আলীশান

সুন্দর এক ভবন থেকে বের হলো লোক
তাঁকে দেখে থাকল না ওর কোনো দুঃখ।
বাড়ির নাম প্যালেস উত্তরা মডেল ঢাকা
দেয়ালের ভিতরে খালি স্থান আঁকাবাকা।
নীল রঙের জিক্সার মোটরবাইকটি ছিল
গেটের পাশে রাখতেই দারোয়ানটি এল।
দারোয়ান বাইক রাখতেই নিষেধও দিল
ঐ লোক শুনে তখন আশ্চর্য কত হলো।
গার্ড আরোও বললো ইহা প্রিন্সের বাড়ি
রাখা যাবে না কোন বাইক অথবা গাড়ি।
বিনয়ের সঙ্গে বলে বাইরে বাইকটা রাখি
আচ্ছা রাহেন সায়ও দিলো মাথা ঝাঁকি।
বাইক রেখে ভেতরে তে ঢুকতে লম্বা পথ
চতুর্দিকে বিস্তৃত মনোরম ফুলের যুগপৎ।
মূল ভবনের আলীশান একটি দরজা রয়
স্যুট পরা ভিতরের লোকটি পরিচিত হয়।
আলিঙ্গন করে ড্রয়িংরুমে বসালেন তিনি
বিশাল চকচকে যেন আগে আর দেখেনি।
ভেতর থেকে উঠেছে ওপরের দিকে সিঁড়ি
চারদিকে দেয়ালে ছবির নেই কোন জুড়ি।
চাকচিক্য ঐষ্যর্য আরো মন ভুলানো যত
যাঁদেরও ছিল পূর্বের অবস্থা দীনহীন শত।
খুবই গরীব ছিল ভূখা ফাঁকা থাকতো কত
অন্য বস্ত্র সহায় সম্বলহীন তারা ছিল তত
অভাব অনটন আর দুঃখ কষ্টে ছিল যারা
খোদারই কৃপায় সম্পদশালী হয়েছে তারা
ইবাদত বন্দেগী করো ছহীহ ও শুদ্ধ ভাবে
অভাব দুঃখ কষ্ট খোদা দূর করবেন তবে।

Similar Posts

  • আড়ম্বর

    বড় সরল দুনিয়াটা তারবেশি আলাদাতো আমারথেকে খুব যেন স্পষ্ট স্বপ্নআরোও ইচ্ছাগুলো যার। সে অনেক কম কথা বলেআজ ভোরে লিখে গেছেঅবশেষে দেখলাম কিছুফুলও রেখে যাচ্ছে চলে! তোমার কথাও পড়ল মনেআমি জানি আমার বুড়িয়েযাওয়া মুখ কোনো অর্কিডপুষ্প নয় তা যে সবে জানে। আমি কিভাবেই ইচ্ছা করিযেন তাকেও বিশ্বাস করবকিন্তু যত কিছুই বলুক সেশুধু ক্ষণিকের জন্য স্মরি।

  • মহামারির রেশ

    বিশ্বজগৎ অপূর্ব ভারসাম্যপূর্ণ লীলাক্ষেত্রভারসাম্যকে মোরা সীমা লঙ্ঘন না করারসাথে তুলনা করিতে পারি সকলেই সর্বত্র। একশত জনের ভার বহিবার ক্ষমতা রাখেযদি একটি জলযান সেই সীমা লঙ্ঘন করেযাত্রী তোলে বেশি দুর্ভোগ দেখা দেয় ফাঁকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে অবস্হা পরিদৃষ্ট হয়অনেক সময় ঋণ করতেই হয় কোন রাষ্ট্রকেযা দূরদর্শিতার অভাবেরই দগদগে চিত্র রয়। বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশ ঋণ…

  • বার্ধক্যের ছাপ

    পৃথিবীতে কোনো মানুষেরইবয়স হয়ে যায় চল্লিশ যখনসত্তর হলে সব কিছু অতীতবার্ধক্যের প্রতীক পড়ে তখন। মনে হবে বয়সে আসলে যেনশরীরে কাহারো সুস্থতা থাকেসংখ্যা মাত্র বেড়ে গেলে ক্রমেবিশেষ সমস্যা হবে না ফাঁকে। কে কত দিন থাকবে জগতেকেউ কখনোই জানতো যদিতাহলে সবে নিজের ভালোটিপরিচর্যা করে যেতো নিরবধি। একাকীত্বের সময়টা ভোগারনিমজ্জিত হয়ে হতাশার গাঙেবার্ধক্য যেনো আজন্ম লালিতবিশ্বাসে বার্ধ্যক্য পৌঁছে…

  • বেশ ছোট তখন

    হঠাৎ দেখি উঁকি মেরে চায়চাহনি দেখে মনে পড়ে গেলসেতো অনেক পুরাতন একবন্ধু সাক্ষাতে মন শান্তি পায়! আমরা যখনো ছোট ছিলামউভয়ে কত খেলা ধুলায় মগ্নআর কোন দিন সকাল সন্ধ্যাএবং রাত হলে বাড়ি যেতাম! একদা দূরে অনুষ্ঠানে গেলামপায়ে হেঁটে গল্প গুজব করেইপৌছার পূর্বে রেষ্টুরেন্টে গেলেএক বাল্য বন্ধুর দেখা পেলাম। আমরা তিনজন একত্রেই চলিচলার পথে কত কিচ্ছা আরোকৌতুক…

  • মন ছানাবড়া !

    অনেক লিখা হয়ে যায় তেড়া বেড়াএমন কিছু লিখা হয়নি তো মনগড়া! কখনো লিখতে যেন করি তাড়াহুড়াকবিতাটি পড়ে নিবেন আগা গোড়া! কি আর লিখতে পারি মন ছানাবড়াবাস্তব চিত্রে মনে আসে যুদ্ধেই লড়া! জীবন যুদ্ধের সময়ও হয়েছে সবারচোখ বুজে থাকাটা হবে না আবার! আজব চলাচল আর ভয়ংকর কতোবিরাজমান বেহায়াপনা আছে যতো। স্বাভাবিক বেশ ভূষ পরিবির্তন করেছেলে-মেয়ে,মেয়ে ছেলের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *