স্মরণীয় যতো !

যে স্মৃতিগুলো জমিয়ে রাখি
সুখের মনে করে সে গুলোই
আমাদের আনন্দের হিসেবে
খুব বেশি স্মরণ রয় কখনো
এর ক্ষতি ভোগ করে থাকি!

যারা মূলত ভাল বাসতে চায়
তাদের ভাগ্যে আর কখনোই
জুটে না সত্যিকারের কোনও
ভাল বাসা শেষে কেবল মাত্র
সারা পৃথিবীর অবহেলা পায়!

জীবনের শিক্ষাটা যত সেরা
প্রত্যেক মানুষের যত নিখুঁত
সুষ্ঠু ও সঠিকভাবেই গ্রহণের
জন্যই কারো কাছে একবার
ঠকে যাওয়াও ভালো মোরা!

পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয় 
আর এতে যা দুর্ভোগ যাতনা
দু:খ ও কষ্ট পেতেই বাস্তবতা
স্মরণ করে চোখের দু’ফোটা
জ্বল মুছে এগিয়ে যেতে রয়!

Similar Posts

  • স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি !

    তুষের আগুনে কবে থেকে জ্বলছিনিভে গেছি কতো জ্ব’লে জ্ব’লে তাদেখতে পাও নি তাই কষ্টেই বলছি! কবে থেকে যেনো দাঁড়িয়ে রয়েছিবাতি স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েপ্রতীক্ষারত অবস্থায় ভেঙে পড়েছি! আরোও অনেক সময় তো ডাকছিধৈর্য্য হারা হয়েছি ডাকতে ডাকতেঅন্তরের অজান্তে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি! স্নেহের দায় অকস্মাৎ বোবা হয়েছিবাক শক্তি হারিয়ে পাথরের মতোইকতো নিথর হয়ে এখন বসে গেছি! সেই কবে…

  • ফাল্গুনি

    বসন্তের বাতাস মনোমুগ্ধকর হয়ে জুড়ায় সবার প্রাণঝরে পড়ছে গাছ থেকে পুরাতন যতোনা ধূসর পাতাআর বদল করে তার জায়গা সবুজ কিশলয়ের ঘ্রাণ আগমনেআচানক কোথাও উঠছে কোকিল ডেকেরঙ-বেরঙের ফুলে আর ফলে বাগান গুলো ভরে দীর্ঘশীতের কুয়াশা মোড়ানো প্রান্তর পাড়ি দিয়েছে ফাঁকে। অবশেষে আমাদের দোরগোড়ায় এসে গেছে ফাল্গুনএসেছে ঋতুরাজ বসন্ত গাছ গাছালীরও ঝরে পড়াশুকনো পাতা কুড়িয়ে শিশুদের দল…

  • অন্তরে বিষ !

    যারা নিয়ম ছাড়া চলেতাদের মূল্যায়ন আছেরাস্তা ঘাট নগর বন্দরেকখনো অনেক মিলে। খেয়ালীপনাতেও যতোহর হামেশা দায় দায়িত্বএড়িয়ে গেলেও অনেকেওদের স্নেহ করে ততো। যাদের মুখে জোর বেশতারা তাল মিলিয়ে চলেযখন কারো সাথে সাক্ষাৎঘটে থাকে ফুর্তির রেশ। আরো কতোই টকবাজআচার আচরণেই উন্নতমুখে মধু ও অন্তরে বিষমুলত তারাই ধান্দাবাজ।

  • দৃঢ় মনোবল !

    সঠিক থাকে যদি লক্ষ্য স্থলকত যে উন্নত হয় তার ফল। কাজ কর্মে রয় দৃঢ় মনোবলদূর হয়ে যায় চোখেরই জল। পাকা ফলে হয় রসে টলমলপানির শব্দে থাকে কলকল। বর্ষায় ভরে নদী ও খাল বিলহাওর বাওর যত পুকুর ঝিল। কখনো মেঘাচ্ছন্ন পরেই নীলউড়তেও থাকে কত যে চিল। দৈবাৎ অবিরাম বৃষ্টিও পড়েচলাচলে মাথাতে ছাতা ধরে! আল্লার দয়ায় দু:খ…

  • প্রাচুর্য !

    শ্রেষ্ঠ হিসেবে পৃথিবীতে আগমনউন্নত আমল আখলাকের ফলেদুনিয়া ও পরকালের শান্তি লাভকরে সঠিক সময়ে করবো গমন। আমরা আল্লাহ তায়ালার বান্দাতাঁর ইবাদত বন্দেগী ও রাসুল(স.)এর প্রদর্শিত পথে চলে যাওয়ারজন্যে শুধু থাকবে মোদের ধান্দা। আরাধনা উপাসনাতে শান্তি সবযাতে রিজেক হায়াতেও বরকতনিহিত স্রষ্টার সন্তোষ্টি লাভ করেগেলে খুশী হবেন আমাদের রব! মহান আল্লাহ তায়ালা খুশী হলেআমাদের যত অসুবিধা অশান্তিদূরে চলে…

  • কবিতা ০১ থেকে ৯০০ টি

    শারীরিক অনেক অসুস্থতার মধ্যে থেকেও আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য ১২.০৩.২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ , রোজ মঙ্গলবার ; স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ৯০০ টিতে পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা ” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম — ” বাসা বুনে ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম একটি অভীষ্ট…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *