ভোরের শহর

সাত সকালে বৃষ্টি হচ্ছে গুঁড়ি গুঁড়ি
থেমে থেমে কখনও অজর ধারায়
এমন বয়েছে যেন নেই তার জুড়ি।

প্রথম হতেই যেন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
দোকান পাঠ আর বাসাবাড়ি থেকে
লোক জনে বাহিরে দিয়েছেন দৃষ্টি।

আকাশে ঘন কালো মেঘেরা ভেসে
বেড়াচ্ছে সিলেট শহরের নামাজীরা
পাড়া মহল্লার মসজিদে চলে গেছে।

আরাম প্রিয় সবে সুবিধা নেই ফাঁকে
শহরের অধিকাংশই কত যেন আছে
ফজরের নামাজ পড়েও ঘুমে থাকে।

অথচ ঘড়ির কাঁটায় সকাল ছয়টা
একজন-দুজন হেঁটে যাচ্ছেন আর
বাকীরা জেগে উঠবে হয়তো নয়টা।

ফাঁকা সড়কে টুংটাং ঘণ্টা বাজিয়ে
দু–একটা রিকশা চলছে ও যাত্রীর
আশায় সিএনজি বসেছে সাজিয়ে।

Similar Posts

  • কন কনে শীত

    কিযে দারুন ঠান্ডাবাজার হাট মান্দা। দোকান পাঠ বন্দনেই কোন আনন্দ। পথ পান্থর নীরববন্ধ সব কলরব। বয়োবৃদ্ধ জোয়ানসবাই আগোয়ান। সকল বাড়ি যায়শীঘ্র খাবার খায়। শীত প্রচন্ড পায়লেপ ও দেয় গায়। মাথা এবং পা ঘুরেজড়ো হয়ে ও মুড়ে। বাঁচাতে চায় জানঠান্ডায় যায় প্রাণ।

  • সফলকাম

    কেহ প্রশিদ্ধ না হয়ে জীবন কাটালেওসুন্দরভাবে জীবন কাটানোটাই সম্ভবকিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়েবিখ্যাত হওয়াটা অনেকাংশে অসম্ভব। সময়ে অসময়ে দু:খ কষ্ট ভোগের পরেযতো কিছুই চান জীবনে পেতে পারেনঅন্যের চাওয়া নিশ্চিত করতে সাহায্যকরার লক্ষ্যে পরিশ্রমের মাধ্যমে সারেন। আপনার কঠিন মুহূর্তে উপনিত হলেওনিজের মূল্যবান সিদ্ধান্ত নিজেই নিতেশিখতে হবে সম্পুর্ণভাবে নতুবা অন্যরাসামান্য সময়ও তাদের পারবে না দিতে। সীমাহীন…

  • নশ্বর পৃথিবী

    আমরা মানব জাতি সাম্যের,চলতে পারিবনা বৈসম্যের।সাম্যের গাহি মোরা মিলে গান,নেইকো মোদের কোন পিছু টান।আমরা সৃষ্টির জীব সেরা,পৃথিবী জুড়ে আছে ঘেরা।নেই জাত ভেদাভেদ গোত্র,মিলেমিশে আছি হয়ে মিত্র।এ ধরায় কেহ আসেনিহয়ে চীরন্জীব,সীমিত সময় শেষ হলেইনিভে যাবে প্রদীপ।একান্তে মোরা সকলের তরে,জনহিতার্থে যাব কাজ করে।স্থায়ী হয়ে ওঠেনি কেউ বেড়ে,সব ই যেতে হবে ধরণী ছেড়ে।

  • বৃষ্টিতে শিহরিত

    বৃষ্টিতে হচ্ছো কেন শিহরিততুমি একাএকা স্নেহের মোহেআলিঙ্গন করো তাকেই যারউষ্ণতা জাগানো আনন্দেতেতোমার শরীর মন হবে সিক্ত! কোনো বৃষ্টি যাহা নাহি আরস্নেহের বৃষ্টির চেয়ে এত বড়যার পর বিচ্ছেদের উজ্জ্বলরঙধনু ও বর্ণের রহস্য নিয়েঝলমল করেও উঠবে যার! শরীরের ভাবসাবে আমারআমি আকাঙ্ক্ষা করি সেইদিনের জন্য যেদিন আমারপ্রতি তুমি আবিষ্ট হবে যখনদুনিয়া ভুলে গিয়ে তোমার! আবেগে মোর অভাব গভীরআর…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • বড়ো শত্রু !

    মানব জাতি মহান আল্লাহর প্রিয়তম সৃষ্টিমানবের লালনপালনকারী আল্লাহ রব্বুলআলামীনকে ভুলে গেলে পাবেনা সন্তোষ্টি! অস্বীকারে কতো অকৃতজ্ঞ যে হতে পারেসতর্কতা সত্ত্বেও ঈমানদার মানুষের দ্বারাকখনো পাপ সংঘটিত হওয়ার রাস্তা ধরে! মানুষের মধ্যে প্রদান করেছেন ইচ্ছা শক্তিবিবেক দ্বারা নেক কাজ করে এবং সকলপাপ কার্য থেকে বিরত থেকে পাবে মুক্তি! তাকওয়া মানবীয় প্রকৃতি ও সত্তার দিকেযারা চলে ধরার সব…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *