দৃষ্টি নন্দন

আল্লাহতায়ালা সবকিছু করেছেন সুশোভিত
তাঁর সুনিপুণ সৃজন দক্ষতায় সৃষ্টি জগতের
সৌন্দর্য নান্দনিকতায় রেখেছেন সুসজ্জিত।

চন্দ্র সূর্য তারকা দ্বারা রেখেছেন সৌন্দর্যময়
আকাশ আর জমিনকে গাছ-গাছালি ফল
ফলাদিপূর্ণ করেছেন দৃষ্টি নন্দন শোভাময়।

পাহাড় -পর্বত নদী-নালা সৃষ্টি মানুষের দায়
খাল বিল পুকুর ভরা জল চতুষ্পদ জন্তুকে
দিয়েছেন অধীন করে যাতে উপকার পায় ।

সব চেয়ে শ্রেষ্ঠ সুন্দরতম সৃষ্টি হচ্ছে মানুষ
আল্লাহ সুশ্রী গঠন উত্তম অবয়ব-চেহারায়
তৈরি করেছেন তাই সকলে চলো করে হুঁশ।

মানুষকে বৈশিষ্ট্যগত সৌন্দর্যও দিয়েছেন
সুঠাম আর সুসামঞ্জস্য করেছেন তিনি যে
আকৃতিতে ইচ্ছে সে রুপে গঠন করেছেন।

Similar Posts

  • ভুকা-ফাঁকা থাকে !

    এক অসহায় ছেলে দেখে দু:খ হয়তার জীবন ভরে যতো অশান্তি বয়দু:খ দুর্দশাতে সর্বদা জর্জরিত রয়দুর্ভোগ দুর্গতির কত জ্বালাতন সয়তার মা বাবা কেউতো জীবিত নয়! অন্যহীন বস্ত্রহীনতো দীনহীন কতোঅনেক দিন ভুকাফাঁকা থাকে যতোমা বাবা মৃত্যুর হয়েছে বহু দিন গততাঁরা জীবিত থাকলে যত খুশি হতকষ্ট অশান্তি দূরে তার থাকতো শত! জীর্ণ বস্ত্র ও শীর্ণ গাত্র ক্ষুধার বেশেদু:খ…

  • প্রাচীন কাল!

    অনেক দিন পূর্বে আজি হতেছিলনা সে কালে পর্যাপ্ত রাস্তাএবং ভাল বাহন তখনি মানুষচলাচল করতো কোনো মতে। ছিল দুর্বিষহ যন্ত্রণা কষ্টের যুগসে সময় যাতায়াত করে কতোহিমসিম খেতে হতো প্রয়োজনকর্মে লোক করেছে কষ্ট ভোগ। একদা ছুটছেই অবিরাম গতিডানে ও বায়ে না তাকিয়ে খুবপেরেশানিতে দ্রুত বেগে চলেযেনো ঠিক ছিল না তার মতি। মাঠ ঘাট পেরিয়ে যায় কতোআরো নদী…

  • চরিতার্থ

    কি আর লিখবো আমি ভাষা নাহি পাইচার দিকেই ঘিরে আছে কতো অসংখ্যধোকাবাজ তাদের কু মতলব চরিতার্থকরার জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরে ফিরে যতসরল তারা খপ্পরে না পড়ে উপায় নাই। তাদের চক্রান্ত কতো যেনো শক্তি ধরঅনেক চালাক চতুর আরো তারা পটুচলা ফেরায় শীঘ্র সংঘবদ্ধ হয়ে থাকেনিরব ভুমিকা রয় উত্তেজিত হলে তয়কথা বার্তায় জোরে থাকে গলার সর। খোদা…

  • জুরালো কন্ঠস্বর

    আনন্দ উল্লাসে নাতনিটি মোরপ্রতিদিন ফোনে এক দুই বারোকথা বলে এক রুম থেকে অন্যরুমে যায় হাসি খুশিতে কতোওআরোও জুরালো তার কন্ঠস্বর। কি ভংগিমাও কথা বলার তারমোবাইলে আলাপ করার সময়সে দাদুকে আবার তো কোনওসময়ে স্নেহের আপা মনিকে ইচায়ও দীর্ঘ সময় কথা হয় যার। নাতনির কথা বার্তায় হাসে সবমাঝে মধ্যে এমন যেনো কতোকিছু বলে মনে হয় তার যতোকথা…

  • ঢল

    দূর্যোগ দূর্ভোগের এসে যায় বণ্যা,হায় হায় রব জুড়ে শুরু হল কান্না।দূর্গত দূর্গতির রোষানলে যারা,সহযোগীতার কেহ পায়নিগো তারা।মানব দানব আরো কত পশু-পাখি,অসংখ্য অগনিত ঢলে গেছে ভাষি।একই সাথে সকলের বিপদ এসে যায়,আল্লার মেহেরবানীতে শেষে রক্ষা পায়।

  • কবিতা ০১ থেকে ৯০০ টি

    শারীরিক অনেক অসুস্থতার মধ্যে থেকেও আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য ১২.০৩.২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ , রোজ মঙ্গলবার ; স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৯০০ টিতে পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা ” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম — ” বাসা বুনে ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম একটি অভীষ্ট…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *