খোদার সকাশে চাই

লোকদের টকিয়ে থাকে যে
বিশ্বাসে নেইতো সে কাহারো
মানুষের মধ্যে তো অধম সে !

পৃথিবীর সুখ করে নাই ভোগ
তাই পরের আনন্দ ও উল্লাস
দেখলে মনে লাগে তার দু:খ !

যেথায় কোনোও বিজয়ী লোক
শত ত্যাগ তিতিক্ষা সে করেছে
ফলে দেখে না আর কষ্টের মুখ !

যেই করিতেছে সহ্য মনের দু:খ
সরল সঠিক সৎ রাস্তায় চললে
আল্লাহ পাক দিতে পারেন সুখ !

বিরলে এক বিন্দু যার অশ্রুজলে
গাল ও দাড়ি ঝরায়ে কেহ ফেলে
খোদার কাছে চাইলে সুখ মিলে !

আল্লাহর মেহের বানীতে শান্তি হয়
আল্লাহকে স্মরণ রেখে ন্যায় এবং
নিষ্ঠায় চললে জীবনে আরাম রয় !

Similar Posts

  • দু’টি সম্পদ 

    চোখ  দুটো  আছে যার সবই দেখে  চোখে তার! যার নেই কো এক চোখ  তার থাকেতো শত দুঃখ! থাকে যদি  কারো উভয়  চলা  ফেরা  করে নির্ভয়। এ ধরায় জন্মান্ধ যে লোক  তার তো  নেই  কোন সুখ! পছন্দ অপছন্দের বিষয়  যা পায় সব আনন্দে সয়! সুন্দর অসুন্দর ও ভালো  ফর্সা ময়লা আর কালো।  কোন কিছু পেলেই হলো …

  • এলো নাজাতের মাস

    বছর পর আবার এলোপবিত্র মাস রমজান,মুসলমান রোজা পেলোদিনে বন্ধ খানা পান। ফজরের আজান হয়মাগরিবের ধ্বনি বয়,খাদ্যের ডাক জারি রয়শুরু করো তবে কয়। মন্দ কাজ করো ত্যাগযত আছো রোজাদার,সব শেষে পূণ্যের ভাগআছে বুঝ যার তার। ফরজ রোজা রাখ সবেপুরো রমজান মাস,খোদার আদেশ পালন হবেকরো নাজাতের আশ।

  • বিজয় উৎসব

    খুব ভোরে উঠে প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে চলেচলার পথে কতো বন্ধু বান্ধব পরিচিত আরঅপিরিচিত অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ মিলে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সম্পাদনের লক্ষ্যেছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুশিতেসাজ সজ্জায় সজ্জিত হয় দেখা যায় সচক্ষে। সৃষ্টি হয় এক মনোরম আনন্দ ঘন পরিবেশপ্রতিটি জনগণের একমাত্র লক্ষ্য শুধু সবাইগন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানের যা করবে উন্মেষ। শীতের প্রচুর ঠান্ডা…

  • চাঁদ তারা

     আকাশে  বিরাজমান  চাঁদ তারা ,   নিয়ম মাফিক তাদের চলাফেরা।   বাতাসের গতিবেগ হয় যদি শান্ত,  নদী  সাগরের পানি থাকে প্রশান্ত।  ঝড় তোফানের গতি হলে  প্রচন্ড, গাছ পালা ঘর বাড়ি করে লন্ডবন্ড।    সাগর মহা সাগর নদ নদীর  ঢেউ ,  দারে পাশে তখন যেন যায়না কেউ।  প্রতিনিয়ত হয় বিপদ সংকেত বাণী ,   উপকূল বাসী সহ সবে মোরা জানি।…

  • প্রায়শ্চিত্ত !

    হে নর পশুদের দলতোমাদের কর্মকাণ্ডদেখে কার চোখেতেআসবে না রে জল! সে তো মানুষ ছিলোএকটি পেষাতে লিপ্তথেকে সে পরিবার সহজীবন চালিয়ে নিলো! সামান্য সুখের তরেপ্রতিদিন অলিগলিকতো বাসা বাড়িতেছুট তো ঘুরে ফিরে ! প্রখর রোদের জ্বালাশ্রমিক মজুরের ন্যায়কষ্টের কাজে করেনিকখনো সে অবহেলা! তোমরা ক’জন মিলেপরস্পর পর্যায়ক্রমেপাথর দিয়ে আঘাতেজীবনটি কেড়ে নিলে! তার জীবন শেষ হলোঐ পাপের প্রায়শ্চিত্তেআল্লাহর নিকট…

  • কতো দূরে

    হে বন্ধু এতো ত্রস্তে কোথায় যাবেসহপাঠীরা যেথায় প্রতীক্ষায় রবেখেলা আরম্ভ, উপস্থিত হবো যবেখেলতে গিয়ে আনন্দ পাবো সবে। প্রায়শ:ই আমরা খেলা করি মাঠেমাঠটি কুশিয়ারা নদী সংলগ্ন তটেনাস্তাও করবো সকলে গিয়ে হাটেপরিশেষে যাত্রা করব নদীর ঘাটে। অনেকের বাড়ি কতো যেনো দূরেপায়ে হেঁটে গেলে ঘাম যতো ঝরেদৌড় ঝাপে যা হোচট খেয়ে পড়েসাড়াশব্দ করেও তখন জুরে সুরে সন্ধ্যাতে স্বজনরা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *