স্মরণ করি তোমাকে

কষ্ট সহ্য করে যে মানুষটি সন্তানের জন্ম দেন
তিনিই মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ কষ্টের
তীব্রতা অসয্য জ্বালা যন্ত্রণাও বহন করে নেন!

কেঁদেছিলাম অঝোরে সেদিন শুধু
আওয়াজ কোনো ফোটেনি তখন
স্নেহ ভালোবাসায় দিলেন দুধ মধু!

যে মায়ের নাড়ী ছেঁড়া ধন আমি
সে মাকে সৃষ্টিকর্তা নিয়ে গেলেন
ভাগ্যে কি যে জানেন অন্তর্যামি!

বাঘের থাবা থেকে বাঁচতে হরিণ ছানা যেমন
দৌড়িয়ে মায়ের কোলে ঝাপটে পড়ে আমিও
তো মা তোমার কোলে আশ্রয় খুঁজি তেমন!

সাঁজের বেলায় কেউতো অপেক্ষায় থাকেনা
মাগো আর কেউই আমায় খাদ্য মুখে দেয়না
আমার কেউতো আর স্নান করতে ডাকেনা!

কত কান্না আসে মনে পড়ে যখন
কাদাজলে খেলেছি বলে মারেনা
দেয় না কাদা ছাড়িয়ে কেউ এখন!

ঘুমিয়ে পড়ি যখনো কাঁথা ফেলে
মায়া মমতায় ঘুরে ফিরে কখনো
কেউতো গায়ে কাঁথা দেয়না তুলে!

জীবন ডায়রি থেকে মা শব্দটি মুছে দিয়েছে
কোন অপরাধে জানিনা বিধাতা আমার সব
আদর কেন আমার থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে!

আজও আমি হন্নে হয়ে খুঁজে বেড়াই তোমাকে
যদি কোথাও পাই খুঁজে তোমায় স্পষ্ট দেখতে
না হয় মা ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখা দেও আমাকে!

Similar Posts

  • ঘুরে আসি

    চলোনা ঘুরে আসি ভাইকতটি দিন চলে গেলোবাল্য বন্ধুটির দেখা নাই। সে কত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলসময়ের ব্যবধান আরোব্যস্ততায় সব চলে গেল। অনেক পূর্বে বিকেল বেলাউভয়ে চলা ফেরার রাস্তায়আনন্দে ভোগ করি মেলা। সেথা কত কেনাকাটা করিলোকের ভিড়ে মোরা তখনচলি একে অন্যের হাত ধরি। আনন্দ উল্লাসে সময় যায়রঙ বেরংগের খেলা দেখেঅন্তরটি কতো শান্তি পায় !

  • মেঘ তরঙ্গ

    গ্রীষ্মের দিনে মাঠ ঘাট হাটতীব্র রোদে পোড়ে ঝলকেপ্রচণ্ড উষ্ণতায় চলন্ত দিনেজলন্ত তেজ ধরে পলকে। কতো ঘাম ভেজা বালিশেউত্তাপে গলে গেলো রাতঅন্বেষণ করে যাচ্ছি নিদ্রাতখন থেকে হে সু প্রভাত। তীব্র গরমে ছট ফট করেপ্রচুর ঘামে ঝরছে পানিদিনের রোদে ধরছে মাথাকখন যে হবে বৃষ্টি জানি। মেঘ তরংগে নীরব বাতাসকতো সুখ দিয়েছো তুমিমুহূর্তে প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজেশান্ত গাছ বৃক্ষ…

  • দখলের বিরুদ্ধে

    যার যা আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবেএক অতি মানবীয় কণ্ঠের ডাকেই মানুষেরাচরের জেনেছিল দখল করতেই তাদের চরকোনো এক দখলদার বাহিনী আসবে যবে। তিনটি চরের কাজিয়া প্রিয় মানুষেরা ভেবেলাঠি দা বল্লম রামদা শরকি কিরিচ ও ধানকাটার দাউকাঁচি পাট কাটার পাতলা আরছেহাইট গুলতি এসব কিছু রেখেছিল যবে। উঠানের কোণেও বের করে রাখা ছিল অস্ত্রযখনই আসবে দখলদাররা…

  • সময় সীমিত !

    চিরন্তন নিয়মে জীবন সংগীও চলে যায়কখনো এ জগতে কেহ স্থায়ী বসবাসেরজন্য আসেনি সৃষ্টি কর্তার হুকুমে বিদায়নেওয়ার পরে আত্নীয় স্বজন সবার মনেসে লোকটির জন্য কতোই যে কষ্ট পায়! স্রষ্টার অমোঘ বাণী জন্মিলে মরতেই হবেপরিবার পরিজন আত্নীয় স্বজন যত বন্ধুবান্ধব পাড়া পড়শী সমাজ সকলের সঙ্গেচলাচলের সময় ভাল ব্যবহার আর নেকআমল আখলাক এসব কিন্তু স্মরণ রবে! সকলের যেহেতু…

  • শ্রেষ্ঠ জীব

    সৎ পথের অনুসন্ধান করোজগতে উত্তম জাতি হিসেবেআল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেনইবাদত বন্দেগী সম্পন্ন করেসুখ ও সাচ্ছন্দের রাস্তা ধরো। সত্যবাদী ন্যায় পরায়ণ যারাপ্রতিনিয়ত মহৎ চিন্তায় চলেকথা বার্তা শালীনতায় বলেকল্যাণ মংগল কর্মের ফলেইহ পরকালে শান্তি হয় তারা! আল্লাহ পাক কত মেহেরবানসকলকে সৃষ্টির উৎকৃষ্ট জীবহিসেবে সৃজন করেছেন বলেতাঁর ও রাসুলের পথে চললেবিপদ আপদে পাব পরিত্রাণ!

  • প্রয়াস

    শ্রবণশক্তিহীন মানুষ জন্ম থেকেবাকশক্তিহীনও হতে পারে ফাঁকে। জীবনের মধ্যে যে কোনো বাঁকেজ্ঞানীদেরই বিশ্বাস সম্পূর্ণ থাকে। সামান্য প্রয়াসে অসংখ্য ফায়দাএকটা সীমা পর্যন্ত করে কায়দা। অন্ধত্ব পৌঁছে গেলে অনুভব হবেবন্ধু বান্ধব যতো দূরে চলে যাবে। চোখ দিয়ে কত কিছু দেখা যায়অন্ধ হলে দৃষ্টি শক্তি লোপ পায়। নিজে মালিক কোন কিছুর হলেঠগের ধান্দায় পড়ে সব যায় চলে। সর্বস্বান্ত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *