শান্তির পথ !

আমার লিখন চলতেই রবে
আল্লাহ যত তওফিক দিবে
ভালো ও খারাপ বর্ননা রবে
কেউই পাবে মনে কষ্ট তবে!

কষ্ট আর বেদনা দেখার নয়
লেখার যতোটা লিখতে হয়
নির্ভর শুধু আল্লাহর দয়াময়
তাঁর সন্তোষ্টির জন্য যা রয়!

আমাদের আছে বিভিন্ন মত
সবাই খুঁজ করে শান্তির পথ
খোদা তায়ালা দয়াবান কত
তিনি উদ্ধার করেন শত শত!

অগনিত মানুষ পেটের দায়
দুর্ভোগ দুর্গতি তাদেরে পায়
অনেকের দিন শান্তিতে যায়
আল্লাহর করুণায় সুখে খায়!

Similar Posts

  • শান্তি সারাবেলা !

    যে কোন মুহুর্তে দেখা হবে তোমার সাথেতার পর জীবনভর থাকব তোমার পাশে দীর্ঘদিন প্রতিক্ষার পরেই পরিশেষে দেখাআমাদের সাক্ষাতের ভাগ্যে ছিলো লেখা। কুশল বিনিময়ের পরে উভয় বের হলামকিছুক্ষণ পর রাস্তায় আরো বন্ধু পেলাম। সবে মিলে গল্প করে এক রেস্তোরাঁয় যাইসেথায় কতো পরিচিত কয়েক জন পাই। দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা নাস্তা করিনাস্তা পানীয় সারার পরে বের হয়ে…

  • অহমিকা

    মানুষকে বিবেচনা করার জন্যযতো অনুসরণ করা হয়ে থাকেব্যত্যয় ঘটলে মনে করা হয় নষ্টভণ্ড কিংবা নিষ্ঠুরও বলে যাকে। অনেক অনেক মানুষের ক্ষেত্রেএই ব্যত্যয়টা থাকে যেনো ঘটেমনোবিজ্ঞানী সবে বলে থাকেনমূলত অহমিকায় ভাগ্যে জোটে। সুপ্ত থাকে যেন মানুষের জিনেসবার চেয়ে তো নিজেকে সেরাভাবার প্রবণতা কতো কারণেরমধ্যে এটাও একটা জানি মোরা। কঙ্গোর বিখ্যাত মহাবনও যেনঅতোটা গভীর অন্ধকারের নয়যতোটা মানুষের…

  • দৃষ্টি নন্দন

    আল্লাহতায়ালা সবকিছু করেছেন সুশোভিততাঁর সুনিপুণ সৃজন দক্ষতায় সৃষ্টি জগতেরসৌন্দর্য নান্দনিকতায় রেখেছেন সুসজ্জিত। চন্দ্র সূর্য তারকা দ্বারা রেখেছেন সৌন্দর্যময়আকাশ আর জমিনকে গাছ-গাছালি ফলফলাদিপূর্ণ করেছেন দৃষ্টি নন্দন শোভাময়। পাহাড় -পর্বত নদী-নালা সৃষ্টি মানুষের দায়খাল বিল পুকুর ভরা জল চতুষ্পদ জন্তুকেদিয়েছেন অধীন করে যাতে উপকার পায় । সব চেয়ে শ্রেষ্ঠ সুন্দরতম সৃষ্টি হচ্ছে মানুষআল্লাহ সুশ্রী গঠন উত্তম অবয়ব-চেহারায়তৈরি…

  • অবিরত

    জগতটা নিয়মেরই গতিতে চলে  , আল্লার ঈশারায় সব কিছু ফলে । সবার খাদ্য তাঁর করুণায় মিলে  ,গাছে কত রঙের ফুল ফল দুলে ।খাল বিল নদ নদী পুকুরের জল ,পান করার উপযোগী কত নির্মল।ধরণীতে যতই বিরাজমান আছে , সাগর জলস্থান ভরে আছে মাছে।পাহাড় পর্বত যত গাছ লতাপাতা , পাখিরা নেচে গেয়ে ঘুরে যথাতথা। হাঁস মোরগী গরু ছাগল ভেড়া কত,দুধ দই  মাখন…

  • পাখ পাখালি

    আকাশে চাঁদ তারার খেলা,গাছের ডালে পাখির মেলা।এডাল থেকে ওডালে যায়,খানা খাদ্য কতই না পায়।হেলে দুলে নেচে নেচে,মুগ্ধ তারা গানা গেতে।ময়ূর তার পেখম মেলে,ময়ূরী চলে তালে তালে।বন বনানী গাছ গাছালি,হরেক রকম পাঁচ মিশালি।নিয়ম মাফিক আছে তারা,তাদের কোন নেইকো সাড়া।

  • চরিত্র

    ধরণীতে যতো রয়েছে কুজননুনের মতো কতই তীতকুটেজ্ঞান দেয় যেন তারাই সুজন ! নানা রুপের মানুষের চরিত্রসুযোগে তারা ঢেঁকুর তোলেবলে বন্ধু তারাই কত পবিত্র ! তাদের চতুর অভিসন্ধির ভয়মিষ্টি কথার আড়ালে থাকেচেহারায় কোন প্রকাশ না রয় ! এক অদৃশ্য বস্তু চরিত্র সেইবসবাসরত হিয়ার মাঝে ইআত্বায় লুকিয়ে আছে যেই। কখনও নুনে ধরেনি পোকাযার প্রমাণ ইতিহাস আছেমানবরাই সর্বদা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *