স্বপ্ন তিন প্রকার

স্বপ্ন ঘুমের ঘোরে দর্শিত চিন্তা-ভাবনার নাম
স্বপ্নও মানুষের কাঙ্খিত ভবিষ্যৎ আরবিতে
স্বপ্নকে রুইয়া ফার্সিতে খাব বলে দেয় দাম।

ধর্মীয় গবেষক ও দার্শনিকদের পার্থক্যই হয়
দার্শনিকদের মতে ই মানুষের চিন্তা ভাবনার
এক প্রতিচ্ছবি ঘুমের মাঝে ফুটে ওঠতে রয়!

আলেমরা এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেন
যে তাদের বক্তব্য সব স্বপ্নই মানুষের ধারণা
নয় অনেক স্বপ্ন যা অর্থবোধক বলে ধরেন।

স্বপ্ন সালেহাহসহ যে রুইয়া তিন প্রকার মাত্র
রুইয়ায়ে শায়তানি প্ররোচনা শয়তান কর্তৃক
রুইয়ায়ে নফসানি মানুষের চিন্তার কল্পচিত্র।

তাড়াতাড়ি অজু করে নামাজে দাঁড়িয়ে যায়
যদি কেউ অপছন্দনীয় ভয় বা খারাপ কোন
স্বপ্ন দেখে সে যেন কখনো করেনা হায় হায়!

রাসুলুল্লাহ(সাঃ) তাঁর হাদিসে তিনি বলেছেন
দর্শিত স্বপ্নের ব্যাপারে অনভিজ্ঞদের বলোনা
নবি-রাসুলের স্বপ্ন অহি তাঁরা মেনে চলেছেন!

আবু হুরায়রা ( রা. )বলেন রাসুল ( স. )পাক
সাহাবিদের কেউ কোনো স্বপ্ন দেখলে ফজর
পরে ব্যাখ্যা দিতেন ও সব অন্তর হতো সাফ!

Similar Posts

  • চড়াই উৎরাই !

    কেউ করোনা কোন বড়াইপৃথিবীতে কত লোক ছিলটিকে রয় নি চড়াই উৎরাই! কাহারও প্রচুর ছিল সম্পদসময়ের বিবর্তনে তার সবইগেছে থাকে নি তা নিরাপদ! আরো ছিলো যতো মহাবীরশক্তি ক্ষমতা কতো ই দাপটলোপ পেয়ে হয়ে গেল ধীর! ঐশ্বর্য বিত্ত আর ধন সম্পদযথাযথ ব্যবহার না করাতেকত লোকের হয়েছে বিপদ! আল্লাহ পাক অসীম রহমানতাঁর উপাসনা বন্দেগী করেইহ পরকালে পাব পরিত্রাণ!

  • শৈশব

    হাঁটি হাঁটি পা পা করে,কোথাও কিছু না ধরে।চলতে শিখেছি আমি,ফেলে যেওনা তুমি।পারবেনা যেতে একা,গেলে হতে পার বোকা।আমি কিন্তু বুঝতে পারি,করবনা মোরা মারামারি।চলবো হাতে ধরাধরি,করতে যাবনা জুরাজুরি।থাকবো করে গলাগলি,উড়াবোনা ধুলোবালি।একত্রে চলবে খাওয়া,থাকবেনা বেশী চাওয়া।মিলেমিশে মোরা পড়ব,সুন্দর জীবন গড়ব । তাপদাহবইতেছে কত প্রখর রোদ,অতিরিক্ত গরমের ক্রোধ।প্রচণ্ড রোদের তীব্রতায়,তাপদাহের অতিষ্টতায়।রাস্তা – ঘাট মাঠ পথ প্রান্তর,খা খা রোদে হয়…

  • সর্বোত্তম

    জগতে যত প্রকার জ্ঞান আছেতার মধ্যে সর্বোত্তম হলো যাতেনিজেকে চেনা যে একবার ঠিকমতো চিনতে পারে ইহ জগতেরশত জ্ঞান বাকি রইবে না পাছে। সবার আগে এ গুরুত্ব দিতে হবেনিজের মাপ ও মান বুঝে’ নিজেঠিক তো জগৎ ঠিক ‘ প্রবাদেরমতোই নিজের ব্যক্তি ও স্বাতন্ত্র্যবজায় রেখে এগিয়ে যেতে রবে। সত্যিকারের জ্ঞানী হওয়ার পথেএগুনো সম্ভব তখনই যখন সবাইজানবে যেন…

  • স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি !

    তুষের আগুনে কবে থেকে জ্বলছিনিভে গেছি কতো জ্ব’লে জ্ব’লে তাদেখতে পাও নি তাই কষ্টেই বলছি! কবে থেকে যেনো দাঁড়িয়ে রয়েছিবাতি স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েপ্রতীক্ষারত অবস্থায় ভেঙে পড়েছি! আরোও অনেক সময় তো ডাকছিধৈর্য্য হারা হয়েছি ডাকতে ডাকতেঅন্তরের অজান্তে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি! স্নেহের দায় অকস্মাৎ বোবা হয়েছিবাক শক্তি হারিয়ে পাথরের মতোইকতো নিথর হয়ে এখন বসে গেছি! সেই কবে…

  • উদ্ধার করে

    সঠিক বন্ধু জুটানো দায়যার মাঝে অন্তরের মিলচলাচলে একাগ্রতা এবংএকে অপরে শান্তি পায়। আসল মনের মানুষ যাঁরাবিপদ আপদে যথা সময়েদেয় সাড়া অসুখ বিসুখেইভাগাভাগি করে নেয় তাঁরা। ঘনিষ্ট বন্ধুটি রয় যদি পরেপ্রতিনিয়ত সাহায্য আরোসহানুভূতির উদ্দেশ্যে চলেকঠিন বিপদে উদ্ধার করে। সহোযোগীতায় মুক্তি মিলেসহনশীল মনোভাবে সকলচলে শত সমস্যা দূরে যাবেসৃষ্টি কর্তার করুণার ফলে!

  • স্নেহাস্পদ

    মানুষ জাতি সবার শ্রেষ্ঠচাল চলন আচরণ আরকাজে কর্মে হবে উৎকৃষ্ট। গায়ে আছে শক্তি ও বলমহৎ উদ্দেশ্যে চলে যাওজীবনটি করো উজ্জ্বল। স্নেহাস্পদ কত বাছাধনযাতায়াতের রাস্তায় চলেরেখে যাও গুরুদের মন। জীবনটি ক্ষণিকের তরেতপস্যা সাধনায় কাটিয়েসমৃদ্ধি করো জীবন ভরে। নিয়ম মাফিক চলে যারাউপাসনা আরাধনাতে ইহপরকালে মুক্তি পায় তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *