পাপের স্থিরচিত্র

খোদা কিছু মানুষকে করবেন না ক্ষমা
সর্বব্যাপী ক্ষমার ঘোষণা থাকার পরও
মহানবী (সা.)সেই শ্রেণির মানুষের জন্য
জারি করেছেন সতর্কতা যারা গোপনে
পাপ করে পরে অন্যের কাছেও প্রকাশ
করার ফলে সব কিছুই রয়ে যায় জমা।

অন্যের কাছে প্রকাশ করার কারণ হল
কেউ যদিও রাতের আঁধারে যে কোনো
গুনাহ করল এবং ওই ব্যক্তির গুনাহকে
মহান আল্লাহ গোপন রাখলেন কিন্তু সে
ভোরে নিজে অন্য জনের কাছে ইচ্ছায়
প্রচারেও রাতে এ কাজ করেছি বললো।

পুরো রাত মহান আল্লাহ ঐ ব্যক্তির পাপ
গোপন রাখলেন আর ভোর হওয়া মাত্রই
আল্লাহর ঢেকে রাখা পাপের বিষয়টি সে
ব্যক্তি নিজেই প্রকাশ করে দিল কোনোও
ব্যক্তি যদি অনিচ্ছা সত্ত্বে পাপ কার্য করে
গোপন রাখে খোদা চাহেত করবেন মাফ।

রবের বিধান না মেনে যে পাপাচার করে
আজকাল যারাই প্রতিনিয়ত নানা রকম
গুনাহের ভিডিও এবং স্থিরচিত্র ফেসবুক
টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়ে তারা নিজের
গুনাহের অসংখ্য সাক্ষী তৈরির পথ ধরে।

Similar Posts

  • দাপট

    ধরণীতে যা কিছু আছে বিরাজমান ,সকল কিন্তু সৃষ্টি কর্তার অশেষ দান।নদ নদী সাগর আর মহা সাগর যত ,জীব জন্তু আছে যে অনেক শত শত।পাহাড় পর্বত বন বনানী জংগল যত ,তরু লতা বৃক্ষরাজী প্রভূর নামে রত।পাখি সব এ ডাল থেকে ও ডালে যায়,মনের সুখে কতই গান মিষ্টি শুরে গায়।বাঘ ভালুক সিংহ যত, হিংশ্র প্রাণী যারা,দাপট হুংকার…

  • বার্ধক্যের ছাপ

    পৃথিবীতে কোনো মানুষেরইবয়স হয়ে যায় চল্লিশ যখনসত্তর হলে সব কিছু অতীতবার্ধক্যের প্রতীক পড়ে তখন। মনে হবে বয়সে আসলে যেনশরীরে কাহারো সুস্থতা থাকেসংখ্যা মাত্র বেড়ে গেলে ক্রমেবিশেষ সমস্যা হবে না ফাঁকে। কে কত দিন থাকবে জগতেকেউ কখনোই জানতো যদিতাহলে সবে নিজের ভালোটিপরিচর্যা করে যেতো নিরবধি। একাকীত্বের সময়টা ভোগারনিমজ্জিত হয়ে হতাশার গাঙেবার্ধক্য যেনো আজন্ম লালিতবিশ্বাসে বার্ধ্যক্য পৌঁছে…

  • তেজস্বী

    সময়ে যাদের অনেক দাপট,অসময়ে তারাও খায় চাপট।বন জংগলে বাঘ সিংহ রাজ,কতইনা তাদের বাহাদুরি সাজ।বীর দর্পে চলে হুংকারের তেজ,অন্য প্রাণী গুটিয়ে নেয় লেজ।দৈবাৎ বনাঞ্চল আগুনে যদি পুড়ে ,অথবা মহা প্লাবনে পুরো গেলে ডুবে।বীরেরা আত্নরক্ষা করতে তখন ঘুরে,বীরত্বের চলা ফেরা একদম যায় দূরে।মানবজাতি হল সর্বশ্রেষ্ঠ বীর,তারাও অনেক সময় পায়না তীর।কে করবে কার উপর কত বাহাদুরি,গতিতে হয়েছে যেন…

  • বিরহ ব্যথা !

    কখনো করুন বেদনায় নিমজ্জিত হয়আনন্দময় আরো যে উল্লাসের জীবনকখন কিযে ঘটে কেউ বলতে পারেনাকারো ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে যা রয়। আজ যে সুখী জানেনা তো কিনা ঘটেফুর্তি আমোদে যতো সুখ সাচ্ছন্দেয়ইসময় যায় হেসে খেলে হয়তো সে এরপরক্ষণেই দুর্গতিতে পড়ে কত জোটে! কাতর মনে বেজেই উঠে বিষাদের সুরবিরহ জ্বালা অনেক কষ্টদায়ক আরোঅসহ্য যন্ত্রণার মুহুর্ত অতিক্রম করাটাকতযে পীড়া…

  • পাষণ্ড নরাধম

    পাষণ্ড নরাধম আছে কতরাস্তা ঘাটে তারা শত শত!তারা সংখ্যায় যতই অধিকওয়াদার যে থাকেনা ঠিক!অন্যের বিপদে স্বার্থ মিটায়দুঃখের সময় বিপদ ঘটায়!সুযোগের চেষ্টায় কত থাকেস্বার্থসিদ্ধি করে নেয় ফাঁকে!পরের অনিষ্ট সর্বদাই করেফন্দি চরিতার্থেই রাস্তা ধরে।সমাজে ওরা অনেক আছেক্ষতি করতে থাকেযে পাছে।নির্বোধের ও মত ধীরে চলেপাষণ্ডরা গুছিয়ে কথা বলে।আল্লার কৃপার কামনা করিওদের হতে মুক্তির পথ ধরি।

  • অবহেলা

    দু:খ দুর্ভোগের সংসার যারজ্বালা যন্ত্রণাতে কত ভোগেশতো কষ্টের জীবনটি তার। সকাল দুপুর বিকেল বেলাঅধিক পরিশ্রম করে আরকাজে কর্মে নেই অবহেলা। কখনোই করেনা হেলাফেলাআয়ের ধান্দায় রয় কিভাবেসে তাড়াবে অভাবের জ্বালা! কঠিন পরিশ্রমে অভ্যস্ত যারাসত্য আরো নিষ্ঠাবান হলে ইআল্লার দয়ায় সুখী হয় তারা! খোদার কৃপাতে কতো রহমতউপাসনা আরাধনায় লাভ হয়আর্থিক মানষিক সব বরকত!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *