শৈশব
হাঁটি হাঁটি পা পা করে,
কোথাও কিছু না ধরে।
চলতে শিখেছি আমি,
ফেলে যেওনা তুমি।
পারবেনা যেতে একা,
গেলে হতে পার বোকা।
আমি কিন্তু বুঝতে পারি,
করবনা মোরা মারামারি।
চলবো হাতে ধরাধরি,
করতে যাবনা জুরাজুরি।
থাকবো করে গলাগলি,
উড়াবোনা ধুলোবালি।
একত্রে চলবে খাওয়া,
থাকবেনা বেশী চাওয়া।
মিলেমিশে মোরা পড়ব,
সুন্দর জীবন গড়ব ।
তাপদাহ
বইতেছে কত প্রখর রোদ,
অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।
প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,
তাপদাহের অতিষ্টতায়।
রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,
খা খা রোদে হয় তেপান্তর।
উত্তপ্ত বালুকনা ঝিলমিল,
আলোয় হাসে খিলখিল।
কুল কায়েনাত যত মাখলুকাত,
কষ্টে কাটছে সবার দিনাতিপাত।
আল্লাহ তুমি অশেষ মেহেরবান,
তাপদাহ থেকে কর পরিত্রাণ।
সমাদর
জ্ঞানীদের মুখের সুন্দর উক্তি,
মূর্খদেরকে যোগান দেয় শক্তি।
পথহারাদের দিশারী আলোর,
বিতাড়িত করে সব কালোর।
দূর হয়ে যায় মনের কালিমা,
উদ্ভূদ্ধ মনে শুরু করে তালিমা।
আহরন হতে থাকে জ্ঞান গরিমা,
উপকৃত লব্দজ্ঞানে গরীব ধনীরা।
নিগৃহিত ছিল যারা সাধনায় উন্নত,
অলস সকলই তারা সদা অবনত।
উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে,
একনিষ্ঠ কাজ কর সহায়তার পক্ষে।
অন্বেষণ
মহান আল্লাহপাক করেছেন সৃজন,
ব্যবস্থা রেখেছেন করতে ভোজন।
কষ্ট করে অর্জন কর জ্ঞান।
প্রত্যেক মুসলিম নর নারীর,
ধর্মীয় জ্ঞান করেছন ফরজ।
সুদুর চীনে গিয়ে হলেও,
জ্ঞান লব্দে বের হতে হবে,
হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে যবে।
আমরা আশরাফুল মাখলুকাত
অবহেলায় হতে চাইনা নিপাতযাক
অনাদরে অবহেলায় আছে অনেক
দু:খ কষ্টের প্রমাণ রয়েছে শতেক
কষ্টার্জিত বিদ্যার কর ব্যবহার,
পরিবেশ সমাজকে দিতে উপহার।
সংবরণ
ধপ করে জ্বলে উঠে
আগুন যেমন।
খপ করে হয়ে পড়ে
রাগও তেমন।
না চাপিলে আগুন
বিপদ বড় হয়।
রাগ না থামিলে
জ্ঞান বুদ্ধি নাহি রয়।
ধীর স্থির সিদ্ধান্ত
কল্যাণকর হয়।
রাগান্বিত হয়ে নিলে
বিপদযুক্ত হয়।
ধৈর্যের ফল ভাল
সর্বজনে কয়।
উড়নচন্ডি হেঁয়ালিতে
জুট ঝামেলা রয়।