর বিল খাল,
নৌকায় ও পাল।
মাঝি ধরে হাল,
জেলে বায় জাল।
আনন্দ সীমাহীন,
চলছে বাধাহীন।
কত যেন মধুর,
যায় তারা বহুদূর।
অজানা দেশে,
উদাসীন বেশে।
দূর কত দূরান্তর,
অচীন তেপান্তর।

Similar Posts

  • সুফল

    নীরব নিস্তব্ধে ফায়দা কতোএতে কোনো মানুষের সাথেকেউ ঝগড়া করে না আরোকারো মনে কষ্ট হয়না ফলেঅসংখ্য মুনাফা মিলে শতো। কোন লোক চুপ থাকে যতোকখনো দুঃখ পায়না নালিশআরো সমালোচনা করে নাসকলের ভালো লাগার জন্যপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় শতো। কথা বলা শিখতে শুরু করেমানুষ অনেক অনেক আগেযবে ওরা জানতো না বলারচেয়ে চুপ থাকা অধিক ভালএর পর গুরুত্ব বুঝতে পারে।…

  • যার জ্বালা সে ই জানে

    অসংখ্য মানুষ তাদের নিজ যন্ত্রণায় ভোগেকেউ সাময়িক অনেকেও ভোগে যুগে যুগে!শারীরিক অসুস্থ অসংখ্য ও অগনিত লোকতাদের রয়েছে অসহনীয় কষ্ট আরো দুঃখ!রোগ শুকের অশান্তিও জ্বালাতন সহ্য করেওদের অসুখের তীব্র যন্ত্রণার সীমা না ধরে!সীমাহীন অসুখ বিসুখ আরো দুর্দশা যাদেরশরীর অশান্তি এবং দুর্বিষহ অবস্থা তাদের!মানষিক ব্যাধিতে আরোও জর্জরিত যারাবিকারগ্রস্ত অস্বাভাবিক ভাবেই চলে তারা!ওদের আচার আচরণেই রয় ব্যতিক্রম যতঅনুভূতি…

  • জ্বরে থর থর !

    আমার নাতনিটির প্রচণ্ড জ্বরকতো যন্ত্রণাতে কাঁপে থর থর! ডাক্তারের কাছেও নিয়ে গেলেতার অধিক জ্বর ডাক্তার বলে! ঔষধ পথ্যও তখন আনা হলেরীতিমত সেবন যার নাহি চলে! নিয়ম মাফিক সেবন করে নাফলে দেহে শান্তি তো পায় না! জ্বরের সাথে সর্দি আর কাশিকষ্ট করছে দিবা আরো নিশি! অসুখে ভোগে তার স্বাস্থ্য হীনঅশান্তিতে চলছে ই রাত্র দিন! খেলা ধুলাতে…

  • মোবাইল ফোন

    মোবাইল ফোন ব্যবহার কারীর কত বেড়েহার্ট অ্যাটাকের আশংকা রক্তচাপ মেজাজখিটখিটে হয়ে ক্ষুধা ও দূরে পালায় তেড়ে। মোবাইল ফোন ব্যবহারে সব শিশুদের জন্যস্ক্রিনের রেডিয়েশন মারাত্মক ক্ষতিকর আরমস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত করারও ইহা এক পণ্য। ” আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ ” বলেশিক্ষার্থীরা ও মোবাইল ফোনে আসক্ত হলেতাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকারে যাবে চলে। আবশ্যক তাই কিছু পদক্ষেপ ও গ্রহণ…

  • বার্ধক্যের ছাপ

    পৃথিবীতে কোনো মানুষেরইবয়স হয়ে যায় চল্লিশ যখনসত্তর হলে সব কিছু অতীতবার্ধক্যের প্রতীক পড়ে তখন। মনে হবে বয়সে আসলে যেনশরীরে কাহারো সুস্থতা থাকেসংখ্যা মাত্র বেড়ে গেলে ক্রমেবিশেষ সমস্যা হবে না ফাঁকে। কে কত দিন থাকবে জগতেকেউ কখনোই জানতো যদিতাহলে সবে নিজের ভালোটিপরিচর্যা করে যেতো নিরবধি। একাকীত্বের সময়টা ভোগারনিমজ্জিত হয়ে হতাশার গাঙেবার্ধক্য যেনো আজন্ম লালিতবিশ্বাসে বার্ধ্যক্য পৌঁছে…

  • সহযাত্রা

    চল, চল, চলরে তোরা ,একসাথে যাইরে মোরা।এখন নাইরে কোন বৃষ্টি ,পথ চারীরা দিল দৃ্ষ্টি।হাঁসগুলো দিঘির জলে ,সাঁতার কাটছে মনের বলে।রাস্তায় চলছে ঘোড়ার গাড়ি ,জন-মানব দিচ্ছে পাড়ি।হাট বাজার করছে যারা ,কোলাহলে পড়ছে তারা।দলে দলে গল্প জোটের ,বিকি দিচ্ছে বাদাম বুটের।সায়াহ্নে সব ফিরছে বাড়ি ,কেউ বা যাচ্ছে দিয়ে গাড়ি।রঙ্গ বেরঙ্গের সবকিছু ই ,ভোগ করেছি মোরা।প্রার্থনা ও নৈশভোজ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *