ভেজাল প্রতিরোধ

অসাধু ব্যবসায়ী মাছে মিশাচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন
ক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রোফাইল ফলে আর প্যারা
টিটিনিয়াম পাউডার ও বেকারি সামগ্রীতে রয়েছে
বিষাক্ত রং মুড়িতে ইউরিয়া সার দেয় যত জালিম।

ভেজাল খাদ্য খেয়ে অসুস্থ হয়ে যত ঔষধ খাবেন
আর ঐ জীবন রক্ষাকারী ঔষধেও ভেজাল রোগ
সারছে না আরও নতুন নতুন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে
কারণ ঔষধের ভেজাল নিরাপত্তা কোথায় পাবেন।

আমরা কোথায় এসেই পৌঁছেছি কল্পনা করা যায়
চতুর্দিকে ভেজালে সয়লাব যে কোনো মূল্যে বন্ধ
করতে হবে ভেজাল শুধু হাতকড়া পরিয়ে কয়েক
মাসের জেল দিলে সমাধানই হয় না কোন উপায়।

রাসায়নিক দ্রব্যের সহজ প্রাপ্যতা বন্ধ করতে হবে
ভেজাল দ্রব্য উৎপাদনকারী কারখানাগুলোই বন্ধ
করে দিয়ে এবং এর জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা তবে তো সকল শান্তিতে রবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন
এটাই একটা জাতীয়ও জীবনমরণ সমস্যা সুশীল
সমাজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে যতো সোচ্চার ভেজালের
বিরুদ্ধে রোখে দাড়াতেও সকলে করো আয়োজন।

ভেজাল প্রতিরোধে সচেতনতা করতেই হবে লাভ
কৃষক ছাত্র শিক্ষক ভোক্তা ব্যবসায়ী রাজনৈতিক
দল প্রশাসন আইন ও বিচার বিভাগসহ সর্বস্তরের
প্রতি মানুষের মধ্যে থাকতে হবে কঠোর মনোভাব।

Similar Posts

  • রেহাই নেই

    হঠাৎ কি যে হলোপিছে একজন ছিলসে কোথায় গেল ? দেখলো থাকিয়েওকে নিয়ে যাচ্ছেএকদল হাঁকিয়ে! দেরি নাহি করেতাড়াতাড়ি তারাগাড়িতেই ভরে! সাহায্যের তরেলোকটি তখনকাঁদে কত জোরে! তারে করতে রেহাইলোকজন এগিয়েছাড়ার দিল দোহাই! দেয়না তাকে ছাড়জোরে বলে মোরাভেংগে দিবই হাড়! জানা যায়নি পরেকরল কি যে ওরাফেলছে হয়ত মেরে!

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • প্রতিপালক

    আল্লাহ তায়ালা কত যেন সুচারু করেসৃষ্টি করেছেন পৃথিবী এবং এর উপরেপাহাড় স্থাপন করেছেন মোদেরই তরে। ভূমির ভিতরাংশ সুষমরুপে আছে ভরাঅসংখ্য খাদ্য দ্রব্য কতই উৎপাদন করেপরিশ্রমী হয়ে সবই ভোগ করছি মোরা। মানব জাতির কল্যাণে খোদা বরকতময়করেছেন সব কৃতজ্ঞতা প্রকাশে ব্যবহারকরছি অনায়াসে মোরা যা প্রয়োজন হয়। সকলে মোরা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে মানিবিধি নিষেধ মেনে চললে ইহ-পরকালেশান্তি যে পাব…

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

  • চড়াই উৎরাই

    কার কত আছে বল,সবই কিন্তু হবে তল।বাহাদুর এবং সবল,সকল ই হবে দুর্বল।বলিষ্ঠ নির্যাতন করে,ক্ষীণরা অবাধে মরে।স্থায়ী থাকেনা বড়াই,যত চড়াই ও উৎরাই।বাহাদূরী অহংকারী,সব হবে প্রলয়ঙ্কারী।শক্তি দাপট ও বল,হয়ে যাবে রসাতল।সময়ে সব হবে ধ্বংস,বিলুপ্ত হয়ে যাবে বংশ।

  • শ্রমিক – মজুর

    শ্রমিক – মজুর অগনিত লোকরয়েছে তাদের কষ্ট আরো দুঃখ।যেদিকে তাকায় শুধু দেখে নায়ধান্দায় থাকে কোথায় কি পায়।অভাব অনটনে করে হায় হায়দুর্গতি দূর্দশায় পড়ে দিন যায়।প্রতীক্ষারত থাকে কাজে যাবপরিশ্রমের টাকাও যেথায় পাব।বাজার সদায় যত কিনে নিবপরিবার পরিজন নিয়েই খাব।ধনী বিত্তবানগণ সাহায্য দিবেদুর্ভোগ ভোগান্তি দূর যত হবে।সামান্য হলেও সুখ শান্তি সবেক্ষনিকের তরেও ভোগেই রবে।অভাবের মাত্রা দূরে যায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *