কত অসহায়

                                                    

জন্মের শুরু থেকে কতো অসহায় ,
মা বাবা পরিজন সকল ই সহায়।
খাবারের প্রয়োজনে কান্নার শুর,
তাড়াহুড়ো করে মা থাকে যদি দূর।
যাদু মনি বাছাধন আহ্লাদের বানী ,
আনন্দে জড়িয়ে মুছে চোখের পানি।
আল্লাহর নাম যপে শান্ত করে তারে,
জিকির আজকারে কত সুর যে ধরে।
খাবার দেয় হাত বুলায় বদনেতে তার,
তন্দ্রার পরে ঘুম ধরে, সোহাগেতে মার।
আদরের শোনা মনি জাগবে কখন ?
মায়ের খেয়াল থাকে সেদিকে তখন।
দিবা নিশি কাটে তাঁর সন্তানের তরে,
অনুকম্পা অনুরাগ মায়ের জীবন ভরে।

Similar Posts

  • উচাটন !

    তোমার সুখ ও সাচ্ছন্দ্য কইসকাল দুপুর বিকেল সন্ধায়দল বেঁধে ছিল হৈ হৈ রৈ রৈ! হয়ে গেছে কতো বিষন্ন মনআনন্দ আর উল্লাসহীন তনপ্রাণে চলছে অধিক উচাটন! কখন কার ললাটে কি ঘটেকেবলমাত্র বিশ্ব নিয়ন্তা সবজানেন শেষে কি বা জোটে! ঐশ্বর্য বিত্তের যতো না বড়াইধ্বংস হতেও পারে ক্রমান্বয়েএজন্য করোনা চড়াই উৎরাই !

  • বিদ্বেষী ভাব

    প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের বিদ্বেষী কত ভাবপাহাড় কাটার হুকুম দেয়না কোন লাট সাব। আমরা শহরের কলেবর সবে বৃদ্ধি করেছিপ্রকৃতির বিসর্জনে উন্নয়নের ও পথ ধরেছি। ইটের পর ইট গেঁথে শুধু দালান করি নির্মাণপ্রকৃতির স্থান কোথা তার নেই কোন প্রমাণ। বুক ভরে নির্মল বাতাস নেয়া যায় না শহরেএকটু জায়গা নেই খালি নগরে ও বন্দরে। বাড়িতে নেই উঠান গাছ…

  • ছন্দের তালে তালে !

    যাতনার আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে  আর সে আগুনও ছড়িয়ে গেল সব খানে।  অগ্নিবীণা মোর হৃদয়ে উঠলো হঠাৎ বেজে  সুর লহরী ধরে ডেকে উঠলো কতো তেজে।  কান্নার রোল একদিন উঠবেই তব বাড়িতে পাড়া পড়শী আসবে সারিতে আর সারিতে।  আল্লার নেয়ামত দাউদ নবীর মোজেজা সুর দাউদ নবীর বাঁশির সুরও যেতো অনেক দূর।  বড় একটি সুরের আওয়াজে…

  • ভেজাল প্রতিরোধ

    অসাধু ব্যবসায়ী মাছে মিশাচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিনক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রোফাইল ফলে আর প্যারাটিটিনিয়াম পাউডার ও বেকারি সামগ্রীতে রয়েছেবিষাক্ত রং মুড়িতে ইউরিয়া সার দেয় যত জালিম। ভেজাল খাদ্য খেয়ে অসুস্থ হয়ে যত ঔষধ খাবেনআর ঐ জীবন রক্ষাকারী ঔষধেও ভেজাল রোগসারছে না আরও নতুন নতুন উপসর্গ দেখা দিচ্ছেকারণ ঔষধের ভেজাল নিরাপত্তা কোথায় পাবেন। আমরা কোথায় এসেই পৌঁছেছি কল্পনা করা…

  • কতো মনোহর !

    আত্ম প্রেমীদের থাকে মনোহর স্বভাবধান্দাবাজ একগুয়ে সহজেই অন্যকেদোষে অপছন্দে রয় শীতল মনোভাব। গালগল্পবাসী নিজেদের ভালোর জন্যবানিয়ে কথা বলে তাদের সঙ্গ মোটেইস্বাস্থ্যকর নয় স্বার্থের জন্যে থাকে হন্য। আত্ম-ধ্বংসাত্মক অতিরিক্ত মদ্যপানহাত-পা কাটা কিংবা ক্ষুধামন্দা মানুষএসব বৈশিষ্টদের নেই কোনো সম্মান। সহানুভূতি পেতে যারা আবেগে খেলেবলা যেতে পারে আবেগেরই পরজীবীওদের থেকে দূরে থাকাই ভালো বলে। নিজেকে ক্ষণোস্থায়ী উপস্থাপনও করেঅন্যের…

  • একে অন্যের সাথে কথা বলতে হয় উত্তমপারস্পরিক আলোচনায় যেসব কথা বলাহয় তা জ্ঞানসমৃদ্ধ হলে হবেনা তারা অধম। মুসলমানদেরকে অটুট বিশ্বাস রাখতে হবেতাঁদের প্রতিটি শব্দ মুখ দিয়ে প্রকাশের জন্যজবাব দিহিতা আছে স্মরণ রাখবে তা সবে। অনর্থক কথা বলতে সবার সচেতন থাকাউত্তম বললে পুরস্কৃত আর মন্দ কথা বললেশাস্তি ভোগ করতে হবে তা যেন স্মরণ রাখা। উল্লেখ আছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *