পাষণ্ড নরাধম

পাষণ্ড নরাধম আছে কত
রাস্তা ঘাটে তারা শত শত!
তারা সংখ্যায় যতই অধিক
ওয়াদার যে থাকেনা ঠিক!
অন্যের বিপদে স্বার্থ মিটায়
দুঃখের সময় বিপদ ঘটায়!
সুযোগের চেষ্টায় কত থাকে
স্বার্থসিদ্ধি করে নেয় ফাঁকে!
পরের অনিষ্ট সর্বদাই করে
ফন্দি চরিতার্থেই রাস্তা ধরে।
সমাজে ওরা অনেক আছে
ক্ষতি করতে থাকেযে পাছে।
নির্বোধের ও মত ধীরে চলে
পাষণ্ডরা গুছিয়ে কথা বলে।
আল্লার কৃপার কামনা করি
ওদের হতে মুক্তির পথ ধরি।

Similar Posts

  • বঙ্গ ভূমি

    অতিশয় প্রাচীন যেন বঙ্গ ভূমি।রামায়ণ-মহাভারতের আখ্যানেএর উল্লেখ আছে বাংলার জমি অনেক বছরের পরিক্রমায় যাএকপর্যায়ে এই জনপদের নামহয়েছে যে বাংলাদেশ নামে তা। অধিবাসী মোরা সকল বাঙালিআধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার যত স্ফুরণইংরেজ আমলে ঘটে বাঙালির। ঐ সময় রাজ নৈতিক দল হয়তৈরি সীমিত আকারে চালু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া রয়। শুরু হয় ইংরেজ বিরোধী লড়াইসর্ব ভারতীয় জাতীয়তা বাদেরশুরুর সময় হয় যে…

  • বিনয়ের অবতার

    মনের মতোই বন্ধু যদি নাহি থাকো তুমিনিবিড় সম্পর্ক হৃদয়ের সাথে তাও জানি।রাত্রিগুলি মিশে গিয়ে স্তব্ধ করেই তোলেপরিপূর্ণ করে সকল দৃষ্টি অন্ধকার মিলে।কতো অন্তর শান্তি হয় আনন্দ মোহ ভরেশিরোনামেই নয় এসো পঙক্তির ভিতরে।বিনয়ের অবতারে তো তুমি চোখের মনিকতো যে তাল লয় ছন্দের সোনারি খনি।মোর মনপ্রান ভরে তোলে দারুন লেখায়একমাত্র নিরস বর্নহীনেও সাহস যোগায়।শতো লেখা নিয়েই যায়…

  • পুতুল খেলা

    তাইফা রাইফা দু’টি বোনখেলায় থাকত বেশীক্ষণ।ঘটি বাটি থালা বাসন যতসেগুলো নিয়ে খেলত তত।পুতুলের দিত কানে দোলকেউ নিলে হতো গন্ডগোল।পরাতো তারা সুন্দর শাড়িউভয় হাতে পরাতো চুড়ি।দু’টি বোন গলাগলি করেআনন্দের সীমা নাহি ধরে।পুতুল দু’টি দুজনের হাতেআদর সোহাগ দিত তাতে।ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলেস্নেহ যা করত হেলে দুলে।জন্মদিন উৎসব উদযাপনউল্লাস কত করত জ্ঞাপন।পুতুল ওদের মনে হয় সবতারা করতো অসীম…

  • শ্রেষ্ঠ বাণী !

    বহু মানুষ বিভিন্ন মনীষীদের খুঁজে বাণীএমনকি সেরা ইসলামিক উক্তি এগুলোমানুষের জীবনে কতটা কার্যকরী প্রতিটিমানুষ তার জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হননিম্নোক্ত ছন্দগুলো হতে নিবে বহু জানি। তোমরা কল্যাণেরই উপদেশ গ্রহণ করোস্ত্রীলোকদের ব্যাপারে কেননা তাদেরকেতৈরীই করা হয়েছে পাঁজরের হাড় থেকেআর সবচেয়ে বক্র পাজরের যা উপরেরঅংশে থাকে ইহা জেনে চলার পথ ধরো! যদি সোজা করতে যাও তা ভেঙ্গে যাবেআর…

  • মা বাবার আহাজারি

    খুব কান্না করছে বসে ছোট এক ছেলেসামান্য পরে এসে তার মা নিল কোলে।বাসায় যাওয়ার পরেই বল নিয়ে খেলেখেলতে গিয়ে পড়ে বল পুকুরের জলে।বলটি আনার জন্যে পুকুরে যায় নেমেপুকুরে নামলে পানির নীচে গিয়ে থামে!প্রচুর পানি ছেলের নাকে ও মুখে ঢুকেউদ্ধার করে চাপ দেয় পেটে আর বুকে!জোরে চিৎকার দেয় কষ্টে এবং দুঃখেপেটে চাপ দিলে ই পানি বের…

  • ঋতু বৈচিত্র

    গরমে লোকজন হতাশ,যদিবা না থাকে বাতাস।খাঁ খাঁ রোদে হাহাকার,মাঠ ঘাট যেন নিরাকার।উত্তপ্ত বালু রাশি পাথর,উত্তাপে লোকজন কাতর।বর্ষায় মোশল ধারে বৃষ্টি,চতুর্দিকে জলাশয় সৃষ্টি।চলাচলের হয় অসুবিধা,ছাতা ছড়া থাকেনা সুবিধা।শীতের আগমন যবে ঘটে,জামা পোশাক পরে বটে।কাঁথা কম্বল লেপের কদর,অনেকে পরে সুয়েটার চাদর।বয়ষ্ক দীন হীন গরীব যারা,বেশী কষ্টে থাকে শীতে তারা।শির শির শীতে কাপুনী ধরে,শীতের প্রকোপে অনেকে মরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *