আমরা কৃতজ্ঞ !

হে দয়াময় মোদের সৃষ্টিকর্তা প্রভু
তোমার কৃপায় আমরা পৃথিবীতে
আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবেই
জন্ম গ্রহণ করে কতো ভাগ্যবান
হয়েছি তাই গর্বিত মোরা কখনো
দয়া হতে দূরে যেন না থাকি কভু!

সৃজন করেছো উপাসনার তরে
একান্ত তোমার অসীম করুণার
ফলে সকলে ধরণীর বুকে সুখী
সমৃদ্ধভাবে জীবন যাপন করেই
যাচ্ছি অনবরত এগুলোর জন্য
কৃতজ্ঞতা জানাই বন্দেগী করে!

হে খোদা তুমি কতো মেহেরবান
আমরা সবে ভুমিষ্টের পর থেকে
অফুরন্ত প্রয়োজনীয় যতো কিছু
ভোগ বিলাস করে যাচ্ছি তুমি ই
দান করেছ অধিকন্তু সৃষ্টির পূর্বে
কতো রিজেকের রেখেছ সংস্থান!

তোমার করুণার নেই কোনো শেষ
পৃথিবীর মধ্যে অসংখ্য ও অগনিত
পশুপাখি জীব জন্তু যেখানে যতো
বিরাজমান তোমার দয়াতেই বেঁচে
রয় উপভোগ করে খাদ্য ও পানীয়
এবং প্রয়োজনীয় অফুরন্ত অশেষ!

Similar Posts

  • ভাবতেও কষ্ট হয় !

    মা আমাদের মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগেপ্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে তাঁর সন্তান বড়োকরেন না সন্তানদের চিন্তা করেন আগে বাগে। অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাইশুধু মার্জনা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর্তটিতে কিই বাকরার আছে এসব অক্ষমতার যেন মুক্তি পাই! দেখিনি সাফল্যে আর তোমার উচ্ছ্বাসময় হাসিনানা প্রতিকূলতায় আশার বাণী শোনব না তোআর কখনো এ জন্যে শুধু মাত্র…

  • মর্মস্পর্শী

    কি করছো একা তুমি এখানে বসেতোমাকে দেখে তারা কত যে হাসে।সকল পরে ছেলেটির কাছে আসেসবাই একত্রে বসেছে তাকে ঘেষে।সমস্বরে বলে তুমি কি করছো ভাইতোর অনুসন্ধানে শান্তি মোদের নাই।হৃদয় বিদারক এক ঘটনা তার বলেবলার সময় চোখের পানিও ফেলে!বাস যোগেই বাড়ীতে রওয়ানা দেইসাথে বেশ টাকা পয়সা আমি নেই।শেষ রাতে ডাকাত দল বাসে ঢুকেতারা সকল মুখুশ পরা ছিল…

  • নিপুণ স্রষ্টা

    একটি কবিতাও গাছের মতোই সুন্দরহয়তো দেখতে পাব না এতো মনোহর! কত ক্ষুধার্ত গাছের মুখতো ফেটে যায়পৃথিবীর মিষ্টি প্রবাহিত স্তনও যে পায়! সারাদিন খোদার দিকে তাকিয়ে থাকেসব গাছেরা প্রতিদিন আল্লাহকে ডাকে! প্রার্থনার জন্য পাতাযুক্ত বাহু নেয় তুলেঝড় তুফানের সময় তো সব গাছ দুলে। গ্রীষ্মের ঝড়ে পড়তে পারে একটি গাছশত গাছে গাছে তার রবিনের হয় বাস। সেতো…

  • জ্যোৎস্না রাত

    রাতের প্রকৃতি যতো যেন আনন্দে ভরেঅনেকের জীবন ততো কিন্তু দুঃখ কষ্টেজর্জরিত হয়ে সুখ ভোগ যায় শত দূরে। জ্যোৎস্নায় রাতের আকাশ প্রকৃতি খুশীসেথায় চাঁদ আছে বলে আর অনেকেরঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই সে জন্যেই তারা দুঃখী। রাতের প্রকৃতি কতো সুযোগ করে দেয়সকলকে বিভিন্ন শব্দের সাথে পরিচিতহওয়ার আরো দূ:খ কষ্ট দূরে সরে নেয়। রাত্রে বিভিন্ন পোকার শব্দ কানে জাগেদিনে…

  • স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি !

    তুষের আগুনে কবে থেকে জ্বলছিনিভে গেছি কতো জ্ব’লে জ্ব’লে তাদেখতে পাও নি তাই কষ্টেই বলছি! কবে থেকে যেনো দাঁড়িয়ে রয়েছিবাতি স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েপ্রতীক্ষারত অবস্থায় ভেঙে পড়েছি! আরোও অনেক সময় তো ডাকছিধৈর্য্য হারা হয়েছি ডাকতে ডাকতেঅন্তরের অজান্তে স্বরতন্ত্রি ছিঁড়েছি! স্নেহের দায় অকস্মাৎ বোবা হয়েছিবাক শক্তি হারিয়ে পাথরের মতোইকতো নিথর হয়ে এখন বসে গেছি! সেই কবে…

  • ফাল্গুনি

    বসন্তের বাতাস মনোমুগ্ধকর হয়ে জুড়ায় সবার প্রাণঝরে পড়ছে গাছ থেকে পুরাতন যতোনা ধূসর পাতাআর বদল করে তার জায়গা সবুজ কিশলয়ের ঘ্রাণ আগমনেআচানক কোথাও উঠছে কোকিল ডেকেরঙ-বেরঙের ফুলে আর ফলে বাগান গুলো ভরে দীর্ঘশীতের কুয়াশা মোড়ানো প্রান্তর পাড়ি দিয়েছে ফাঁকে। অবশেষে আমাদের দোরগোড়ায় এসে গেছে ফাল্গুনএসেছে ঋতুরাজ বসন্ত গাছ গাছালীরও ঝরে পড়াশুকনো পাতা কুড়িয়ে শিশুদের দল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *