পহেলা এপ্রিল

এপ্রিল মাসের ১লা তারিখ দীর্ঘ দিন ধরে
বিশ্বজুড়েই খৃস্টান মুসলমান অবলা নারী
পুরুষ অবুঝ শিশু-কিশোর খুশিতে লড়ে।

চঞ্চল তরুণ-তরুণী ও কর্মী আধা বয়সী
কর্ম জীবন থেকে অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ-বৃদ্ধা
দল মত নির্বিশেষে ভোগ করে মধ্যবয়সী।

সকল শ্রেণীর মানুষ খৃষ্টান কর্তৃক বোকা
যায় বনে আর এক মহানন্দে কত উল্লাসে
মেতে উঠে মুসলমানদের দেয় শত ধোকা!

যেভাবে ঠিক সেই দিন ফার্ডিন্যান্ড রাজা
তার স্ত্রী ইসাবেলা মেতে উঠেছিল আজ
দাদা দাদীকে দাদী দাদাকে করে সোজা।

বাবা মাকে মা বাবাকেই ধোকা দেয় কত
ভাই বোনকে বোন ভাইকে বন্ধুরা বন্ধুকে
বান্ধবী তার বান্ধবীকে মুর্খও বানায় শত।

দুলা ভাই তার শ্যালিকাকে শ্যালিকা তার
দুলা ভাইকে সকল সকলকে কেমন করে
ঠকিয়ে বোকা বানানো যায় চেষ্টা রয় যার!

উদাহরণ আরো উপমা স্বরূপ হয় বলতে
ঐ দিনে তারা খালি মিষ্টির প্যাকেট এনে
দেয় এসব ধোকা থেকে বেঁচে হবে চলতে!

মিষ্টির প্যাকেট খুলে খালি পেয়েও ধোকা
পরম সুখের সাগরে ই ভেসে যারপর নাই
হাঁসিতে ফেটে পড়ে হয় তারা তবে বোকা!

অথচ রাসূল (সাঃ) বলেন যে ধোকা দেয়
সে উম্মত নয় আমার এতে অসংখ্য দোষ
থাকায় ইমানের দৃঢ়তা থেকেও দূরে নেয়।

Similar Posts

  • অপ্রাপ্তির বেদনা !

    কান্নার জল সকলে দেখেহৃদয়ের যতো কষ্ট কেহোকখনো কোনো দিন তাহাকদাচিৎও দেখেনি চোখে। পাওয়ার সুখ শান্তি থাকেআর অপ্রাপ্তির বেদনা যাসারা জীবনে ভোলার নয়ভোগের মধ্যে রাখে যাকে। অন্যকে এমন কথাই বলোযে কথা বার্তায় কারো মনেকখনো কষ্ট দুর্গতি না দেয়তা সর্বদা লক্ষ্য করে চলো। কারোও মনে আঘাত দিলেসে যাতনার কারণে আল্লাহতায়ালার আরশ নড়ে আরতাঁর যতো অসন্তোষ্টি মিলে!

  • কতো লোভী তারা

    দেশে অনেক লোক সুবিধা ভোগ করেপৃথিবীর কোনো দেশ তাদের জন্য এতনা পেলে শুধুই চাই চাই শব্দ নাহি ধরে। এক প্রজাতি ওরা হলো তৃপ্তি নাহি পায়খেয়ে কিছু আরোও খেতে চায় সর্বদাকেবল খেয়েও বলে মোটেই নাহি খায়। সরটুকু দুধের ওপর থেকে ই খেয়ে নেয়এমন বদ-অভ্যাস খেয়ে খেয়ে হয়ে যায়যাই দেখে তাই তাদেরকে যেন সব দেয়। নুলো ডুবিয়েও…

  • ফল্গুধারা

    আমোদ শখ হয় তো পূর্ণপিতা – মাতার টাকাতে,নিজের রুজি চলে যায়যতো প্রয়োজন মেটাতে। জীবন চলে কঠিন যুদ্ধেসব রঙ কেন বদলে যায়?আনন্দ খুশির কত জীবনমুহুর্তে হয় রে মলিন হায়! হাসি খুশির সকালগুলিচলে গেলো কোথায় হায়?মলিন মুখের সন্ধ্যা কতহাসি ব্যতীত কেটে যায়। বাঁধনগুলো বাঁধতে গিয়েনিজেই হলাম বাঁধনহারা,হাসি ফুটাতে সবার মুখেআমিই হলাম ছন্নছাড়া। সবাই ভাবে কতই সুখীমুখে থাকে…

  • বিত্ত – বৈভব

    কতো দু:খ-কষ্টে পালন করেসন্তানদের সুন্দর ভাবেই গড়েতুলতে বিদ্যা শিক্ষা অর্জনেরলক্ষ্যে ভালো ছাত্র ছাত্রীরুপেগঠনে যত কষ্টের কাজ সারে। তাঁরা মাথার ঘর্ম পায়ে ফেলেসন্তানদের সুখ সমৃদ্ধির জন্যকতো মনঃকষ্ট বেদনা দুর্ভোগদুর্গতির ফলে দেহের চর্মটিওওঁদের যে মলিন করে তোলে। মাতা পিতা সর্বস্ব ওদের তরেমুক্তহস্তে বিলিয়ে দিতে পারেকখনো কোনভাবে সামান্যওকার্পণ্যের মনোভাব না রেখেউন্নতির লক্ষ্যেতে খরচ করে। স্নেহের বাছাধন তাঁদের যতোসুখ…

  • যতো কম ততই লাভ

    কতো ধরণের মানুষ দেখিযাদের একদল সবার সাথেসাধারণ ভাবে কথা কখনোএকটু বেশি বলে ফেলে তোআবার আরো একদল যারামানুষ আছে কথা বলতেযেচায় না মানুষের মধ্যে যেইশ্রেনীর মানুষই রয়েছে কথাযা কম বলে একটু চুপচাপতারা ওদের মধ্যে অন্তর্মুখী। বহির্মুখীদের বৈশিষ্ট্য প্রধানসাধারণত: বেশি কথা বলেবন্ধুত্ব স্থাপনে আগ্রহ পছন্দকরে সামাজিক মিথস্ক্রিয়াওঅন্তর্মুখী ব্যক্তিদের শ্রেষ্ঠ গুণহচ্ছে এরা কথা অনেক কমবলে এবং এ ধরনের মানুষেরআগ্রহের…

  • বরণীয়

    মানুষের জীবনে যত উত্তম গুণাবলীতার মধ্যে বিনয় ও নম্রতা উন্নত গুণতাছাড়া আরো উত্তম চরিত্রের ভূষণএর ফলে বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধি পায় বহু গুন। বিনয় মানুষকে উচ্চাসনে সমাসীন ওশেষে গ্রহণযোগ্যতাতে পরিণত করেবিনয়ী ব্যক্তিকে আল্লাহ ভালোবাসেনতেমনি মানুষেও স্নেহ করেন মন ভরে। যে ব্যক্তি আল্লার উদ্দেশ্যে বিনয়ী হয়আল্লাহ পাক তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেনবিনয়ীকে মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেখোদাও ওঁর জটিলতা দুরিভুত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *