সে কতো একা

আদর সোহাগের নাতনী দু’টি
একটি আছে আমাদের সাথে
ছোট নাতনীটি দীর্ঘদিন হলো
বিদেশে চলে গেছে ওরা দুজন
ছিল সব সময়ের খেলার জুটি।

উভয়েরই বয়স কমি বেশি হয়
ছোটটি মোর এখন নেই দেশে
প্রতিদিন মোবাইলে কথা বলি
কখনো একটু আধটু কয় আর
যতো দৌড়াদৌড়িতে ব্যস্ত রয়।

কথা বলার ফাঁকেই সে খোঁজে
তার বড়ো আপুকে ওরা তখন
মনের মতো কতো কথা বলতে
থাকে কখনো ব্যস্ততায়ই কাটে
পুতুলদের রং রুপ সাজগুজে।

প্রবাসী নাতনী তার বোন ছাড়া
সেথায় থাকে বাসাতে সে একা
আত্নীয়স্বজন কখনো হয় দেখা
কোন দিন ছবি আঁকা ও লেখা
স্কুলে যেতে করে যা তাড়াহুড়া।

আল্লার কাছে শত প্রার্থনা করি
দেশ বিদেশে নাতনী দু’টি ও মা
বাবা সব আত্নীয় স্বজনও যারা
সকলকেই সুখ সাচ্ছন্দ্য আরাম
আয়েসে রাখতে খোদাকে স্মরি।

Similar Posts

  • শরৎকালের বৈচিত্র

    শরৎ উৎসবেরও আগমনী বার্তা নিয়ে আসেএ দেশের মানুষ তখন উৎসবের আয়োজনেওঠে মেতে উদযাপন করে ভাদ্র আশ্বিন মাসে। বিভিন্ন প্রকার আহার উৎসবই এ ঋতুতে হয়সনাতন সম্প্রদায়ের শারদীয় উৎসব পালনওনবান্ন ধানের পিঠা পায়েসেরও রেওয়াজ রয়। আনন্দ এনে কৃষকের মাঝেও দেয় শরৎকালচলে গেলে বর্ষা মাঠ থেকে ত পানি সরে যায়জমিচাষ করতে কৃষক আরো মাঠে ধরে হাল। হেমন্তী ধানের…

  • বন্ধুও ভয়ংকর হয় !

    নতুন জিনিস সব উৎকৃষ্ট হয় মনেআর বন্ধুত্ব যত পুরাতন হয় ততইসর্বশ্রেষ্ঠও দৃঢ় রয় যা সবাই জানে। শত্রুর চেয়ে বন্ধুকে কর বেশি ভয়কোন বন্ধু শত্রুতে যদি পরিনত হয়শত্রুতা উদ্ধারের পথও খোলা রয়। চারদিক হতে মানুষ দূরে রয় সরেউপরের দিকে যখন উঠতে থাকেতার কাছের লোক দূরে যায় পরে। শীর্ষে পৌঁছে যদি কেউ যায় কখনচতুর্দিক থেকে সবাই তারও…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • প্রাণ রক্ষা পায় !

    ঘুম থেকে উঠে শুনি গন্ডগোলচতুর্দিকের মানুষ দৌড়া দৌড়িকরে এসে উপস্থিত হতে থাকেশুরু হয়ে যায় অনেক হুলস্থুল। যত সময় যায় লোকজন বাড়েখুব প্রভাতে এক বাস দুর্ঘটনায়কবলিত হয় তুলনামূলক ভাবেঅধিক আঘাত পায় তার ঘাড়ে। ঐ লোক বহু দূরের যাত্রী ছিলোরাতের আঁধারে কুয়াশাতে ঘেরাদেখা যায় নি একান্ত খুব সামনেছাড়া ফলে তারা কবলিত হলো। আল্লাহ তায়ালা কত মেহেরবানদুর্ঘটনাতে পতিত…

  • ঘামে ভিজে !

    পিতাকে নিয়ে বাণী পড়তেই গেলেচোখেতে চলে আসে জল একজনবাবা সন্তানের জীবনে তিনি বটবৃক্ষস্বরূপ যে বৃক্ষে শীতল শান্তিই মিলে। বেড়ে উঠে সন্তান পরম মমতা ভরেবাবার শক্ত হাত সন্তানের সব বাধাবিপত্তিও দূরে ঠেলে দেয় বুক দিয়েশিশুকে জীবনে আগলে রাখে ধরে। আমরা আবেগাফ্লুত হয়ে পড়ি কতবাবাকে নিয়ে উক্তিও পড়তে গেলেপ্রতিটি সন্তানেরই জীবন গঠিত হয়বাবার শ্রমে আর ঘামে ভিজে…

  • কতো দু:খ !

    যতো পিতা মাতা আছেন জগৎ ভরেসন্তানদের জন্যে তারা সব ত্যাগ করেস্নেহ ও মমতার কোনো সীমা না ধরে! ছেলে মেয়েদের জন্যে যত মোহ মায়াশতো আরাম আয়েশ সুখ শান্তি এসবছেড়ে দিয়ে সন্তানদেরকে করেন দয়া! কখনো দেখেন তো ওদের মলিন মুখসাহায্য ও সহানুভূতিতে হাসি ফুটাতেনা পারলে বেড়ে যায় মা বাবার দু:খ! অসুখ বিসুখে আর ভোগে যদি জ্বরেখাদ্য গ্রহণ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *