চিটিংবাজ

চিটিং বাজদের দৌরাত্ম কত
তাদের বাটপারির পথও শত।
ওদের ধান্দাই অসংখ্য থাকে
কষ্টে ফেলে সুজুগের ফাঁকে।
হারামীও ধান্দাবাজের ফন্দি
খল মিথ্যা কথায় করে বন্দি।
আখেরাতের তাদের নেই ভয়
কেবল উদর পূর্তি করলে হয়।
সকাল অবধি তাদেরই ধান্দা
ঠকায় যত সহজ সরল বান্দা।
সাধু বেশী বাটপারদের ই দল
মিলে খায় যতো অবৈধ জল।
নির্লজ্জ বাটপারও চিটিংবাজ
যখন তখন যত পাল্টায় সাজ।
ভয়ংকর তাদের ফাঁকির ফাঁদ
ভেল্কি বাজিতেই লাগায় তাজ।
হারামখোর আরো দাপট বান
ঠকানোতে ও নিয়োজিত প্রাণ।

Similar Posts

  • প্রত্যাখ্যান

    মানুষ অন্যদেরে করে অবহেলাসে জন্য হয়ে যায় ওদের নতমুখনিরব আর নিস্তব্দে-ভেজে চোখ। উৎসব থেকেই ফিরে প্রত্যাখ্যানআরো অনিচ্ছা নির্বাসন নেওয়াবুক ভরপুর ঘোলাটে আরো ম্লান। বন্ধু ছাড়া আসল ও শোভন কষ্টআর কে দেবে জন্ম থেকে কারকপাল পুড়েছে সবই হয়েছে নষ্ট। কতো জনের তো সব হয়েছে নষ্টদু:খ যন্ত্রণা যাতনা কত বেশী সহ্যকরা যায় কষ্ট যদি বা হয় হৃষ্টপুষ্ট।…

  • ক্ষুধায় কাতর

    দুগ্ধবতী গাভীর পেছন হেঁটেই শেষ প্রান্তে যেতোপ্রতিদিন সকালে খালি পায়ে ছেঁড়া জামা কাপড়পরে যেখানে সবুজ ঘাসে মোড়া একটা মাঠ ছিলসেখানে চারণ ভূমিতে গাভীটাকে ছেড়ে দিয়ে সেগাছের ছায়ায় বসেই পাখীদের সাথে গান গাইত। নদীর সুরে সুর মিলিয়ে কাঁদতে খুব হিংসা হতোগাভীর অফুরন্ত খাবার দেখে কখন ফুলের দ্রুতবৃদ্ধি এবং প্রজাপতির ডানা মেলা নিয়ে ভাবনায়হারিয়ে যেতো চিন্তার জগতে…

  • ভাবুক এক ছেলে !

    ভাবুকটির বয়স যখন ষোল হলতখন তার মনটাও পোলিশকৃতআয়নার মতো হয়ে তাতে সবুজমাঠের প্রতিচ্ছবি যত ভেসে গেল। হৃদয় গহ্বর শূন্য উপত্যকার মতযখন হয় ফিরিয়ে দিতে লাগলোসকল শব্দের প্রতিধ্বনি যতো যেবিকেলে শুনলো চারিদিক তখন। ঝর্নার পাশে বসেও ভাবছে বটেগভীর ভাবে ঝর্ণাটি ভূগর্ভ থেকেউৎসারিত যেমন কবির কল্পনাথেকেই ভাবনার উৎসারণ ঘটে। পরে ভাবছে পাতাগুলোকে নিয়েযেগুলোর রঙ হলুদ এবং অস্থিরআরো…

  • কর্ম তৎপর

    জীবনে চলার যদি কোনো করোনা রুটিন,সুন্দরভাবে চলাচল করা হবে যেন কঠিন।অবহেলা অলসতায় সময় যাদের যায় ,আদৌ সুখ শান্তি তারা কখন ও না পায়।এ ধরায় জ্ঞানী গুণী লোক আছেন যত,সকলেই সময়ের মূল্য দিয়েছেন যে কত।অধ্যবসায়ে যাঁরা ছিলেন লেখা ও পড়ায়,সুনাম যশ খ্যাতি তাঁদের সবদিকে ছড়ায়।প্রশিদ্ধ লোক পৃথিবীতে যারা ছিলেন যত।প্রথম জীবনে সাধনায় থাকছেন অবিরত।জগতে উন্নতি আর…

  • দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধি

    ভর করেছে সাধারণ মানুষের অর্থের অভাবপ্রয়োজনীয় যত খাদ্যদ্রব্য সামনে থাকলেওপকেটের দিকেতো তাকিয়ে শুধু দেখে যেতেহচ্ছে এতে ক্রমশ নষ্ট হচ্ছে মানুষের স্বভাব। আজকের দিনে উন্নয়নের দিকে দেশ যাচ্ছেবহুসংখ্যক মানুষই অপর্যাপ্ত আয়ের অন্তর্ভুক্তবর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধিতেনিম্ন আয়ের মানুষেরাও হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্রমশই সমস্ত মানুষের ঘনিয়ে আসছে দুর্দিননিত্যদিনের অতি প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রেরমূল্য লাগামহীনতার কারণে অস্থিতিশীলতায়ভোগছে লোকজন আসবে…

  • নিরবধি

    সেই তুমি কেন এত অচেনা হলেছোট বেলায় উভয়ের মধ্যে কতআন্তরিকতাই ছিলো পুর্বের কথাএখন আমাদের ভুলে গেলে চলে? দু’হাতে সরিয়ে বুকের যতো কষ্টচলো এসবও সম্পুর্ণভাবে অন্তরথেকেই ভুলে যাই পূর্বে সু সম্পর্কগঠনে উভয়ের সময় করেছি নষ্ট। একজন অন্যজনের সহায় কতোখেলা ধুলা পড়াশোনা সর্বক্ষেত্রেইউভয়ে এত অঙ্গাঙ্গিভাবেই জড়িতছিলাম যার নিদর্শন রয়েছে শতো। কখনোই মোলাকাত না হতো যদিশতো ব্যস্ততার মধ্যেও…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *