ঘামে ভিজে !

পিতাকে নিয়ে বাণী পড়তেই গেলে
চোখেতে চলে আসে জল একজন
বাবা সন্তানের জীবনে তিনি বটবৃক্ষ
স্বরূপ যে বৃক্ষে শীতল শান্তিই মিলে।

বেড়ে উঠে সন্তান পরম মমতা ভরে
বাবার শক্ত হাত সন্তানের সব বাধা
বিপত্তিও দূরে ঠেলে দেয় বুক দিয়ে
শিশুকে জীবনে আগলে রাখে ধরে।

আমরা আবেগাফ্লুত হয়ে পড়ি কত
বাবাকে নিয়ে উক্তিও পড়তে গেলে
প্রতিটি সন্তানেরই জীবন গঠিত হয়
বাবার শ্রমে আর ঘামে ভিজে যতো।

কখনো বিলিয়ে দেন নিজের জীবন
শুধু নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দই নয় বাবা
সন্তানকে আগলে রাখতে গিয়ে তো
আরাম ও আয়েশ সব দেন বিসর্জন!

Similar Posts

  • রক্ত ঝরা দিনগুলো !

    দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছেত্যাগ এবিং সংগ্রামের ফসলস্বাধীনতা শুধুই একটি ভূখণ্ডনয় অর্থনৈতিকও সাংস্কৃতিকমুক্তির জন্য জনযুদ্ধ হয়েছেবহু রক্তের সাগর বয়ে গেছে ! অংশ নিয়েছিল কতোই মানুষশ্রমিক কৃষক শিক্ষক ডাক্তারইঞ্জিনিয়ার পুলিশ যা সৈনিকসবাই ওই যুদ্ধে অংশ নিয়েছেঅসম লড়াই অকল্পনীয় অংশগ্রহণ ছিল না যাদের তো হুঁশ ! আত্মমর্যাদা ও সমৃদ্ধির জন্যসম্মোহনী নেতৃত্বে যুদ্ধ হয়েছেআত্মপরিচয়ও নিজের ভাষাসংস্কৃতি সমাজ অর্থনীতির…

  • ছোটমনি দূরে 

    সবার ছোটমনি যেস্নেহের নাতনি সে।বিদেশে সে আছেনেই আশে পাশে।হৃদয় মন নিয়েছেকষ্টও বেড়ে গেছে।মোদের মাঝে নাইবিরহের দুঃখ পাই।ফোনের জন্যে রইআলাপে শান্তি হই।অনেক কথাও বলিআনন্দ ধরে ই তুলি।সৃষ্টিকর্তা করো দয়াসকলকে কর মায়া।

  • আপুর বিরহ

    আপু দেশে তুমি বিদেশপ্রাণের রাইফা মনিগেছো ত্যাগ করে স্বদেশ। বহু দূরে থাকো ভালোআম্মু আব্বুসহ সুখে থাকোপ্রতি দিন ফোনে কথা বলো। সর্বদা তোমাকে স্মরণ হয়ভিডিও কলে আনন্দ বয়আরো কত গল্প সল্প রয়। তুমি দেশে নেই বলেবিরহ বেদনায় মন জ্বলেফোন করলে শান্তি মিলে। আল্লাহ তায়ালা মেহেরবানসুখ শান্তি করেন দাননিরাপদে রাখেন জানমাল। সৌজন্যে : তাইফা।

  • খোদার করুণা !

    কতো দুর্ভোগে লোকযতোই অশান্তি শোকচেপে রাখে শত দু:খ! অনেকে প্রকাশ করেকাঁদেও অধিক শুরেচুখের পানি যা ঝরে! কোনো আঘাত পেলেআরো দু:খ যদি মিলেব্যথার আগুনে জ্বলে! সময়ই যায় হেলে ধুলেকাজকর্ম রেখে ফেলেভাগ্যে সুখ নাহি মিলে! আল্লার দয়ায় যে রয়অসীম শান্তি কত হয়কোন অসুখী সে নয়!

  • পরমানন্দ

    সবার মনে কতো আনন্দছোটো বড়ো তথা আবালবৃদ্ধ বনিতা শ্রমিক – মজুরধনী গরীব সকলেরি ফুর্তিউল্লাসের থাকে পরমানন্দ। কোন উৎসব অনুষ্ঠান হয়তা বেশ সুন্দর ও সুষ্ঠভাবেপালনের লক্ষ্যে পূর্ব থেকেনিষ্ঠার সহিত গুরুত্ব দিয়েকাজ কর্মে শত সচেষ্ট রয়। আরো কতো লোক আছেদায়িত্ব এড়িয়ে চলে যেতেথাকে আবার কখনো যদিভালো সুযোগ হাতে আসেফায়দা লোফে নেয় পাছে।

  • দূর্ঘম পথ অতিক্রম

    যত মনে পড়ে যেন তখন খুব ছোট ছিলামসেদিন আমি বাড়িতে একা আম্মু বললেনবাবা তুমি কি তোমার বোনের বাড়ী যেতেপারবে খুশির হাসি দিয়েও পারব বললাম। তাহলে বাবা তুমি যাত্রা সেদিকে শুরু করযাতায়াত করতে সতর্ক হয়ে চলতে থাকোকোন বিপদের সম্মুখীন না হয়ে যে সহজেউপস্থিত হও আল্লার নামও যত জপন ধর। তিনি বললেন বাছাধনের জন্য দোয়া করিআল্লাহ যেন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *