শুরগুল

     

পাশের বাড়িরই কলিম
তার বন্ধুর নাম ডালিম।
সর্বদা যে একত্রে চলে
সুখ দুঃখের কথা বলে।
বিকেলেও মাঠে খেলে
অপুকে সে দেয় ফেলে।
অপু তার খেলার সাথী
কখনো হয় হাতাহাতি।
নিমন্ত্রনে ও সকল যায়
কত কিছু সেথায় খায়।
দাওয়াত বিয়েরই ছিল
বন্ধু বান্ধব কতই পেল।
বিয়েতে অসীম শুরগুল
মস্ত বড়ো আর হুলস্থুল।
কেউ যে হাটাহাটি করে
কেউবা সুন্দর গল্প ধরে।
জামাই বাবু বসে আছে
আত্নীয় বসেছেন পাশে।
বিয়ের আসর যা গরম
হৈ হুল্লোড়ের নাই শরম।
মেহমানদের খানা শেষ
শুরু হলো বিদায় রেশ!

Similar Posts

  • ব্যতিক্রম !

    এ জগতে কতো ব্যতিক্রম চলেদেখা যায় রাস্তা ঘাটে বের হলেছোট বড় যুবকও অনেক মিলে। আজব থাকে তাদের ভাব ভংগীপরনেই রয় সার্ট প্যান্ট বা লংগীসাথে রয় আরো অসংখ্য সংগী। তারা আশে পাশে অগনিত রয়তাদের বল শক্তি খুব বেশী হয়নিরীহ মানুষ যত নির্যাতন সয়। বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বি আছে যতোঅবজ্ঞা করেই তারা চলে ততোআনকোরা আনাড়ি শত শতো। অনেকের দিন…

  • মাফি পাবো !

    আল্লাহ পাক তুমি সর্বশক্তিনেই আমার শত ভাব ভক্তিকরুনায় দাও আমায় মুক্তি! ভক্তিতে যেজন করে স্মরণপুরা করো তারই আকিঞ্চনতোমার নামেতে দিও মরণ! বিনয়ে যে ডাকে তুমি তারঅধম আমি শত পাপ যারভব সাগরে করে দাও পার! আমি যেনো অতি মূঢ়মতিখোদা দয়া কর মোর প্রতিহে দয়ার ভান্ডার বিশ্বপতি! বিস্তৃত আছো ধরনী ব্যাপিআমি গুনাগার পাপী তাপীভরসায় আছি পাবো মাফি!

  • ভীরু মরোমরো

    যায় না এক দু মিনিটে এমন নিয়ম জানা লেখাতেমন কতো যেন বর্ণচোরা অনেক আছে দেখা। অসংখ্য গদ্য আরো পদ্য দিয়ে সবার হৃদয় ভরোও ভাই আমরা যেন হেঁজিপেঁজি ভীরু মরোমরো। এতো ঢং ঢাং সবই ছেড়ে দিয়ে পদ্য লেখো কবিনির্বিঘ্নে গদ্য আর পদ্য দিয়ে আঁকো মনের ছবি। যদি কভু কাটেই ছড়া কোনো আনাড়ীদের দলআজ বুঝাবো মজা তাদের…

  • এসো হে বৈশাখ

    পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালী উৎসবে মেতে উঠেজাতীয় জীবনের অন্যতম ইহা একটি দিনবাঙ্গালী জাতি দল-মত নির্বিশেষেই অনেকঅনুষ্ঠান করে আনন্দ ও উল্লাস আরো ঘটে। প্রাচীনকাল হতে বৈশাখের চলছে উদযাপনপহেলা বৈশাখ এক সময় গ্রামীণ জীবনেরঅংশ থাকলেও বর্তমানে গ্রাম আরো শহরউভয় স্থানে সমানভাবে পালিত হয় অনুষ্ঠান। গ্রাম কয়েকটি মিলে করা হয় বৈশাখী মেলাপণ্যের দোকান সেথায় হরেক রকম থাকেশিশুদের নাগর দোলা…

  • সর্বোত্তম

    জগতে যত প্রকার জ্ঞান আছেতার মধ্যে সর্বোত্তম হলো যাতেনিজেকে চেনা যে একবার ঠিকমতো চিনতে পারে ইহ জগতেরশত জ্ঞান বাকি রইবে না পাছে। সবার আগে এ গুরুত্ব দিতে হবেনিজের মাপ ও মান বুঝে’ নিজেঠিক তো জগৎ ঠিক ‘ প্রবাদেরমতোই নিজের ব্যক্তি ও স্বাতন্ত্র্যবজায় রেখে এগিয়ে যেতে রবে। সত্যিকারের জ্ঞানী হওয়ার পথেএগুনো সম্ভব তখনই যখন সবাইজানবে যেন…

  • স্বার্থ দিয়ে বলি

    ধরায় কত যেন আছেঅনেকে অবস্থান করেসুন্দর ও সাবলীলভাবেবহু যে রসাতলে গেছে। সহজ সরলভাবে চলেসৎ সত্যনিষ্ঠ ও সঠিকপথটি পার হয়ে গেলেমনে যত প্রশান্তি মিলে। আমরা মানুষের তরেঅন্যের হিতার্থে সবাইকাজ করে গেলে সুখশান্তিতে জীবন ভরে। সকলে স্বার্থ দিয়ে বলিপরের কল্যাণের জন্যখোদা পাকের আদেশনির্দেশ মেনে যেন চলি!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *