অভাব আর স্বভাব

           

কোনো না কোনোভাবে সকলের অভাব
কেউ তাদের আত্মাকে তো বেচে আবেগ
অনুভূতির জন্য আবার পরিস্থিতি যখন
তাদের ধোঁকা দেয় আরো নষ্ট হয় স্বভাব।

কেউ-বা তাদের চোখ যেন বন্ধক রাখে
স্বপ্ন বেচার জন্য কেউ-বা পুরো মনটাই
বিনিময় করে আসলে নির্ধারণ দরকার
যুগের মুদ্রাটা কী ঠিক করতে হয় ফাঁকে।

জীবনের কিছু বিশ্লেষণ হতে জানা যায়
বাণিজ্যিক এলাকায় আজকের ক্রেতারা
সর্বোচ্চ মূল্য দিচ্ছে আত্মসম্মানের জন্য
পরিস্থিতিতে পড়ায় তা সবে শুনতে পায়।

Similar Posts

  • নিষ্ঠাবান

    জীবন চলার পথে বাঁধা আসতে পারেথেমে যেতে নেই কোন অবকাশ যেথাবিঘ্ন হবে সেথা হতে কাজ নিবে সেরে। মানুষকে ঠকাতে যাদের অন্তরে কাঁপেআর বিবেকে বাঁধে তাদের জীবনে তোসুখ হয় না দুঃখ আজীবন লেগে থাকে। অত্যধিক ভালো বাসা কেহো যদি পায়এতেই দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকা সম্ভব কিন্তুসংখ্যা লগুর অবজ্ঞায় দুর্ভোগ পোহায়। পৃথিবীর বুকে বিখ্যাত হতে সকলে চায়কেউ…

  • স্বপ্নে বিভোর

    গভীর রাত হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙ্গে গেলচোখ বন্ধ রেখে মনে করার চেষ্টা করলামকোন দুঃস্বপ্ন দেখছি কিনা মনে পড়ছেনাচোখ খোলা মাত্রই মনে প্রচন্ড ভয় হলো! চোখ যেমন বন্ধ থাকলে সব অন্ধকার রয়রুমের সব লাইটগুলো বন্ধ থাকায় এমনটাহওয়া স্বাভাবিক তথাপি এই ব্যপারটিকেইস্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া সম্ভবতো নয়! দেয়ালের স্টিকার দেখারতো চেষ্টা করলামযাহা দক্ষিন দেয়ালে লাগানোই রেডিয়ানেরস্টিকার কিছু চোখে…

  • লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকেকেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করেকতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে…

  • চলার পথে

    চলার পথে একদা দেখা মিলে তারকতো পুরনো দিনের আন্তরিকতায়ভরপুর আরো বেশী যাতায়াত যার। হঠাৎ দু’জনেরই মোলাকাতের পরেউভয়ে কোলাকুলি করে গল্প গুজবকরতে করতেই গেলো অনেক দূরে। শেষে আরো এক বন্ধুর দেখা মিলেসে অন্য আরেকজন উভয়ের বেশীঘনিষ্ট এবং পরে একত্রে ফুর্তি চলে। তারা সকলে একটি রেস্তোরাঁয় যায়অনেক আনন্দ উল্লাস প্রফুল্লে তারাসময় অতিক্রম করেই চা নাস্তা খায়।

  • কষ্ট সফল

    ভূমিষ্টের পর মানব শিশু কত অসহায়,মা বাবা আত্নীয় সজন একমাত্র সহায়।ঘুম পাড়ানো খাবার গোসল মা করায়,কান্নাকাটি করলেই মায়ের ঘাম ঝরায়।কত আরাম আয়েসে থাকতে পারে সে,চিন্তা ফিকির প্রতিনিয়ত করে থাকে যে।দিন মাস বছর পেরিয়ে একটু বড় হয়,হাঁটা চলা দৌড় ঝাপ করতে তখন রয়।মায়ের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকে হোচট নি খায়,পড়ে গিয়ে কখনো কি কোন ব্যথা পায়।সময়ের বিবর্তনে…

  • অভাব অনটন

    দুঃখে ভরা জীবন যার কত অশান্তিঅন্তর মন জর্জরিত থাকে না শান্তি।দিন রজনী পার করে কাজের তরেঅভাব অনটনে তাদের জীবন ভরে।অনাহারে অর্ধাহারেও কত দিন যায়সামান্যও খানা খাদ্য কখনও না পায়।টাকা কড়ি দিলে তো হাত পেতে নেয়হৃদয়বান ব্যক্তি সবে যা সাহায্য দেয়।ঘুম থেকে উঠে সবে খুঁজে তারা রুজিপ্রতিক্ষায় রয় কাজ পায়নি তো খুঁজি।খারাপ হলেও শরীর যারা দিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *